‘জানি না অনুভূতি কেমন হবে’ – ডাব্লিউপিএলের নিলামের প্রত্যাশায় জেমিমাহ রড্রিগস
আগামী ১৩ই ফেব্রুয়ারি ডাব্লিউপিএলের নিলাম আয়োজিত হবে
আপডেট করা - Feb 9, 2023 4:30 pm

মহিলাদের প্রিমিয়ার লিগ (ডাব্লিউপিএল)-কে ঘিরে উত্তেজন ক্রমশ বাড়ছে। ডাব্লিউপিএলের উদ্বোধনী সংস্করণের জন্য সর্বোচ্চ ৯০ জন খেলোয়াড় আগামী ১৩ই ফেব্রুয়ারি নিলামে বিক্রি হতে চলেছেন। তার আগে ভারতের ব্যাটার জেমিমাহ রড্রিগস কথা বলেছেন নিলামের প্রতি তাঁর আগ্রহ নিয়ে।
মোট ৪০৯ জন খেলোয়াড়ের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে নিলামের তালিকায়। ৫০ লাখ টাকার সর্বোচ্চ বেস প্রাইসের তালিকাতেই জেমিমাহর নাম অন্তর্ভুক্ত। ‘জিওসিনেমা’-তে কথা বলার সময় রড্রিগস জানিয়েছেন যে তিনি সর্বদা পুরুষদের ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের নিলামে নজর রাখতেন এবং কল্পনা করেছেন এমন একটি ইভেন্টের অংশ হওয়ার অভিজ্ঞতা কেমন হবে।
“আমরা সবসময় পুরুষদের আইপিএল দেখেছি এবং জানি নিলাম কেমন হয়। আমি আকৃষ্ট হতাম এবং এটা খুব উত্তেজনাপূর্ণ। আমি সর্বদা কল্পনা করতাম যে আমাদের জন্য এই ধরণের একটি মুহূর্ত এলে তার অনুভূতি কেমন হবে এবং এটি এখনও ঘটেনি। কিন্তু যখন এটি ঘটবে, আমি নিশ্চিত যে এটি বিশেষ হতে চলেছে কারণ এটি ডাব্লিউপিএলের প্রথম সংস্করণ,” বলেছেন রড্রিগস।
ভারতের অনেক তরুণ ও তরুণীকেই কিংবদন্তী সচিন তেন্ডুলকার অনুপ্রাণিত করেছিলেন ক্রিকেটকে কেরিয়ার হিসেবে বেছে নিতে। মুম্বাইতে বেড়ে ওঠার সময় জেমিমাহও তাঁর আদর্শ হিসেবে দেখতেন তেন্ডুলকারকে। তিনি যোগ করেছেন যে যখনই তেন্ডুলকার আউট হয়ে যেতেন, তিনি টিভি বন্ধ করে দিতেন।
আমি শুধু ক্রিকেট খেলে যেতে চাইতাম: জেমিমাহ রড্রিগস
“বড় হওয়ার সময় একজন মুম্বাইকার হিসেবেই একটাই নাম উঠে আসত, সচিন তেন্ডুলকার। অন্য কোনো নাম বললে অপরাধ হবে। আমার মনে আছে সবাই বলত যে সচিন তেন্ডুলকার আউট হলেই টিভি বন্ধ করে দেওয়া হত। আমার বাড়িতেও তাই হত,” রড্রিগস যোগ করেছেন।
আগামী সপ্তাহ থেকে দক্ষিণ আফ্রিকায় শুরু হতে চলা মহিলাদের টি-২০ বিশ্বকাপে খেলতে দেখা যাবে রড্রিগসকে। তিনি আরও বলেছেন যে তিনি শুধুমাত্র নির্ভেজাল আনন্দের জন্য ক্রিকেট খেলতেন এবং তিনি বড় হওয়ার সময় ভারতে মহিলাদের ক্রিকেট সম্পর্কে তেমন কিছু জানতেন না।
“আমি শুধু ক্রিকেট খেলতে পছন্দ করতাম এবং আমি শুধু এটাই করতে চাইতাম। অনেক সময়ে খেলার জন্য আমাদের কাছে মাঠও থাকত না। ভারতে একটি মেয়ের ক্রিকেট খেলা তখনকার দিনে বেশ অদ্ভুত ছিল। এটা বলবা না যে খেলা হত না। কিন্তু আমি ব্যক্তিগতভাবে এবং আমার বাবা, যিনি আমার কোচও ছিলেন, তিনিও জানতেন না যে মহিলাদের ক্রিকেট বলে কিছু আছে। আমি শুধু ক্রিকেট খেলার নির্মল আনন্দের জন্য খেলেছি,” বলেছেন রড্রিগস।