কোভিড আক্রান্ত ট্র্যাভিস হেডের পরিবর্তে সিডনি টেস্টে উসমান খোয়াজা

প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে সেঞ্চুরি করার ব্যাপারে আশাবাদী তিনি

Usman Khawaja
Usman Khawaja. (Photo by Matt King – CA/Cricket Australia via Getty Images/Getty Images)

উসমান খোয়াজা বলেছেন যে তিনি সিডনিতে চতুর্থ অ্যাশেজ টেস্টে ট্র্যাভিস হেডের শূণ্যস্থান পূরণ করতে প্রস্তুত। সিডনি টেস্টের আগে হেড কোভিড আক্রান্ত হওয়ায় অস্ট্রেলিয়া উসমান খোয়াজাকে পরিবর্ত হিসেবে বেছে নিয়েছে। 

অ্যাশেজ স্কোয়াডের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও এক মাসেরও বেশি সময় ধরে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট খেলেননি খোয়াজা। cricket.com.au-এর সাথে কথা বলার সময় যদিও খোয়াজাকে আত্মবিশ্বাসী দেখালো। তিনি আশা করছেন একাদশে হেডের যোগ্য পরিবর্ত হয়ে উঠবেন।

নিজের পুরনো ছন্দ ফিরে পাওয়ার পাশাপাশি টেস্ট ক্রিকেটে প্রত্যাবর্তনে একটি সেঞ্চুরির দিকে তাকিয়ে তিনি। সেই প্রসঙ্গে বলেছেন, “খেলার মধ্যে থাকলে কিছুটা সুবিধা হয়। তবে আমি এখন এক মাস খেলিনি। যদিও বেশী সময় লাগবে না থিতু হতে। ব্যাট করতে নেমে যদি আধ ঘণ্টা টিকে থাকি তা হলে ছন্দে চলে আসতে পারব।”

হেড না থাকার ফলেই যে তিনি জায়গা পেয়েছেন সেই বিষয়ে অবগত হেড বলেছেন, “এটি এমন একটি পরিস্থিতি যখন আমি খেললেও মাত্র একটি ম্যাচের জন্য খেলব। আমি সেই পরিস্থিতিটি বুঝতে পারছি। হেডির (হেড) অনুপস্থিতিতে আশা করি আমি সেখানে গিয়ে সেঞ্চুরি করতে পারব।”

খোয়াজা অস্ট্রেলিয়ার হয়ে শেষবার ২০১৯ অ্যাশেজ সিরিজের তৃতীয় টেস্টে খেলেছিলেন। মার্নাস ল্যাবুশেনের চাঞ্চল্যকর উত্থানের আগে পাকিস্তানে জন্মগ্রহণকারী অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটারটি তিন নম্বরে বেশ কয়েক বছর খেলেছিলেন। ৪৪ টেস্টে খোয়াজা ৪০.৬৬-এর ভদ্রস্থ গড়ে আটটি সেঞ্চুরি করেছেন।

“এখনও অনেক ক্রিকেট আসা বাকি” – উসমান খোয়াজা

খাজা জানেন যে এই বছর অস্ট্রেলিয়া অনেক টেস্ট খেলবে এবন তাই তাঁর সুযোগ আবারও আসবে। ২০২২-এ অস্ট্রেলিয়ার উপমহাদেশ সফরগুলির দিকে দৃষ্টি রয়েছে তাঁর। তিনি বলেন, “এখনও অনেক ক্রিকেট আসা বাকি। আমি সত্যিই কঠোর পরিশ্রম করছি এবং যখনই সুযোগ পাব অস্ট্রেলিয়ার জন্য আমি যথাসাধ্য করব। এখানে সুযোগ পাওয়ার পরেও আমি জানি যে আরও সুযোগ আছে। উপমহাদেশে অনেক ক্রিকেট হবে। আমি মনে করি যে ওই পরিস্থিতিতে আমি উপযুক্ত ক্রিকেটার। সিরিজগুলির অপেক্ষায় থাকব।

৩৫ বছর বয়সী মনে করেন যে তিনি শারীরিকভাবে ভালো অবস্থায় আছেন। সেই প্রসঙ্গে বলেছেন, “আমি সেরা ক্রিকেট কন্ডিশনিংয়ে আছি। এবং আমি আগের মতো চোট পাই না। আমি ক্রিকেট ভালোবাসি, এখনও প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট উপভোগ করছি।”

পকেটে সিরিজ পুরে নেওয়ার পর অস্ট্রেলিয়ার লক্ষ্য থাকবে ইংল্যান্ডকে ৫-০ হোয়াইটওয়াশ করার দিকে। অন্যদিকে, ইংল্যান্ড চায়বে সিরিজ না জিততে পারলেও বাকি দুটি ম্যাচ জিতে সম্মান পুনরুদ্ধার করতে।

close whatsapp