হেরেই চলেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স, শ্রেয়সদের হারিয়ে শীর্ষে হার্দিকের গুজরাত টাইটান্স

Gujarat Titans
Gujarat Titans. (Photo Source: IPL/BCCI)

আইপিএলে হেরেই চলেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। আন্দ্রে রাসেলের লড়াই ব্যর্থই হল। বল হাতে শেষ ওভারে ৪ উইকেট তিনি নিয়েছিলেন ঠিকই, কিন্তু নাইট রাইডার্স ব্যাটাররা আবারও চূুড়ান্ত ব্যর্থ। নায়ক হয়ে ওঠার সুযোগ পেয়েও হারাতে হল তাঁকে। আইপিএলে এই নিয়ে টানা চারম্যাচে হার কলকাতা নাইট রাইডার্সের। গুজরাত টাইটান্সের কাছে ৮ রানে হেলে গেল কলকাতা নাইট রাইডার্স। হার্দিক পান্ডিয়ার অর্ধশতরানটাই এদিন গুজরাত টাইটান্সের জয়ের ভিতটা গড়ে দিয়েছিল। আর বল হাতে সেই রাস্তাতে হেঁটেই গুজরাতকে একটা পারফেক্ট জয় এনে দিলেন রশিদ খান, সামি এবং জশ দয়ালরা।

এবারের আইপিএলে গুজরাত টাইটান্সের প্রধা্ন শক্তিই হল দলগত পারফরম্যান্স। কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে বড় রান তুলতে পারেনি তারা ঠিকই, কিন্তু সেই দলগত পারফরম্যান্সের জোরেই কলকাতা নাইট রাইডার্সকে হারিয়ে দিল গুজরাত টাইটান্স। ব্যাট হাতে হার্দিক যেমন করলেন ৬৭ রান। তেমনই বল হাতে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে মাত্র ২২ রান দিয়ে ২ উইকেট তুলে নিয়েছেন। একইসঙ্গে সামি এবং জশ দয়াের ওভারও শেষ করে দিয়েছে কলকাতা নাইট ব্যাটারদের।

আইপিএলে টানা চার ম্যাচ হেরে প্লে অফের রাস্তা কঠিন করে ফেলল কলকাতা নাইট রাইডার্স

টস জিতে এবার প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন গুজরাত অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। আইপিএলে প্রথম ছক ভেঙেছিলেন তিনি। আর তাতে কিন্তু বাজিমাত করতে পারেনি গুজরাত টাইটান্স ব্যাটাররা। বরং ম্যাচের শুরু থেকেই দাপট ছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স বোলারদের দখলে। শুর থেকেই এদিন কামিন্সের পরিবর্তে আসা টিম সাউদি শুরু থেকেই ভয়ঙ্কর ফর্মে ছিলেন। শুরুতেই শুভমন গিলকে তুলে নেন তিনি। ঋদ্ঘিমান সাহাকেও ২৫ রানে সাজঘরে ফিরিয়ে দেন উমেশ যাদব। যদিও এদিন পিচ আঁকড়ে পড়েছিলেন হার্দিক পান্ডিয়া। তিনি না থাকলে হয়ত এদিন গুজরাত টাইটান্স ১২০ রানও টপকাতে পারত না।

ডেভিড মিলার, রশিদ খান, রাহুল তেওয়াটিয়া সকলেই এদিন ব্যাট হাতে ব্যর্থ হয়েছেন। হার্দিক পান্ডিয়ার ৬৭ রানে ভর করে শেষপর্যন্ত গুজরাত টাইটান্স করে ১৫৬ রান। সহজ লক্ষ্য।  টানা তিন ম্যাচ হারের পর কলকাতা নাইট রাইডার্সের ঘুরে দাঁড়ানোর এটাই ছিল সবচেয়ে বড় সুবিধা। কিন্তু পারলেন না। কেকেআরের ব্যাটাররা এদিন ফের চুড়ান্ত ব্যর্থ হলেন।

স্যাম বিলিংস, নীতিশ রানা এবং সুনীল নারিন। তিনজন ব্যাটারই ১০ রানের গন্ডী টপকাতে ব্যর্থ হয়েছেন এদিন। শ্রেয়স আইয়ার চেষ্টা চালালেও ১২ রানে ফিরে যান তিনি। আর সেইসঙ্গেই যেন নাইট রাইডার্সের হারের ভাগ্যও নির্ধারিত হয়ে যায়। যদিও রিঙ্কু সিং এবং আন্দ্রে রাসেল একটা চেষ্টা চালিয়েছিলেন ঠিকই। কিন্তু গুজরাতের দুর্ধর্ষ বোলিংয়ের সামনে পারেননি। আন্দ্রে রাসেল যতক্ষণ মাঠে ছিলেন নাইট রাইডার্সের তখনও জয়ের একটা আশা ছিল। শেষ ওভারে তখন বাকি ছিল ১৮ রান। প্রথম বলে আন্দ্রে রাসেল একটি বড় ছয়ও হাকান। কিন্তু পারেননি। আজারি জোসেফের বলেম ৪৮ রানে তিনি সাজঘরের ফেরার সঙ্গেই নাইটের হারও নিশ্চিত করে দিয়ে যান। এদিন তাঁর নায়ক হয়ে ওঠার সুযোগ থাকলেও পারলেন না রাসেল।

close whatsapp