রাসেলসহ চার তারকাকে ধরে রাখল কেকেআর
গত চার মরসুমের দুই অধিনায়ক কার্তিক ও মর্গ্যান এবং তরুণ প্রতিভা গিল, কাউকেই রিটেইন করা হল না
আপডেট করা - Nov 30, 2021 11:23 pm

২০১৮ সালের ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ সংস্করণের আগে গৌতম গম্ভীর তাদের ছেড়ে যাওয়ার পরে কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) খুব বেশী সাফল্যের মুখ দেখেনি। ২০১৮ সালে দীনেশ কার্তিক দুইবারের আইপিএল চ্যাম্পিয়নদের অধিনায়কের দায়িত্ব নেন, কিন্তু ২০১৯ এবং ২০২০ সালে KKR প্লে অফের জন্য যোগ্যতা অর্জন করতে ব্যর্থ হওয়ায় তিনি চাপের কাছে নতি স্বীকার করেন। কার্তিকের হাত থেকে অধিনায়কত্বের দায়িত্ব যায় ইয়ন মর্গ্যানের হাতে। সেই মর্গ্যানকে ছাড়াই কেকেআর ঘোষণা করল তাদের রিটেনশন তালিকা। দেখে নেওয়া যাক কোন কোন ক্রিকেটারকে ধরে রাখল কেকেআর।
ইয়ন মর্গ্যান কার্তিকের কাছ থেকে অধিনায়কের দায়িত্ব নিলেও বিশেষ প্রভাব ফেলতে পারেননি। তাছাড়া, ব্যাট হাতে ইংল্যান্ড অধিনায়কের ফর্ম শোচনীয় ছিল। ব্যাট হাতে সাথে মর্গ্যানের ব্যর্থতার পাশাপাশি বিগত আইপিএলের প্রথম পর্বে দলও একেবারেই ছন্দে ছিল না।
কিন্তু আইপিএল ২০২১-এর দ্বিতীয় পর্বে হাওয়া ঘুরতে থাকে কলকাতার পক্ষে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত ওই পর্বে নাইটরা একের পর এক ম্যাচ জিতে ফাইনালে জায়গা করে নেয়। নাইটরা শেষের বাধা অতিক্রম করতে ব্যর্থ হলেও টুর্নেমেন্টে তাদের ছাপ রেখে যায়। নাইটদের প্রত্যাবর্তনের কাণ্ডারিরা প্রশংসিত হন।
মেগা নিলামের আগে কাদের ধরে রাখল কেকেআর?
২০২২ সংস্করণের রিটেনশনের জন্য নাইটদের হাতে বেশ কিছু বিকল্প ছিল। মর্গ্যান ব্যাট হাতে ছন্দে না থাকলেও, তিনি অধিনায়ক হিসেবে কার্যকরী ছিলেন। আন্দ্রে রাসেল গত কয়েক মরসুম ধরে নাইটদের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হয়ে উঠলেও এই মরসুমে তেমন ফর্মে ছিলেন না। সুনীল নারিন আইপিএলে যোগ দেওয়ার পর থেকে শুধু নাইটদের হয়েই খেলেছেন এবং তিনি কেকেআরের এক প্রকার ঘরের ছেলে।
তাছাড়া, লকি ফার্গুসন এবং প্যাট কামিন্সের পেস জুটিও তাদের হয়ে ভালো পারফর্ম করেছে। কামিন্স লোয়ার অর্ডারের একজন কার্যকরী ব্যাটারও। শুবমান গিল এবং ভেঙ্কটেশ আইয়ারও সম্ভাবনাময় ক্রিকেটার।
শেষ পর্যন্ত, নাইটরা নারিন, রাসেল, আইয়ার এবং তাদের রহস্য স্পিনার বরুণ চক্রবর্তীকে বেছে নিয়েছে। তামিলনাড়ুতে জন্মগ্রহণকারী চক্রবর্তী গত দুই মরসুমে কেকেআরের হয়ে অনবদ্য।
কলকাতা নাইট রাইডার্সের রিটেনশন তালিকাঃ
রিটেনশন ১: আন্দ্রে রাসেল (বেতন ১২ কোটি টাকা)
রিটেনশন ২ : বরুণ চক্রবর্তী (বেতন ৮ কোটি টাকা)
রিটেনশন ৩ : ভেঙ্কটেশ আইয়ার (বেতন ৮ কোটি টাকা)
রিটেনশন ৪ : সুনীল নারিন (বেতন ৬ কোটি টাকা)
অর্থ কাটা হয়েছে : ৪২ কোটি টাকা
অবশিষ্ট অর্থ : ৪৮ কোটি টাকা