কেরিয়ারের উন্নতিতে পাঠান ভাইদের অবদান স্বীকার করলেন দীপক হুডা

বরোদার হয়ে খেলার সময় পাঠান ভাইদের ঘনিষ্ঠ হন হুডা

Deepak Hooda
Deepak Hooda. (Photo Source: Instagram)

দীপক হুডাকে সম্প্রতি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে হোম সিরিজের জন্য ভারতের ওয়ানডে দলে রাখা হয়েছে। মিডল-অর্ডার ব্যাটার পূর্বে ২০১৮ নিদাহাস ট্রফিতে ভারতের স্কোয়াডের একটি অংশ থাকলেও তিনি একাদশে খেলার সুযোগ পাননি। 

তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে অভিষেকের ভালো সুযোগ রয়েছে তাঁর। বিস্ফোরক হিটার সম্প্রতি পাঠান ভাইদের সাথে তাঁর সম্পর্কের সমীকরণ সম্পর্কে কথা বলেছেন। তিনি আরও প্রকাশ করেছেন যে তিনি ইরফান পাঠানকে ভারতের হয়ে খেলার সুযোগ না পাওয়ার কারণ জিজ্ঞাসা করতেন, যার জন্য প্রাক্তন অলরাউন্ডার সর্বদা তাঁকে এই বলে আশ্বস্ত করতেন যে তাঁর সময় আসবে।   

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের সাথে কথা বলার সময় দীপক হুডা বলেছেন, “স্বাভাবিকভাবেই সন্দেহ তৈরী হতে শুরু করেছিল মনের মধ্যে, কিন্তু ইরফান ভাই আমাকে সবসময় একটি লাইন বলতেন, ‘আপনা টাইম আয়েগা’।” তাঁর কেরিয়ারের প্রাথমিক পর্যায়ে পাঠান ভাইরা কীভাবে তাঁকে শান্ত থাকতে শিখিয়েছিলেন সেই বিষয়ে আলোকপাত করেছেন হুডা।   

অনেক কিছু অতিরিক্ত করার চেষ্টা করেছি, দরকারের চেয়ে বেশী চেষ্টা করা প্রসঙ্গে হুডা 

“আমি ধীরে ধীরে ইরফান ভাই এবং ইউসুফ (পাঠান) ভাইয়ের কাছাকাছি চলে এসেছি। তারা আমাকে শান্ত হতে শিখিয়েছে, তারা আমাকে শান্ত হওয়ার শক্তি উপলব্ধি করিয়েছে। একজন যুবক হিসাবে, অস্থির হওয়া স্বাভাবিক এবং আমিও এর ব্যতিক্রম নই। এটা আমার খেলাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছিল মাঝে মাঝে। আমি বেশী পরিশ্রম করার চেষ্টা করেছি। প্রয়োজন ছিল না এমন অনেক কিছু অতিরিক্ত করার চেষ্টা করেছি,” তিনি বলেছেন। 

২৬ বছর বয়সী যুবক তখন স্মরণ করেন যে কীভাবে ইরফান তাঁকে প্রস্তুতি এবং প্রক্রিয়ার গুরুত্ব বলেছিলেন। তিনি প্রতিফলিত করেছেন কীভাবে এই উপদেশ তাঁকে সাফল্য পেতে সাহায্য করেছে। তিনি অনুভব করেছিলেন যে ৩৭ বছর বয়সী অলরাউন্ডারের উপদেশ তাঁর কেরিয়ারকে দিশা দেখাচ্ছে। 

“আমার মনে আছে ইরফান ভাই আমাকে প্রস্তুতি এবং প্রক্রিয়ার গুরুত্ব বলেছিল। কারো কাছ থেকে কিছু আশা না করেই বারবার একই কাজ করে যেতে হবে। তাই, জিম সেশন হোক, নেটে প্রশিক্ষণ হোক, এবং কঠোর ডায়েট অনুসরণ করা হোক, আমি সবসময় একটি ভাল কাজের নীতি বজায় রেখেছি। সেটা কাজে এসেছে,” হুডা বলেছেন।

উল্লেখ্য যে সৈয়দ মুশতাক আলী ট্রফি ২০২১-এ ব্যাটিং অলরাউন্ডার দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন। ছয় ম্যাচে ৭৩.৫০ গড়ে ২৯৪ রান করে তিনি টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন। এছাড়া তিনি বল হাতেও দক্ষ এবং অফ-স্পিন বোলিং করেন। 

close whatsapp