টি-২০ আন্তর্জাতিকে তৃতীয় সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে একাধিক রেকর্ড ভাঙলেন বাবর আজম
৫৮ বলে ১০১ রানের ইনিংস খেলেছেন বাবর
আপডেট করা - Apr 16, 2023 12:30 pm

লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ব্যাট হাতে জ্বলে উঠলেন পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম। টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকে তাঁর তৃতীয় সেঞ্চুরির সৌজন্যে তিনি পাকিস্তানকে ২০ ওভারে স্কোর বোর্ডে ১৯২ রান তুলতে সাহায্য করেছিলেন।
জবাবে নিউ জিল্যান্ড তাদের ২০ ওভারে মাত্র ১৫৪ রানে পৌঁছতে পেরেছিল এবং পাকিস্তান ৩৮ রানে জিতে সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে। পাকিস্তানের হয়ে বোলিংয়ে নজর কেড়েছিলেন হারিস রউফ। চার ওভারে ২৭ রান দিয়ে ৪ উইকেট তুলেছেন তিনি। ডান-হাতি পেসার পরপর দুই ম্যাচে চারটি করে উইকেট পেলেন।
৫৮ বলে ১০১ রানের ইনিংসের সৌজন্যে বাবর আজম টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকে বেশ কিছু রেকর্ড গড়েছেন। এই ফর্ম্যাটে তৃতীয় সেঞ্চুরি করার পরে বাবর আজমের সামনে এখন কেবলমাত্র রোহিত শর্মা (৪) রয়েছেন। বাবর ছাড়া টি-২০ আন্তর্জাতিকে তিনটি সেঞ্চুরি করা বাকী খেলোয়াড়রা হলেন কলিন মানরো (নিউ জিল্যান্ড), গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (অস্ট্রেলিয়া), সূর্যকুমার যাদব (ভারত), সাবাউন ডাভিজি (চেক প্রজাতন্ত্র)।
অধিনায়ক হিসেবেও বাবরের এটি তৃতীয় টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক সেঞ্চুরি। টি-টোয়েন্টিতে দলকে নেতৃত্ব দেওয়া যে কোনো ব্যাটারের ক্ষেত্রে এটি সর্বোচ্চ। লাহোরে সেঞ্চুরি করে তিনি রোহিত শর্মাকে ছাড়িয়ে গেছেন, যিনি ভারতের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক হিসেবে দুটি সেঞ্চুরি করেছেন।
এই ম্যাচে আমার পারফর্ম্যান্সে আমি খুব খুশি: বাবর আজম
সামগ্রিকভাবে টি-টোয়েন্টি ফর্ম্যাটে এটি ছিল বাবর আজমের নবম সেঞ্চুরি। এই সেঞ্চুরির মাধ্যমে তিনি মাইকেল ক্লিঙ্গার, অ্যারন ফিঞ্চ ও ডেভিড ওয়ার্নারকে ছাড়িয়ে গেছেন। এঁদের সবার দখলে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ৮টি সেঞ্চুরি রয়েছে। সংক্ষিপ্ততম ফর্ম্যাটে ২২টি সেঞ্চুরি করে একমাত্র ক্রিস গেইল বাবরের আগে রয়েছেন।
পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক হিসেবে বাবর আজম এখন ৪২টি ম্যাচ জিতেছেন। ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হিসেবে ইয়ন মর্গ্যান ও আফগানিস্তানের অধিনায়ক হিসেবে আসগর আফগানও সংক্ষিপ্ততম ফর্ম্যাটে ৪২টি ম্যাচ জিতেছেন। আর একটি ম্যাচ জিতলেই অধিনায়ক হিসেবে বাবরের দখলে সর্বাধিক জয় থাকবে।
ম্যাচের পরে বাবর আজম তাঁর পারফর্ম্যান্স প্রসঙ্গে বলেছেন, “এই ম্যাচে আমার পারফর্ম্যান্সে আমি খুব খুশি। প্রথম দিকে ফাস্ট বোলারদের জন্য কিছুটা সাহায্য ছিল কিন্তু রিজওয়ান ও আমি সেই সময়টা সামলেছি, একটি পার্টনারশিপ তৈরি করেছি এবং তারপর ইফতিখার ও আমি এটি শেষ করেছি। আমরা শেষ পাঁচ ওভার কাজে লাগিয়ে একটি খুব ভাল স্কোর সংগ্রহ করেছিলাম।”
“শেষের দিকে উইকেট হারানো একটি উদ্বেগের বিষয় এবং আমরা এই বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করব। যখন দল একগুচ্ছ উইকেট হারায়, তখন ব্যাটারদের উপর চাপ সৃষ্টি হয়। আমাদের খুব ভালো ফাস্ট বোলার আছে এবং তারা দুর্দান্ত পারফর্ম করেছে,” তিনি যোগ করেছেন।