ওমিক্রনের উদ্বেগে দক্ষিণ আফ্রিকা-ভারত সিরিজ এক সপ্তাহ পিছিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা
ভারতীয় 'এ' দল এখনও দক্ষিণ আফ্রিকায় তাদের সিরিজ চালু রেখেছে
আপডেট করা - Dec 8, 2021 8:07 pm

চার বছর পর ভারত দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে সর্ব-ফর্ম্যাটের সিরিজ খেলতে যাবে বলে নির্ধারিত ছিল। কিন্তু ওই দেশে কোভিডের একটি নতুন প্রকারের উদ্ভব ও ব্যাপ্তির ফলে এখন সিরিজ নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি যে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে তাতে বলা যায় করোনাভাইরাসের নতুন প্রকার ওমিক্রনের উদ্বেগের কথা মাথায় রেখে দক্ষিণ আফ্রিকা সফর এক সপ্তাহের জন্য পিছিয়ে যেতে পারে।
বিসিসিআইয়ের এক কর্মকর্তা সম্প্রতি বলেছেন যে উভয় ক্রিকেট বোর্ড সিরিজ সঞ্চালনার প্রক্রিয়া মসৃণ করতে ক্রমাগত পারস্পরিক যোগাযোগ রাখছে, তবে সফর এক সপ্তাহ পিছিয়ে যাওয়ার সম্ভবনার কথা আগে বলা হয়নি। সেই কর্মকর্তা যোগ করেছেন যে তাঁরা এখনও ভারত সরকারের অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা করছেন।
“কোভিডের ওমিক্রন প্রকারের উদ্বেগের কারণে আমরা সিরিজটিকে এক সপ্তাহ পিছিয়ে দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করছি এবং আমরা ভারত সরকারের অনুমোদনের অপেক্ষায় আছি। উভয় বোর্ডের মধ্যেই যোগাযোগে রয়েছে এবং সবকিছু নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে। আমাদের খেলোয়াড়দের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ,” বিসিসিআইয়ের ওই কর্মকর্তা বলেছেন।
ওমিক্রনের আশঙ্কা দূর করতে ভারতীয় দলের জন্য নিরাপদ বায়ো বাবল নিশ্চিত করবে দক্ষিণ আফ্রিকা সরকার
উল্লেখ্য যে ভারতের তিনটি টেস্ট ও সমসংখ্যক ওয়ানডের পাশাপাশি চারটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচেও খেলার কথা। পূর্বে নির্ধারিত সূচী অনুযায়ী প্রথম টেস্ট ১৭ই ডিসেম্বর জোহানেসবার্গে হওয়ার কথা ছিল। দক্ষিণ আফ্রিকা সরকার সম্প্রতি জানিয়েছে যে ভারত যদি সিরিজ খেলতে দক্ষিণ আফ্রিকা আসে তবে নিরাপদ বায়ো-বাবলের সুরক্ষা দেওয়ার ব্যাপারে সরকার দায়িত্ব নেবে।
“ভারতীয় দলের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সমস্ত সতর্কতা অবলম্বন করবে দক্ষিণ আফ্রিকা। দক্ষিণ আফ্রিকা ও ভারতের জাতীয় দলের পাশাপাশি দুটি দেশের ‘এ’ দলের জন্যও একটি সম্পূর্ণ জৈব-সুরক্ষিত পরিবেশ সুনিশ্চিত করা হবে। যেখানে অনেক দেশ তাদের সীমান্ত বন্ধ করে দিচ্ছে এবং আফ্রিকার দক্ষিণ প্রান্তের দেশগুলিতে আসার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারী করছে, সেখানে ভারতীয় ‘এ’ দলের দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে এসে চলতি সিরিজ চালু রাখা প্রমাণ করে যে তারা আমাদের পাশে আছে,” দেশের বিদেশ মন্ত্রক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও সহযোগিতা বিভাগ বলেছে, দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের উদ্ধৃতি অনুসারে।