আইসিসির কাছে তিরস্কৃত হলেন অজি তারকা উসমান খোয়াজা
আপডেট করা - Dec 22, 2023 10:17 am

আইসিসির কাছে তিরস্কৃত হতে দেখা যায় অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম ওপেনার উসমান খোয়াজাকে। কিছুদিন ধরেই সারা বিশ্ব উত্তাল ইজরায়েল ও হামাস যুদ্ধের কারণে। মূলত এই ইস্যুকে কেন্দ্র করেই হাতে কালো ব্যান্ড পড়ে ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন এই অজি তারকা। কিন্তু পরবর্তীতে দেখা যায় যে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট বোর্ড বা আইসিসির থেকে এর জন্য কোন অনুমতি নেননি তিনি। এই কারণেই মূলত খোয়াজা কে তিরস্কৃত করল আইসিসি। দেখা গেছে যে আইসিসির কিছু নিয়ম ভেঙেছেন খোয়াজা। কোন ম্যাচে এমন কিছু পরে নামার আগে বা কোন নির্দিষ্ট ইস্যুতে প্রতিবাদ করতে গেলে আইসিসির থেকে অনুমতি নিতে হয়। এক্ষেত্রে সেই নির্দেশ মান্য করেননি খোয়াজা। তাকে সেই জন্য আইসিসির পক্ষ থেকে তিরস্কার করা হয়েছে। তিরস্কার করা হলেও খোয়া যার দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে এক্ষেত্রে কোন বাধা নেই। আইসিসির নির্দেশ অনুসারে, এরকম একই ধরনের ঘটনা এক বছরের মধ্যে চারবার ঘটলে ম্যাচভির ৭৫ শতাংশ সেই ব্যক্তির থেকে কেটে নেওয়া হয়। তবে এমনটা যে হবে তা খোয়াজাও আগে থেকে আন্দাজ করেছিলেন।
এর আগেও উসমান খোয়াজার জুতোয় মানুষের স্বাধীনতার বার্তা লেখা থাকতে দেখা যায়। তিনি নিজের জুতোয় ‘ সব মানুষের জীবনের দাম সমান’ এই বার্তা উল্লেখ করে মাঠে নেমেছিলেন। মূলত গাজা হামলার কথা মাথায় রেখেই এই প্রতিবাদ করেছিলেন বিশ্বকাপজয়ী দলের ওপেনার। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে সেই জুতো পড়ার কথা জানিয়েছিলেন খোয়াজা। কিন্তু আইসিসির নিয়ম জনিত বাধার কারণে তা সম্ভব হয়নি। যে কারণে আইসিসির উপর এই অজি তারকাকে ক্ষোভ উগড়াতেও দেখা যায়। আইসিসির বিধান অনুযায়ী কোনরকম রাজনৈতিক বার্তা ক্রিকেটাররা মাঠের মধ্যে কোনও ভাবেই প্রদর্শন করতে পারবেন না। খোয়াজা এক্ষেত্রে মূলত দাবী জানান, ‘ আমি কোনও রাজনৈতিক বার্তা লিখিনি ও কারুর পক্ষ নিয়েও কথা বলিনি। আমার কাছে সকল মানুষই সমান। মুসলিম হোক বা জিহু বা হিন্দু সকল ধর্মের মানুষই এক। আমি তাদের হয়ে কথা বলছি যারা নিজেদের কথা বলতে পারছে না। অবলা শিশুদের কাঁদতে দেখলে আমার হৃদয় ভেঙ্গে যায়।’
“আমার দুই কন্যা সন্তানের যদি এমন অবস্থা হতো? জন্মের সময় তো কেউ ঠিক করতে পারেনা যে সে কোন পরিবারে জন্ম নেবে।”
‘তাই যখন দেখি পৃথিবী কারো থেকে মুখ ফিরিয়ে দিয়েছে তা দেখলে কষ্ট হয়। আইসিসি নির্দেশ দিয়েছে যে এই জুতো আমি পড়তে পারব না। ওদের হয়তো কোন ক্ষেত্রে এটিকে রাজনৈতিক বার্তা বলে মনে হয়েছে। তবুও আমি সেটা বিশ্বাস করি না।’