অভিষেকেই ব্যর্থ ডুপ্লেসি, হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে জিতল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স
আপডেট করা - Jan 22, 2022 7:12 pm

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে অভিষেকটা ভাল হল না ফাফ ডু প্লেসির। দল জিতলেও, প্রথম ম্যাচে মাত্র ২ রান করতে পারলেন তিনি। লো স্কোরিং ম্যাচে মিরপুরের পিচ নিয়ে বিতর্ক শুরু। ম্যাচ শেষেই সিলেটেরপ বিজয়ের গলায় খারাপ পিচ নিয়ে ক্ষোভের সুর। অন্যান্য ক্রিকেটাররা না বললেও, এদিনের ম্যাচের প্রধান ভিলেন যে পিচ, তা বোঝার অপেক্ষা রাখে না। প্রথম ম্যাচে সিলেট সানরাইজার্সের বিরুদ্ধে ২ উইকেটে জিতল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।
টস জিতে সিলেটকে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সুযোগ দেন কুমিল্লা অধিনায়ক। কিন্তু শুরু থেকেই এদিনের পিচে ছিল বোলারদের দাপট। যদিও গোটা শ্রেয়টাই যায় পিচের দিকে। সিলেটের মাত্র ৩ জন ব্যাটরকে বাদ দিলে আর কেউই দু অঙ্কের রান পেরোতে পারেননি। যদিও একশো রানের গন্ডীও টপকাতে পারেনি সিলেট সানরাইজার্স। ম্যাচের শুরু থেকেই ছিল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সদের বোলারদের দাপট।
মুস্তাফিজুর, নাগিদুল এবং শহীদুলদের দাপটে কুমিল্লার তাবড় তাবড় ব্যাটরা মাথা তুলেই দাঁড়াতে পারেননি এদিন। এই তিন বোলারই এদিন ২টি করে উইকেট শিকার করেন। কলিন ইনগ্রামই এদিন সিলেট সারাইজার্সের একমাক্র সফল ব্যটার। ২১ বল খেলে ২০ রান করেন তিনি। আর তাঁর হাত ধরেই কোনওরকমে ৯৬ রানে পৌঁছয় সিলেট সানরাইজার্স। কুমিল্লা ১৯ রান অতিরিক্ত না দিলে, সেটাও হয়ত পারত না তারা।
লক্ষ্যটা ছিল সহজ। কিন্তু এদিনের পিচ যে বোলারদের জন্য স্বর্গরাজ্য ছিল, তা ব্যাট করতে নেমেই টের পেয়ে গিয়েছিলেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের ব্যাটাররা। প্রথমবার এই প্রতিযোগিতায় নেমেছিলেন ফাফ ডুপ্লেসি। মাত্র ২ রানে সাজঘরে ফেরেন তিনি। কুমিল্লারও ওপেনিং থেকে মিডল অর্ডার কেউই এদিন ব্যাট হাতে সেভাবে সফল হননি। দলের সর্বোচ্চ রান ১৮ করেন করিম জনাত। এছাড়া ১৬ রান করেন ডেলপোর্ট ও নাহিদুল ইসলাম। আর তাতে ভর করেই ৮ উইকেট খুইয়ে কোনওরকমে ম্যাচ জেতে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।
আর ম্যাচ শেষেই পিচ নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন বিজয়। তিনি জানান, “হয়ত আরও সময় দিলে আমরা একচু বেশী রান করতে পারতাম। কিন্তু এই ম্যাচের পিচ নিয়ে একদমই খুশি নই আমরা। এই উইকেটটা একেবারেই টি টোয়েন্টির মতো হয়নি। এমন উইকেট হলে টি টোয়েন্টির মতো ফর্ম্যাটে রান বের করা খুবই কঠিন। যার কারণে ব্যাটাররা স্বাভাবিকভাবে খেলতে পারেননি”।