পান্ডিয়াকে বোলার হিসেবে না পেয়ে যদি শুধু ব্যাটার হিসেবেও পাওয়া যায়, তাতেও খুশি টাইটান্স কোচ নেহরা
দলে পান্ডিয়ার পরিবর্ত অলরাউন্ডার হিসেবে বিজয় শঙ্কর আছে
আপডেট করা - Feb 15, 2022 4:51 pm

গুজরাত টাইটান্সের প্রধান কোচ আশিস নেহরা বলেছেন যে আইপিএল ২০২২-এ হার্দিক পান্ডিয়াকে একজন খাঁটি ব্যাটার হিসাবে পেয়ে টিম ম্যানেজমেন্ট বেশ খুশি। নতুন যুক্ত হওয়া ফ্র্যাঞ্চাইজির অধিনায়ক হিসেবে নিযুক্ত হওয়া হার্দিক সাম্প্রতিক কালে চোটের জন্য বোলিং থেকে দূরে থাকতে বাধ্য হয়েছেন।
পান্ডিয়া ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের হোম সিরিজ, শ্রীলঙ্কা সফর এবং টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে স্বল্প স্পেলে বল করেছিলেন। বোলিং করতে না পারায় ভারতীয় জাতীয় দলে তাঁর জায়গা চলে গেছে এবং টিম ম্যানেজমেন্ট শার্দূল ঠাকুর ও দীপক চাহারকে অলরাউন্ডার হিসেবে ভাবা শুরু করেছে। তবে শ্রীলঙ্কা সিরিজের আগে নেটে বোলিং করতে দেখা গেছে ২৮ বছর বয়সীকে।
আইপিএলের গত দুই আসরে বোলিং করেননি ডানহাতি মিডিয়াম পেসার। তিনি অবশ্য ২০২০ সালে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের শিরোপা জয়ী অভিযানে একজন খাঁটি ব্যাটার হিসাবে ভাল পারফর্ম করেছিলেন। নেহরা স্বীকার করেছেন যে পান্ডিয়ার বোলিং দক্ষতা পাওয়া গেলে দলের জন্য তা দুর্দান্ত হবে, তবে তিনি পান্ডিয়ার থেকে কেবল ব্যাটার হিসেবে অবদান পেলেও সন্তুষ্ট হবেন।
ইন্ডিয়া টুডের সাথে কথা বলার সময় নবনিযুক্ত কোচ বলেছেন, “সে যদি বোলিং করে, তবে সেটা দারুণ হবে। কিন্তু খুব সত্যি কথা বলতে কি, হার্দিক পান্ডিয়াকে একজন খাঁটি ব্যাটার হিসেবে পেয়ে আমরা বেশি খুশি। শুধু আইপিএল কেন, আমি বিশ্বের কোনো টি-টোয়েন্টি দল দেখি না যেখানে হার্দিক ব্যাটার হিসেবে থাকতে পারবে না। সে যে নম্বরেই ব্যাট করুক না কেন, সেটা ৪ বা ৫ বা ৬ হোক।”
গুজরাত টাইটান্স দলের তরুণদের প্রতি প্রবল প্রত্যাশা রাখেন আশিস নেহরা
নেহরা যোগ করেছেন, “হ্যাঁ, তাঁর বোলিংকে ঘিরে সবসময় জল্পনা চলে। সে যদি গুজরাত টাইটান্সের হয়ে বোলিং করতে পারে, সেটা দারুণ হবে । তবে হ্যাঁ, যদি সে শুধু ব্যাটিংয়ের জন্য ফিট থাকে, তা হলেও আমি খুশি হব।”
পান্ডিয়া দাবি করেছেন যে তিনি আইপিএল ২০২২-এ তাঁর বোলিংয়ের মাধ্যমে সম্পর্কে ভক্তদের বিস্মিত করবেন। গুজরাত টাইটান্স তরুণদের জন্য প্রচুর বিনিয়োগ করেছে এবং আর সাই কিশোর, যশ দয়াল, সাই সুদর্শন এবং অভিনব মনোহরের মতো খেলোয়াড়দের আনতে সক্ষম হয়েছে।
নেহরা মনে করেন যে তরুণদের সমর্থন করা একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক এবং তাদের কাছ থেকে প্রচুর প্রত্যাশা রয়েছে তাঁর। তিনি বলেছেন, “দুটি গর্তের মধ্যে একটি আপনাকে সর্বদা পূরণ করতে হবে। যদি শুবমান গিল বা দেবদত্ত পাড়িক্কাল বা পৃথ্বী শকে দেখা হয়, তারা তারকা হয়ে গেছে। দেবদত্তকে আরসিবিতে ২০ লাখ টাকায় নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দেখুন দেবদত্ত এখন কোথায় আছে। আমি আশা করছি অভিনব মনোহর বা সাই কিশোরও সেই জায়গায় চলে যাবে।”
নেহরা অলরাউন্ডার বিজয় শঙ্করের প্রসঙ্গে বলেছেন, “বিজয় শঙ্করের মতো ভারতের হয়ে খেলা ক্রিকেটারকে নিয়ে আমি আশাবাদী। বিজয় শঙ্কর কেমন করেন তা দেখার জন্য আমি উন্মুখ হয়ে আছি কারণ আমি সত্যিই তাঁর প্রতিভায় বিশ্বাস করি।”