“আয়ূষ বাদোনি আমাদের বেবি এবিডি”, তরুণ ক্রিকেটারের প্রশংসায় লোকেশ রাহুল

Ayush Badoni
Ayush Badoni. (Photo Source: IPL/BCCI)

অভিষেকের মঞ্চেই সকলকে চমকে দিয়েছেন আয়ূষ বাদোনি। প্রথম ম্যাচ তাদের দল হয়ত জিততে পারেনি ঠিকই। আয়ূষ বাদোনি কিন্তু অধিনায়ক লোকেশ রাহুলের মন জিতে নিয়েছেন। প্রথম ম্যাচেই তাঁর দুর্ধর্ষ পারফরম্যান্স দেখে লোকেশ রহুল আপ্লুত। এই তরুণ ক্রিকেটারকে বেবি এবি  ডেভিলিয়র্স বলতেও দ্বিধা নেই তাঁর। আয়ূষের ব্যাটি পারফরম্যাম্স এবং তাঁর খেলার মানসিকতা দেখার পর এই তরুণ ক্রিকেটারকেএখন থেকেই বেবি এবি ডেভিলিয়র্স বলে ডাকতে শুরু করে দিয়েছেন লোকেশ রাহুল।

গত সোমবার আইপিএলের মঞ্চে প্রথমবার নেমেছিল গুজরাত টাইটান্স ও লখনউ সুপার জায়ান্টস। সেখানেই এই তরুণ ক্রিকেটারের উদয়। আইপিএলের মঞ্চ থেকে সব সময়ই তরুণ তারকাদের উদয় হয়েছে। এবারও তার অন্যথা হল না। গুজরাতের বিরুদ্ধেই লখনউ শিবির থেকে উঠে এলেন ২২ বর্ষীয় আয়ূষ বাদোনি। সামি, রশিদ খানদের শুধু আটকালেনই নয়, তাদের বিরুদ্ধে জোরদার প্রতিরোধও এদিন গড়ে তুলেছিলেন তিনি।

টস জিতে এদিনের ম্যাচে লখনউকে প্রথম ব্যটিংয়ের সুযোগ দিয়েছিলেন হার্দিক পান্ডিয়া। কিন্তু শুরুতেই ধস নমেছিল লখনউয়ের ব্যাটিং লাইনআপে। লোকেশ রাহুল থেকে কুইন্টন ডিকক, লুইস, মনীশ পান্ডেরা সকলেই ব্যর্থ হয়েছিলেন। সেই জায়গা থেকেই দীপক হুডার সঙ্গে দলের পরিস্থিতি সামাল দেন এই ২২ বর্ষীয় আয়ূষ বাদোনি। কেরিয়ারের প্রথম আইপিএলের ম্যাচেই অর্ধশতরান করে নতুন রেকর্ড গড়েন তিনি। তার থেকেও বড় বিষয় চাপের মুখে তাঁর পারফরম্যান্স মুগ্ধ করেছে সকলকে।

আইপিএলের অভিষেক ম্যাচেই অর্ধশতরান পেয়ে সকলকে চমকে দিয়েছেন আয়ূষ বাদোনি

ম্যাচ শেষে এই আয়ূষ বাদোনির প্রশংসাই লোকশ রাহুলের মুখেও। তাঁকে বেবি এবি ডেভিলিয়র্স বলেই সম্বোধন করছেন এখন লোকেশ রাহুল সহ বাকিরা। ম্যাচ শেষে রাহুল জানিয়েছেন, “তিনি আমাদের জন্য বেবি এবি। প্রথম দিন থেকেই দুর্ধর্ষ পারফরম্যান্স প্রদর্শন করছেন আয়ূষ বাদোনি। ছোট ছেলে হলেও তিনি একজন পাওয়ারপ্যাক সেইসঙ্গে তাঁর ৩৬০ ডিগ্রী খেলার দক্ষতা রয়েছে। তিনি যে ই সুযোগ কাজে লাগাতে পেরেছেন, তা দেখেই আমি খুশি। এটা কখনোই তাঁর জন্য জন্য আদর্শ জায়গা নয়, যখন তিনি ব্যাট করতে নামছেন তখন আমাদের চার উইকেট পড়ে গিয়েছে।  কিন্তু চাপের মুখে তিনি দুর্দান্ত পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেছেন এবং আশা করছি ভবিষ্যতেও এমনটা করে যাবেন”।

আয়ূষ বাদোনি এদিন যখন ব্যাটিং করতে মাঠে আসেন সেই সময় লখনউ সুপার জায়ান্টসের রান ছিল ৪ উইকেটে ২৯। সেই জায়গা থেকে দীপক হুডার সঙ্গে যোগ্য সঙ্গত দিয়ে রান এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজটা চালিয়ে যান তিনি। দীপক হুডা আউট হয়ে ফিরে গেলেও, আয়ূষ কিন্তু নিজের লক্ষ্যে অবিচল ছিলেন। শুরু থেকেই দুরন্ত ছন্দে ছিলেন তিনি। চাপের মুহূর্তে এতটুকুও ভয় পেতে দেখা যায়নি ২২ বর্ষীয় এই আয়ূষকে।

কেরিয়ারের প্রথম আইপিএলের ম্যাচেই ৪১ বলে ৫৪ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। সামি, রশিদ খানদের মতো বোলারদের বিরুদ্ধে তাঁর রয়েছে চারটি বাউন্ডারি এবং ৩ টি ওভার বাউন্ডারি। নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে খুশি আয়ূষ বাদোনিও। এখন এই ধারাই গোটা প্রতিয়োগিতায় তিনি ধরে রাখতে পারেন কিনা সেটাই দেখার।

close whatsapp