ইডেনে পা রেখে আবেগতাড়িত মহেন্দ্র সিং ধোনি
আপডেট করা - Apr 23, 2023 9:34 pm

আইপিএলে যে ম্যাচেই চেন্নাই সুপার কিংস নামুক না কেন, সেটাই যেন তাদের কাছে হোম গ্রাউন্ড হয়ে ওঠে। হবে নাই বা কেন, সেই দলেই যে রয়েছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। আর এমএস ধোনির ভক্ত যে গোটা ভারত জুড়েই রয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কলকাতাতেও মহেন্দ্র সিং ধোনির অগুন্তী ভক্ত রয়েছে। রবিবার কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে নেমেছে চেন্নাই সুপার কিংস। কিন্তু ইডেনের গ্যালারীর রং এদিন হলুদ। গোটা গ্যালারী জুড়ে শুধুই এমএস ধোনিদের ভক্তদের ভিড়। আর সেই ছবি দেখেই যেন আবেগতাড়িত হয়ে পড়েছেন এমএস ধোনি।
এদিন টসের সময় সেই দীর্ঘদিন আগের খড়গপুর স্টেডিয়ামে কাজ করার সময়ের স্মৃতিই উঠে এল মহেন্দ্র সিং ধোনির মুখে। কলবকাতা যে সবসময়ই তাঁরে কতটা বালবাসা দিয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কলকাতায় মাটিতে পা রাখার পর থেকেই আবেদে ভেসে গিয়েছেন তিনি। ইডেনে দাঁড়িয়ে সেই আবেগ চেপেও রাখতে পারলেন না মহেন্দ্র সিং ধোনি। আর তাতেই আপ্লুত সকলে।
টস জিতে নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে বোলিং নিয়েছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি
কলকাতা থেকে খড়গপুরের দুরত্ব ২ ঘন্টার। সেখানই একসময় টিটির চাকরি করতেন ভারতীয় দলের সেরা অধিনায়ক। সেই সূত্রে কলকাতায় যে তাঁর বহু আনাগোনা ছিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সেই থেকেই কলকাতার সঙ্গে যোগাযোগটা তৈরি হয়েছে। তৈরি হয়েছে একটা টানও। আপর সেইসব থেকেই যে ধোনির প্রতি কলকাতা বাসীর এতটা ভালবাসা তাও বলতে দ্বিধা করেননি মহেন্দ্র সিং ধোনি। টসের সময়ই খানিকটা আবেগতাড়িত হয়ে পড়লেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন অধিনায়ক। সেই কথাই শোনা গেল তাঁর মুখ থেকে।
টসের সময় এমএস ধোনি জানিয়েছেন, “একসময় কলকাতায় আমি অনেক ম্যাচ খেলেছি। যদিও বলবনা যে প্রচুর ম্যাচ খেলেছি এখানে। কারণ আমি কখনোও অনুর্ধ্ব-১৬ এবং অনুর্ধ্ব ১৯ ম্যাচ খেলিনি। সেজন্যই আমার ম্যাচের সংখ্যা খানিকটা কমিয়ে দিয়েছিল। তবে এটা সকলেই জানে যে আমি একসময় খড়গপুরে খেলতাম। এখান থেকে ২ ঘন্টার দুরত্বে রয়েছে খড়গপুর। সেজন্যই একসময় এখানে বহুবার এসেছি। সেইসঙ্গে এখানে ক্রিকেট খেলার পাশাপাশি ফুটবল খেলাও চালিয়ে গিয়েছি। সেজন্যই আমি মনে করি সেই জায়গা থেকেই ভালবাসাটা তৈরি হয়েছে”।
এবারের আইপিএলে মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে দুরন্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছ চেন্নাই সুপার কিংস। ইডেন গার্ডেন্সেও সেই পারফরম্যান্স দেখা গেল। ইডেনের গ্যালারী যে এদিন শুধুই ধোনিময় ছিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না।