অভিষেক শর্মা ও হেনরিখ ক্লাসেনের দক্ষ হাতেই দিল্লিকে হারিয়ে জয়ের সরণীতে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ

Abhishek Sharma & Heinrich Klassen
Abhishek Sharma & Heinrich Klassen. ( Image Source: IPL/BCCI )

আইপিএলের মঞ্চে প্রথমবার মিচেল মার্শ দুর্ধর্ষ পারফরম্যান্স দেখালেও, সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে জয় এল না দিল্লি ক্যাপিটালসের। গত ম্যাচে এই সানরাইজার্স  হায়দরাবাদের বিরুদ্ধেই জিতেছিল দিল্লি ক্যাপিটালস। কিন্তু সেই সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছেই ফের াটকে গেল ডেভিড ওয়ার্নারের দিল্লি ক্যাপিটালস। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের রানের পাহাড়া টপকাতে পারল না দিল্লি ক্যাপিটালস। সেইসঙ্গে ফের েকটা ম্যাচ হেরে প্লেঅফের রাস্তাটা অনেকটাই কঠিন করে ফেলল তারা। আইপিএলের পয়েন্ট টেবিলে লাস্ট বয়ের জায়গাতেই রইল সৌরভ, পন্টিংয়ের দিল্লি ক্যাপিটালস।

এর আগের ম্যাচ গুলোতে মিচেল মার্শ নিজের পারফরম্যান্স দেখাতে ব্যর্থই হয়েছিলেন। কিন্তু এদিন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধেই তাঁর ব্যাটে এসেছিল বড় রানের ঝলক। সেইসঙ্গে যোগ্য সঙ্গত দিয়েছিলেন ফিল সল্টও। সেই সময় পর্যন্ত মনে হচ্ছিল যে এই ম্যাচ হয়ত দিল্লি ক্যাপিটালস জয়ের দিকেই এগিয়ে ছিল। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। ময়াঙ্ক মার্কন্ডেয়র স্পিনেই ভাঙে সেই পার্টনারশিপ। ব্যাট হাতে অভিষেক শর্মা এবং হেনরিখ ক্লাসেন এদিন যেটা করে দেখাতে পেরেছিলেন,  দিল্লি ক্যাপিটালস শিবিরে তেমনই একটা পাফরম্যান্সের অভাব ছিল। আর সেটাই যে ম্যাচের ফারাক গড়ে দিয়েছিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

৬৭ রান করার পাশাপাশি একটি উইকেটও তুলে নিয়েছেন অভিষেক শর্মা

টস জিতে এদিন প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের অধিনায়ক। শুরু থেকেই দিল্লির বোলারদের বিরুদ্ধে বিদ্বংসী মেজাজে ছিলেন অভিষেক শর্মা। কার্যত তাঁর হাত ধরেই বড় রানের রাস্তাটা প্রশস্ত করে ফেলেছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ৩৬ েবলে ৬৭ রানের ইনিংস খেলেছিলেন এই তরুণ ক্রিকেটার। তাঁর গোটা ইনিংস জুড়ে ছিল ১২টি বাউন্ডারি। হাঁকিয়েছেন একটি ওভার বাউন্ডারি। তিনি ফেরার পর অবস্য খানিকটা রানের গতি কমেছিল সানরািজার্স হায়দরাবাদের। শেষের দিকে তাঁর কাজটাই সম্পূর্ণ করেন হেনরিখ ক্লাসেন।

২৭ বলে ৫৩ রানের দু্র্ধর্ষ ইনিংস খেলেছিলেন এই তারকা ক্রিকেটার। তাঁর ইনিংস জুড়েও ছিল শুধুই চার ও ছয়ের বন্যা। তাংর ইনিংসে রয়েছে ২টি চার ও ৪ টি ওভার বাউন্ডারি। তাঁর স্ট্রাইকরেট রয়েছে ১৯৬.৩০। আর তাতেই দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ১৯৭ রানে পৌঁছেছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। আর এই দুই তারকা ক্রিকেটারের হাত ধরেই কার্যত জয়ের রাস্তাটা প্রশস্ত করে ফেলেছিল সানরাইজার্স।

অন্যদিকে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বোলাররাও এদিন আক্রমণাত্মক মেজাজে।  যদিও মিচেল মার্শ এহং ফিল সল্ট কিন্তু একটা লড়াি করার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু ময়াঙ্ক মার্কন্ডেয়ই  সেখানে বাধ সাধেন। তাঁর স্পিনের সামনেই থামতে হয় ফিল সল্ট। মিচেল মার্শকে থামিয়ে দেন আকিল হোসেন। এই দুই স্পিন অস্ত্রেই কার্যত দিল্লি ক্যাপিটালসের হারটা নিশ্চিত করে দেয় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।

close whatsapp