চলমান টি-২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের পারফর্ম্যান্সে ১৯৯২ বিশ্বকাপের ছায়া দেখতে পাচ্ছেন ইনজামাম-উল-হক
বৈশ্বিক ইভেন্টের দুটি অভিযানের মধ্যে মিল খুঁজে পেলেন ইনজামাম
আপডেট করা - Nov 7, 2022 6:54 pm

চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২২-এর শেষ অবধি পাকিস্তানকে যেতে দেখছেন প্রাক্তন অধিনায়ক ইনজামাম-উল-হক। এই ভবিষ্যদ্বাণী করার সময় তিনি ১৯৯২ বিশ্বকাপের কথাও স্মরণ করেছেন। ১৯৯২ সালে ইমরান খানের নেতৃত্বে মেন ইন গ্রিন তাদের প্রথম এবং একমাত্র ৫০ ওভারের বিশ্বকাপ ট্রফি জিতেছিল।
কাকতালীয়ভাবে, পাকিস্তান অকল্যান্ডের ইডেন পার্কে আয়োজিত সেমি-ফাইনালে নিউ জিল্যান্ডের মুখোমুখি হয়েছিল যেখানে ইনজামাম মার্টিন ক্রো-এর নেতৃত্বাধীন দলের বিপক্ষে ম্যাচ-জয়ী ৬০ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। ৯ই নভেম্বর বুধবার সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে প্রথম সেমি-ফাইনালে পাকিস্তান আবার সেই নিউ জিল্যান্ডেরই মুখোমুখি হবে ফাইনালে জায়গা পাওয়ার জন্য।
১৯৯২ বিশ্বকাপেও পাকিস্তান একই কাজ করেছিল: ইনজামাম-উল-হক
“সেমি-ফাইনাল এবং ফাইনালে পাকিস্তানের পারফর্ম্যান্স সুপার ১২ পর্বর চেয়ে ভালো হবে। এবার অস্ট্রেলিয়ায়, পাকিস্তান তলানি থেকে উপরে উঠেছে। এমনকি ১৯৯২ বিশ্বকাপের সময়ও পাকিস্তান একই কাজ করেছিল এবং শেষ থেকে উপরে উঠেছিলশ,” ইনজামাম তাঁর অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে বলেছেন।
যথাক্রমে ভারত ও জিম্বাবোয়ের বিপক্ষে তাদের প্রথম দুটি ম্যাচ হারার পর, পাকিস্তান টুর্নামেন্ট থেকে তাড়াতাড়ি বিদায় নেবে বলে মনে হচ্ছিল। তৃতীয় ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে জিতে তারা অভিযান জিইয়ে রাখলেও সেমি-ফাইনাল তখনও অনেকটাই দূরে। পরের ম্যাচে তখনও অবধি অপরাজিত থাকা দক্ষিণ আফ্রিকাকে বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে ৩৩ রানে হারানোর পরে টুর্নামেন্টে ফিরে আসার সম্ভাবনা জাগিয়ে তুলেছিল পাকিস্তান।
শেষ ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ ছিল বাংলাদেশ। তাদের সেই ম্যাচ শুধু জিততেই হত না, বরং বেশ কিছু অঘটনের প্রত্যাশায় থাকতে হত। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকা হেরে যাওয়ায় সেই অঘটন সম্পন্ন হয় এবং বাবর আজমের নেতৃত্বাধীন দলের সামনে অপ্রত্যাশিত সুযোগ হাজির হয়। এরপর বাংলাদেশের বিরুদ্ধে পাঁচ উইকেটের জয় অর্জন করে প্রোটিয়াদের টপকে শেষ চারে জায়গা করে নেয় পাকিস্তান।
পাকিস্তান এখন ব্ল্যাকক্যাপসের বিরুদ্ধে একইরকম বলিষ্ঠ পারফর্ম্যান্স দেখানোর আশা করবে যা তারা বিগত তিন ম্যাচ ধরে করে আসছে। ১৯৯২ বিশ্বকাপে সেমি-ফাইনাল ছাড়াও, ১৯৯৯ বিশ্বকাপ এবং ২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালেও কিউইদের হারিয়েই ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছিল পাকিস্তান।