ওডিআই বিশ্বকাপ ২০২৩-এর মঞ্চে ভারতের বোলিং পারফরম্যান্সে খুশি মহম্মদ শামি
আপডেট করা - Dec 13, 2023 11:05 pm

ওডিআই বিশ্বকাপ ২০২৩-এ দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের প্রদর্শন করেছিল ভারতের বোলিং বিভাগ। সম্প্রতি, এই ব্যাপারে নিজের বক্তব্য জানিয়েছেন দলের অভিজ্ঞ পেসার মহম্মদ শামি। ৩৩ বছর বয়সী এই পেসার বলেছেন যে বহু বছর ধরে শুধুমাত্র ভারতের ব্যাটিং নিয়েই কথা হয়ে এসেছে এবং তিনি খুশি যে ওডিআই বিশ্বকাপ ২০২৩-এ তাদের পারফরম্যান্সের কারণে ভারতের বোলিংয়ের দিকেই অনেকের নজর পড়েছে।
ওডিআই বিশ্বকাপ ২০২৩-এ ভারতের বোলিং বিভাগের পাশাপাশি ব্যাটিং বিভাগও খুব ভালো পারফরম্যান্সের প্রদর্শন করেছিল। এই টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ রান করেছিলেন প্রাক্তন ভারতীয় অধিনায়ক বিরাট কোহলি। তিনি ১১টি ম্যাচ খেলে ৯৫.৬২ গড় এবং ৯০.৩১ স্ট্রাইক রেটের সাথে ৭৬৫ রান করেছিলেন। অন্যদিকে, অধিনায়ক রোহিত শর্মা এই টুর্নামেন্টে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান করেছিলেন। তিনি ১১টি ম্যাচ খেলে ৫৯৭ রান করতে সক্ষম হয়েছিলেন। তার রানের গড় এবং স্ট্রাইক রেট হল যথাক্রমে ৫৪.২৭ এবং ১২৫.৯৪। প্রতিভাবান ভারতীয় ব্যাটার শ্রেয়স আইয়ারও এই টুর্নামেন্টে দারুণ পারফরম্যান্স দেখিয়েছিলেন। তিনি ১১টি ম্যাচ খেলে ৬৬.২৫ গড় এবং ১১৩.২৪ স্ট্রাইক রেটের সাথে এই রান করেছিলেন।
আজতককে মহম্মদ শামি বলেন, “যেদিন আমার জন্ম হয়েছিল, সেদিন থেকেই আমি শুনে আসছিলাম যে ভারতের ব্যাটিং শক্তির সমানে আসতে পেরেছে এমন কোনো দল নেই। আমরা এটা প্রায়ই শুনতাম। ভারতীয় ক্রিকেট এর ব্যাটারদের কারণে পরিচিত ছিল।”
“এই বিশ্বকাপে আমরা যেভাবে খেলেছিলাম, আমি মনে করি ৮০ শতাংশ মানুষ আমাদের বোলিং বিভাগকে দেখে খুশি হয়েছিল” – মহম্মদ শামি
৩৩ বছর বয়সী এই পেসার যোগ করেছেন, “এই বিশ্বকাপে আমরা যেভাবে খেলেছিলাম, আমি মনে করি ৮০ শতাংশ মানুষ আমাদের বোলিং বিভাগকে দেখে খুশি হয়েছিল। স্টেডিয়ামগুলিতে এটি একটি ভিন্ন পরিবেশ তৈরি করেছিল। আমি বুঝতে পেরেছিলাম যে জনসাধারণ আমাদের বোলিং পারফরম্যান্স উপভোগ করছিল। দর্শকরা আমাদের বোলিং শো উপভোগ করেছিল এবং আমরাও একে অপরের সাফল্য উপভোগ করেছিলাম।”
এই টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী বোলার ছিলেন মহম্মদ শামি। তিনি মাত্র ৭টি ম্যাচ খেলে ২৪টি উইকেট সংগ্রহ করেছিলেন। জসপ্রীত বুমরাহও ওডিআই বিশ্বকাপ ২০২৩-এ দারুণ পারফরম্যান্সের প্রদর্শন করেছিলেন। তিনি ১১টি ম্যাচ খেলেছিলেন এবং ২০টি উইকেট শিকার করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এই অভিজ্ঞ ভারতীয় পেসার টুর্নামেন্টটিতে সবথেকে বেশি ডট বলও করেছিলেন।