বিধ্বংসী ইনিংসের জন্য অধিনায়ক ল্যানিংকে ধন্যবাদ জানালেন শাফালি

জায়ান্টসের বিরুদ্ধে ২৮ বলে ৭৬* রানের ইনিংস খেলেন শাফালি

Meg Lanning and Shafali Verma
Meg Lanning and Shafali Verma (Image Source: Twitter/WPL)

চলমান মহিলা প্রিমিয়ার লিগের (ডাব্লিউপিএল) নবম ম্যাচে গুজরাত জায়ান্টসের বিরুদ্ধে বিধ্বংসী মেজাজে ছিলেন শাফালি ভার্মা। মাত্র ১০৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দলকে একটি বিস্ফোরক শুরু এনে দেন শাফালি এবং ১০ উইকেটের দুর্দান্ত জয় অর্জনে অবদান রাখেন। ১০৬ রানের লক্ষ্যর সামনে নির্ভয়ে ব্যাটিং করে শাফালি মাত্র ২৮ বলে অপরাজিত ৭৬ রান করেন। মাত্র ১৯ বলে তাঁর হাফ সেঞ্চুরি পূরণ করে ডাব্লিউপিএলের দ্বিতীয় দ্রুততম হাফ-সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েন।

শেষ অবধি অপরাজিত থেকে শাফালি মাত্র ৭.১ ওভারে রান তাড়া করতে সাহায্য করেন দিল্লি ক্যাপিটালসকে। শাফালির ব্যাট থেকেই দলের সিংহভাগ রান এসেছিল। শাফালির ওপেনিং সঙ্গী ও দলের অধিনায়ক মেগ ল্যানিং ১৫ বলে ২১* স্কোর করে যোগ্য সহায়তা করেন শাফালিকে। ভারতীয় তরুণ ওপেনারের ঝলমলে ইনিংসে ১০টি চার ও ৫টি ছক্কা ছিল এবং তিনি ২৭১.৪৩ স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং করেছিলেন।

দাপুটে জয়ের পরে শাফালি তাঁর অধিনায়ক ল্যানিংয়ের প্রশংসা করেছেন। গুজরাত জায়ান্টসের বোলিং লাইন-আপের বিরুদ্ধে তাঁর আগ্রাসী ইনিংসকে দিশা দেখানোর জন্য ল্যানিং মূল্যবান পরামর্শ ভাগ করে নিয়েছিলেন শাফালির সঙ্গে। এই কারণে তিনি অস্ট্রেলিয়ান তারকাকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন।

“আমি তাড়াহুড়ো করছিলাম না, তবে রান তাড়ার সময় আমি আমার সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করছিলাম। এখন আমরা বিশ্রাম নিতে পারি এবং উপভোগ করতে পারি। আগের ম্যাচে ফ্লিক খেলতে গিয়ে আউট হয়ে যাই। তাই সোজা খেলার চেষ্টা করেছি। আমি তার পরামর্শের জন্য ল্যানিংকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমি ভবিষ্যতে কঠোর পরিশ্রম করতে চাই এবং একইভাবে খেলে রান করতে চাই। মেগকে ধন্যবাদ এবং আমার সমস্ত সতীর্থ ও আমার পরিবারকে ধন্যবাদ,” তিনি টুর্নামেন্টের সম্প্রচারকদের বলেছেন।

মেগ ও আমি একে অপরকে সাহায্য করতে থাকি: শাফালি ভার্মা

দিল্লি ক্যাপিটালস এই ম্যাচে ডাব্লিউপিএলের সর্বোচ্চ পাওয়ারপ্লে রানের রেকর্ড করেছে। শাফালি প্রতিপক্ষের কোনো বোলারকেই রেয়াত করেননি এবং ইচ্ছামতো বড় শট মেরে গিয়েছেন। ল্যানিংয়ের সঙ্গে ভারতের ১৯ বছর বয়সী ব্যাটার প্রথম ছয় ওভারে ৮৭ রান করেন।

“আমরা (আমি এবং মেগ) নিজেদের সেরাটা দেওয়ার কথা ভাবছিলাম। আমরা জানতাম যে আমরা এই টার্গেটকে হালকাভাবে নিতে পারি না। আমরা একে অপরকে সাহায্য করতে থাকি এবং সেটা মাঠে অনেক সহায়তা করে। পিচটি ব্যাট করার জন্য সত্যিই চমৎকার ছিল। আমরা আগামী ম্যাচগুলিতে একই পদ্ধতিতে পারফর্ম্যান্স চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করব,” শাফালি যোগ করেছেন।

দিল্লি ক্যাপিটালস তাদের পরবর্তী ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের মুখোমুখি হবে নভি মুম্বাইয়ের ডিওয়াই পাটিল স্টেডিয়ামে। দিল্লি আত্মবিশ্বাসের শীর্ষে থাকবে কারণ এখনও পর্যন্ত তাদের সমস্ত জয়গুলি বেশ আধিপত্যের সঙ্গে এসেছে। অন্যদিকে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স টুর্নামেন্টে প্রথম জয়ের সন্ধানে রয়েছে।

close whatsapp