নেটে শুভমন গিলের সামনে বোলিংটাই ছিল তাঁর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, জানালেন যশ দয়াল

Shubman Gill and Hardik Pandya
Shubman Gill and Hardik Pandya. (Source: IPL/BCCI)

সদ্য সমাপ্ত হয়েছে আইপিএল। অভিষেকেই সেই মঞ্চে এসে চ্যাম্পিয়ন হয়ে সকলকে চমকে দিয়েছে গুজরাত টাইটান্স। এবারের আইপিএলে আন্ডারডগ হয়ে যাত্রা শুরু করলেও, প্রথম ম্যাচ থেকেই দুর্ধর্ষ পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেছে গুজরাত টাইটান্স। আর তা দেখেই আপ্লুত হয়েছে সকলে। সদ্য সমাপ্ত আইপিএলে হার্দিক, রশিদ খানরা যেমন দুর্ধর্, পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন, তেমনই গুজরাত টাইটান্সের হয়ে সাফল্যের সঙ্গে ব্যাটিং করেছেন শুভমন গিলও। এবার সেই শুভমন গিলকে নিয়েই উচ্ছ্বাসের সুর শোনা গেল যশ দয়ালের মুখে।

গুজরাত টাইটান্সের হয়ে হার্দিক পান্ডিয়ার পরই দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের মালিক শুভমন গিল। সেই শুভমনকেই বোলিং করতে নেটে সবচেয়ে বেশী সমস্যা পড়তে হয়েছে যশ দয়ালকে। আইপিএল শেষ হতে তা নিয়ে কথা বলতে কোনও দ্বিধা নেই এই তরুণ ক্রিকেটারের। এবারের আইপিএলে ৪৮৩ রান রয়েছে শুভমন গিলের। হার্দিক পান্ডিয়ার থেকে মাত্র চার রান পিছনে রয়েছেন তিনি।

কয়েকদিন আগেই এই শুভমন গিলকে নিয়ে এনই কথা শোনা গিয়েছিল রশিদ খানে মুখে। আইপিএলের মঞ্চে শুভমনের বিপক্ষে খেলার ব্যপারেই সবচেয়ে বেশী সাবধানী ছিলেন তিনি। শুভমনকে বোলিং করা যে সবচেয়ে কঠিনতম কাজ, তা মেনে নিতে কোনও দ্বিধা ছিল না রশিদ খানের। যিক তেমনই কথা এবার শোনা গেল যশ দয়ালের মুখেও। নেটে শুভমন গিলকে বোলিং করাই ছিল তাঁর সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

৪৮৩ রান করে গুজরাত টাইটান্সের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের মালিক শুভমন গিল

কিন্তু কেন এমনটা বললেন তিনি, সেই কথাই এবার সকলকে জানালেন এই তরুণ ক্রিকেটার যশ দয়াল। তিনি জানিয়েছেন, “নেটে শুভমন গিলের বিরুদ্ধে বোলিং করাটাই হল সবচেয়ে কঠিন কাজ। কোনও ডেলিভারির জবাব দিতেই এবারে দেরী করেন না তিনি।তিনি একেবারে ক্রিকেটের যথাযথ শট খেলেনষ কতটা ক্লাসিক ক্রিকেটার তিনি সেটাও বোঝা যায় সেই থেকেই”।

শুধু শুভমন গিলই নন। এই তরুণ পেসারের মুখে উঠে এসেছে আরও এক ক্রিকেটারের নাম। এবারের আইপিএলে গুজরাত টাইটান্সের হয়ে ওপেনিংয়ে দুর্ধর্ষ পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেছেন ঋদ্ধিমান সাহাও। তাঁর ব্যাটিং একেবারে সামনে থেকে দেখেছেন এই তরুণ ক্রিকেটার। পাওয়ার প্লে-তে ঋদ্ধিমান শাহা যে কতটা ভয়ঙ্কর তা মানতে কোনও দ্বিধা নেই যশ দয়ালের।

এই প্রসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, “আমরা বেশকিছু প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছি নিজেদের মধ্যে। কিন্তু সেখানেই বুঝেছি যে ঋদ্ধিমান সাহাকে বোোলিং করাটা কতটা কঠিন। বিশেষ করে পাওয়ার প্লে-তে তাঁকে বোলিং করা সবচেয়ে কঠিন কাজ”।

close whatsapp