আইপিএলের ছয় ভেন্যুর মাঠকর্মী ও কিউরেটরদের জন্য ১.২৫ কোটি পুরষ্কারমূল্য ঘোষণা জয় শাহের
আপডেট করা - May 30, 2022 10:09 pm

আইপিএলের দীর্ঘ আড়াই মাসের লড়াই শেষ হয়েছে। স্টেডিয়ামে প্রিয় দলের জয় দেখে কেউ আনন্দে মেতেছেন। আর হার দেখে সমর্থকদের হতাশ হয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে। আইপিএলের অভিষেক মঞ্চে আহমেদাবাদে চ্যাম্পিয়ন হয়ে এবারের মরসুমে ইতি টেনেছে গুজরাত টাইটান্স। পুরষ্কারে ভরে উঠেছে জয়ী দলের ক্রিকেটারদের হাত। দুর্ধর্ষ পারফরম্যান্স দেখানো ক্রিকেটাররাও পেয়েছেন বহু পুরষ্কার। কিন্তু এই গোটা প্রতিযোগিতার পিছনে যাদের অবদান সবচেয়ে বেশী, সেই মাঠকর্মী এবং কিউরেটরদের বিশেষ পুরষ্কার বিসিসিআইয়ের তরফে।
করোনা পরবর্তী সময়ে দেশের মাটিতে আইপিএল আয়োজন। চ্যালেঞ্জটা প্রথম থেকেই কঠিন ছিল বিসিসিাইয়ের সামনে। যদিও সেই বাধা পেড়িয়ে ঘরের মাঠেইঅ এবার আইপিএল আয়োজন করেছিল বোর্ড। হয়ত নিয়ম খানিকটা বদলেছিল, কিন্তু ঘরের মাঠেই আইপিএল দেখতে পেয়েছেন সকলে। শুধু তাই নয় লিগপর্ব থেকেই দর্শক প্রবেশ করেছে স্টেডিয়ামে। প্লেঅফ এবং ফাইনালে তো একশো শতাংশ দর্শক প্রবেশের অএনুমতি দেওয়া হয়েছিল।
তবে করোনার বিধি-নিষেধও মানতে হবে। আর সেজন্যই লিগ পর্ব মহারাষ্ট্রের চারটি মাঠে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বিসিসিআই। আর প্লেঅফের পর্ব আয়োজন করা হয়েছিল কলকাতান ইডেন গার্ডেন্স এবং আহমেদাবাদের স্টেডিয়ামে। বোর্ড তাদের লক্ষ্যে সফল হয়েছে। কিন্তু এতবড় একটা কর্মকান্ড যাদের ছাড়া একেবারেই অসম্ভব ছিল, সেই মাঠকর্মী এবং কিউরেটরদের বোর্ড ভোলেনি। আইপিএল শেষ হওয়ার পরই ছয় ভেন্যুর মাঠকর্মী ও কিউরেটরদের জন্য দেড় কোটি টাকা পুরষ্কার মূল্য ঘোষণা করা হয়েছে বোর্ডের তরফে।
২০২২ সালের আইপিএল ছটি ভেন্যুতেই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিসিসিআই
টুইট করে জয় শাহ জানিয়েছেন, “যাদের জন্য এমন দুর্ধর্ষ খেলা সম্ভব হয়েছে, তাদের জন্য খুবই আনন্দের সঙ্গে ১.২৫ কোটি টাকা পুরষ্কার মূল্য ঘোষণা করছি। এই মরসুমের আইপিএলের নেপথ্য কারিগড় আমাদের মাঠকর্মী এবং কিউরেটররা”।
I'm pleased to announce a prize money of INR 1.25 crores for the men who gave us the best games in #TATAIPL 2022. The unsung heroes – our curators and groundsmen across 6 IPL venues this season.
— Jay Shah (@JayShah) May 30, 2022
ফাইনাল শেষে যে কথা নিজেই জানিয়েছিলেন খোদ বোর্ড সচিব জয় শাহ। এই মাঠ কর্মীদের লড়াই এবং অক্লান্ত পরিশ্রমের জন্যই এতবড় একটা প্রতিযোগিতা এমনভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে পেরেছে বোর্ড। মহারাষ্ট্রের চারটি ভেন্যুতে সমস্ত নিয়ম মেনে মাঠ প্রস্তুত এবং পিচ তৈরি করা। একইরকমভাবে পরিশ্রম করেছে ইডেন এবং আহমেদাবাদের কর্মীরাও। তাদের এই অবদানের জন্যই এমন পদক্ষেপ নিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড।
এবারের প্লেঅফ আয়োজনের দায়িচ্ব পেয়েছিল ইডেন গার্ডেন্স এবং আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়াম। সেই দুই ভেন্যুর জন্য ১২.৫ লক্ষ টাকা করে দিয়েছে বোর্ড। আইপিএলের সবচেয়ে বেশী ম্যাচ লিগ পর্বে আয়োজন হয়েছে মহারাষ্ট্রে। সেখানে চার ভেন্যুর মাঠ কর্মী এবং কিউরেটরদের জন্য সর্বসাকুল্যে ২৫ লক্ষ টাকা পুরষ্কার মূল্যের কথা ঘোষণা করা হয়েছে বোর্ডের তরফে। আর বোর্ডের এমন পদক্ষেপ যে সকলেই আপ্লুত করবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।