‘ক্রিকেটের শীর্ষস্তরে খুবই নির্মম পরিবেশ’ – সিরিজের মাঝপথেই দেশে ফেরার প্রসঙ্গে অ্যাগার

৫০ ওভারের বিশ্বকাপের দিকে নজর অ্যাগারের

Ashton Agar
Ashton Agar. (Photo by Daniel Kalisz/Getty Images)

সিনিয়র অলরাউন্ডার অ্যাশটন আগর সম্প্রতি জানিয়েছেন যে ভারতের বিরুদ্ধে বর্ডার-গাভাস্কার ট্রফির মাঝেই তাঁকে দেশে পাঠানো হলেও অস্ট্রেলিয়ান ম্যানেজমেন্টের প্রতি তাঁর কোনো অসন্তোষ নেই। ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে শেষ টেস্ট খেলা অ্যাগারকে ন্যাথান লায়নের পরে স্পিন ইউনিটের দ্বিতীয় প্রধান হিসেবে ভারত সফরে নিয়ে আসা হয়েছিল। তবে অফ-স্পিনার টড মার্ফি প্রথম টেস্ট থেকেই মুগ্ধ করায় অ্যাগার খেলার সুযোগ পাননি।

দিল্লিতে স্পিনের বৃহত্তর প্রভাব থাকায় সফরকারীরা ম্যাথিউ কুহ্‌নেমানকে ভারতে ডেকে আনে এবং সঙ্গে সঙ্গেই বাঁ-হাতি স্পিনারের অভিষেক হয়। কুহ্‌নেমানের অন্তর্ভুক্তির ফলে অ্যাশটন অ্যাগারকে তাঁর রাজ্য দলের হয়ে খেলতে দেশে ফিরে যেতে বলা হয়েছিল।

মার্শ কাপের ফাইনালে ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়াকে জেতানোর পরে অ্যাগার বলেছেন, “আমার মনে হয়েছিল যে আমি ঠিক তেমন ভালো বোলিং করছি না। এটা আমার জন্য এখন খুব স্পষ্ট নির্দেশনা। নিজের বোলিং নিয়ে কাজ করা এবং উন্নতি করা। আমার কোনো অসন্তোষ নেই। আমি সেই (অস্ট্রেলিয়ান) ক্যাম্পে খুব ভালোভাবে সমর্থিত এবং তারা আমার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছে। আমি এখন দশ বছর ধরে একজন পেশাদার ক্রিকেটার, তাই আমি যখন শুরু করেছিলাম তার চেয়ে এখন অনেক বেশী স্থিতিস্থাপক। এটি একটি কঠিন খেলা, এটি একটি নির্মম পরিবেশ, এবং এটি এমনই হওয়া উচিত কারণ এটাই খেলার শীর্ষস্তর।”

আমি অবশ্যই বিশ্বকাপের জন্য মুখিয়ে আছি: অ্যাশটন অ্যাগার

২০১৩ সালে অভিষেকের পর থেকে অ্যাশটন আগার মাত্র পাঁচটি টেস্ট খেলে নয় উইকেট নিয়েছেন। ২৯ বছর বয়সী এই বছরের শুরুতে সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে (এসসিজি) দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তাঁর শেষ টেস্টে উইকেটহীন ছিলেন।

যদিও লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর খেলার সময় সীমিত ছিল, তবে অস্ট্রেলিয়া উপমহাদেশে যতবার সফর করেছে, ততবারই অ্যাশটন আগার সীমিত ওভারের ফর্ম্যাটে নিয়মিত পারফর্ম করেছেন। মার্শ কাপে জয়ের পরে পুনরুজ্জীবিত অ্যাগার তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে অংশ নিতে ভারতে ফিরে আসবেন এবং ভারতে আয়োজিত ২০২৩ ওডিআই বিশ্বকাপের দিকে নজর রাখছেন।

“জ্যাম্পস (অ্যাডাম জাম্পা) সাদা বলের ফর্ম্যাটের প্রধান স্পিনার। আমরা কী করছি – দুই স্পিনার না শুধুই একজন – তার উপর নির্ভর করবে। যদি আমি খেলি, আমি সাধারণত আটে ব্যাট করি এবং আমার দশ ওভার শেষ করার চেষ্টা করি। আমি অবশ্যই বিশ্বকাপের জন্য মুখিয়ে আছি। আমার জন্য খুব বেশি ক্রিকেট নেই ভবিষ্যতে। আমি দ্য হান্ড্রেডের জন্য নাম তুলেছি… আমি শীতে ক্রিকেট খেলতে চাই। কিন্তু পরবর্তী বড় লক্ষ্য বিশ্বকাপ,” শেষে বলেছেন অ্যাগার।

close whatsapp