নাসিম শাহের পরফরম্যান্স জাভেদ মিঁয়াদাদের শারজায় সেই ছয়ের কথাই স্মরণ করাচ্ছে বাবর আজমকে

Naseem Shah
Naseem Shah. ( image source: twitter )

আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে নাটকীয় জয় পাকিস্তানের। শেষ ওভারে পাকিস্তানের জিততে দরকার ছিল ১২ রান। সেই ওভারের প্রথম দুই বলেই দুটো ওভার বাউন্ডারি নাসিম শাহের। পাকিস্তান শিবিরের নায়ক এখন তিনি। তাঁকে ঘিরে উচ্ছ্বাসে মাতোয়ারা পাকিস্তান সমর্থক থেকে ক্রিকেটাররা। সেই নাসিম শাহের পারফরম্যান্সের প্রশংসায় খোদ পাক অধিনায়ক বাবর আজম। নাসিম শাহের এই পারফরম্যান্স বাবর আজমকে যেন সেই জাভেদ মিঁয়াদাদের কথাই স্মরণ করাচ্ছে। ফাইনালের পৌঁছনোর পর নাসিম শাহকে প্রশংসায় ভরালেন তিনি।

১৯৮৬ সালে এই শারজা স্টেডিয়ামেই চিল ভারত বনাম পাকিস্তান ম্যাচ। শেষ ওভারে চেতন শর্মার বিরুদ্ধে ওভার বাউন্ডারি হাঁকিয়ে পাকিস্তানকে জয় এনে দিয়েছিলেন জাভেদ মিঁয়াদাদ। ৩৬ বছর পর শারজায় যেন ফিরল আবারও সেই চিত্রটা। প্রতিপক্ষ অবশ্য ভারত ছিল না। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধেই সেই ইনিংস খেলেছেন নাসিম শাহ। কিন্তু তাঁর এই দু বলে দুটো ওভার বাউন্ডারিই তো ভারতকে এবারের মতো এশিয়া কাপ থেকে ছিটকে দিয়েছে।

আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে শেষ ওভারে পরপর দুটো ছয় মেরে পাকিস্তানের জয়ের নায়ক নাসিম শাহ

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এদিন কম রানই করেছিল আফগানিস্তান। মাত্র ১২৯ রপানেই শেষ হয়ে গিয়েছিল আফগানিস্তান। পাকিস্তানের সামনে তক সহজ লক্ষ্য। কিন্তু জয় পেতে তাদের অপেক্ষা করতে হয়েছে ১৯ ওভার ২ বল পর্যন্ত। কারণ বল হাতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এদিন কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছিলেন রশিদ খান, ফারুকি এবং ফরিদ মালিকরা। যদিও শেষপর্যন্ত জিতেই মাঠ ছাডতে পেরেছে পাকিস্তান। আর সেই জয়ের অন্যতম নায়ক হলেন নাসিম শাহ। শেষ ওভারের প্রথম দুই বলে তাঁর দুটো ওভার বাউন্ডারিই শেষ করে দিয়েছিল আফগানিস্তানকে।

ম্যাচ শেষে এই তরুণ বেলারের ব্যাটিংয়েও মুগ্ধ বাবর আজম। তিনি জানিয়েছেন, সেই মুহূর্তে আমার মাথায় একটাই কথা ঘুরছিল। এা হল টি টোয়েন্টি ক্রিকেট। আর নাসিমকে এক আগেও আমি ব্যাটিং করতে দেখেছি।  সেই কারণেই নাসিমের ওপর আমার খানিকটা বিশ্বাসও ছিল। তাঁর এই পারফরম্যান্স শারজায় জাভেদ মিঁয়াদাদের সেই ছয়ের কথাই আমাকে স্মরণ করাচ্ছিল।

আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের তাবড় তাবড় ব্যাটাররা এদিন ব্যর্থই হয়েছিলেন। বাবর আজম তো শূন্য রানেই সাজঘরে ফিরেছিলেন। যে রিজওয়ান তাদের সবকটি ম্যাচ জয়ের অন্যতম নায়ক, তিনিও এদিন ব্যর্থই হয়েছিলেন। শাদাব খান রান করলেও, শেষপর্যন্ত থাকতে পারেননি তিনিও। ফারিদ মালিকের বলে আসিফ আলি ফেরার পরই পাকিস্তানের আশা শেষ এমনটাই ভাবতে শুরু করেছিলেন অনেকে।

শেষ ওভারে জিততে হলে পাকিস্তানের দরকার ছিল ১২ রান। সেখানেই সেই ওভারের প্রথম দুই বলেই ওভার বাউন্ডারি হাঁকিয়ে পাকিস্তানকে ফাইনালে পৌঁছে দেন এই তরুণ ক্রিকেটার নাসিম শাহ। আর তাঁকে নিয়েই এখন মুগ্ধ সকলে।

close whatsapp