অধিনায়ক ধোনির নেতৃত্ব এবং কনওয়ের বিধ্বংসী পারফরম্যান্সে চেন্নাইয়ের জয়, চিন্তা বাড়ল দিল্লির

Chennai super kings
Chennai super kings. (Photo Source: IPL/BCCI)

ব্যাট হাতে ডেভন কনওয়ে এবং বোলিংয়ে মঈন আলি। মহেন্দ্র সিং ধোনির দুই সেরা অস্ত্রেই দিল্লি ক্যাপিটালসের প্লে অফে পৌঁছনোর মসৃণ রাস্তাটা কঠিন হয়ে গেল। সুযোগ রইল ঠিকই, কিন্তু চ্যালেঞ্জটা অনেক বেড়ে গেল। চেন্নাই সুপার কিংসের সামনে এদিন ঋষভ পন্থের দিল্লি ক্যাপিটালস খরকুটোর মতোই উড়ে গেল। গুরু ধোনির কাছে শিষ্য ঋষভকে হার মানতেই হল। নিজেদের প্লে অফে যাওয়ার সুযোগ নেই ঠিকই, সেইসঙ্গে দিল্লির রাস্তাতেও কাঁটা ছড়িয়ে দিয়ে গেল চেন্নাই সুপার কিংস। ৯১ রানে ম্যাচ জিতল চেন্নাই সুপার কিংস।

আইপিএলে সদ্য অধিনায়ক হিসাবে মাঠে ফিরেছেন ধোনি। তিন ম্যাচের মধ্যে দুটোতেই কিন্তু জয় তুলে নিলেন তিনি। প্রথম থেকে ধোনির হাতে নেতৃত্বের ব্যাটন থাকলে লিগ টেবিলে চেন্নাই সুপার কিংসের অবস্থানটা যে অন্য হতেই পারত তা বলার অপেক্ষা রাখে না। গতম্যাচ হারের পরই আইপিএলের প্লে অফের রাস্তা কার্যত শেষ হয়ে গিয়েছে চেন্নাই সুপার কিংসের। এই মুহূর্তে তাদের হারানোর আর কিছুই নেই। এমন পরিস্থিতিতে এই দলগুলোই যে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে, তা আরও একবার বোঝা গেল।

অধিনায়ক হয়ে ফেরার পর তিনটির মধ্যে দুটো ম্যাচ জিতে নিলেন ধোনি

আইপিএলের প্লে অফের রাস্তায় এগোনর জন্যই এদিন চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে জেতাটা খুবই প্রয়োজনীয় ছিল ঋষভ পন্থদের। কিন্তু ক্যাপ্টেন কুলের ক্ষুরধার বুদ্ধি এবং কনওয়ে ও মঈন আলির পারফরম্যান্সের সৌজন্যেই দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ম্যাচ জিতে নিল চেন্নাই সুপার কিংস। এদিন টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ঋষভ পন্থ।

ব্যাট হাতে শুরু থেকেই দুর্ধর্ষ মেজাজে ছিলেন ডেভন কনওয়ে এবং রুকুরাজ গায়কোয়াড়। চেন্নাই সুপার কিংসের ওপেনিং পার্টনারশিপই এদিন ১১০ রানের। আর সেটাই বোধহয় চেন্নাই সুপার কিংসের জয়ের প্রথম ইঙ্গিতটা ছিল। রুতুরাজ ৪১ রানে ফিরলেও, কনওয়েকে আটকানো ছিল এদিন সবচেয়ে কঠিন কাজ। একাই চেন্নাইয়ের বড় রানের ইনিংসটা তৈরি করে দিয়ে যান তিনি। ৮৭ রানের ইনিংস খেলে ডেভন কনওয়ে যখন ফেরেন তখন দলের রান ১৬৯। বাকিটা ব্যাট হাতে সামলে দেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। তিনি যে এখনও সেরা ফিনিশার, সেটা আবারও একবার দেখিয়ে দেন ধোনি।

তাঁর ৮ বলে ঝোরো ২১ রানে ভর করে চেন্নাই সুপার কিংস পৌঁছে যায় ২০৮ রানে। লক্ষ্যটা কঠিন। আর তার থেকেও বড় চ্যালেঞ্জ প্রতিপক্ষ অধিনায়কের নাম মহেন্দ্র সিং ধোনি। ডেভিড ওয়ার্নার থেকে ঋষভ পন্থ, রভম্যান পাওয়েল কাওকেই এদিন মাঠে বেশীক্ষণ থাকতে দেননি তিনি। কখনও তাঁর অস্ত্র মঈন আলি তো কখনও তাঁর অস্ত্র ডোয়েন ব্রাভো। ঋষভ পন্থ, মিচেল মার্শ এবং রিপল পটেল তিন তারকাকে এদিন একাই তুলে নেন মঈন আলি।

ভয়ঙ্কর ওয়ার্নারকে শুরুতেই ফিরিয়ে দিয়েছিলেন থিকসানা। শেষটা করেন ডোয়েন ব্রাভো। ১১৭ রানেই শেষ হয়ে যায় দিল্লি ক্যাপিটালস। ৯১ রানে হারিয়ে দিল্লির রানের গড়েও কিন্তু একটা বড় ধাক্কা দিল চেন্নাই সুপার কিংস।

close whatsapp