দুর্ধর্ষ টিম গেমের প্রদর্শনে আফগানিস্তানকে হারিয়ে সুপার ফোরে জয় দিয়ে শুরু শ্রীলঙ্কার

SRILANKA WIN
SRILANKA WIN. ( image source: Twitter )

শারজায় শ্রীলঙ্কার টিম গেমের সামনে হার মানল রহমনুল্লাহ গুরবাজের দুর্ধর্ষ ব্যাটিং। গ্রুপপর্বের প্রথম ম্যাচেই আফগানিস্তানের মুখোমুখি হয়েছিল শ্রীলঙ্কা। সেই ম্যাচে বিশ্রী হার হয়েছিল তাদের। সুপার ফোরের মঞ্চেই মধুর প্রতিশোধ শ্রীলঙ্কার। সেইসঙ্গে ফাইনালের দিকে কয়েক ধাপ এগিয়েও গেল তারা। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে তাদের গত ম্যাচের জয়টাই যে শ্রীলঙ্কার আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছিল, তা এদিন আরও স্পষ্ট করে বোঝা গেল। নিসাঙ্কা, মেন্ডিস এবং সেষ মুহূর্তে রাজাপক্ষের একটা ঝোড়ো ইনিংস আফগানিস্তানের সমস্ত জয়ের আশা শেষ করে দেয়।

আফগানিস্তানকে ৪ উইকেটে হারিয়ে সুপার ফোরে যাত্রা শুরু করল শ্রীলঙ্কা বাহিনী। প্রথম ম্যাচের পর একসময় এই শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলের সুপার ফোরে যাওয়া নিয়েই দেখা দিয়েছিল সংশয়। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মরণ-বাঁচন ম্যাচে শেষ মুহূর্তে টেল এন্ডারদের দুর্ধর্ষ পারফরম্যান্সে ভর করে সুপার ফোরে জায়গা পাকা করে ফেলেছিল শ্রীলঙ্কা। সেই ধারাটাই েখন তারা অব্যহত রাখতে মরিয়া। আফগানিস্তান বড় তুললেও, শ্রীলঙ্কার লড়াইয়ের সামনে দাঁড়াতে পারল না।

হেরে গেলেও ৮৪ রান করে ম্যাচের সেরা হয়েছেন রহমনুল্লাহ গুরবাজ

টস জিতে এদিন প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন শ্রীলঙ্কা অধিনায়ক দাসুন শনাকা। আফগানিস্তান কিন্তু এদিন শুরু থেকেই বেশ আক্রমণাত্মক ছিল। হজরতউল্লাহ জাজাই অবশ্য বেশীক্ষণ দাঁড়াতে পারেনি। পাওয়ার প্লে-তে ৪৯ রানই করতে পেরেছিল আফগানিস্তান। সেখান থেকেই এদিন শারজায় তান্ডব শুরু রহমনুল্লাহ গুরবাজের। সঙ্গে যোগ্য সঙ্গদ ইব্রাহিম জারদানের। এদিন রহমনুল্লাহ গুরবাজের সামনে শ্রীলঙ্কার বোলাররা মাথা তুল দাঁড়াতেই পারেননি তারা।

২২ বলে গুরবাজ এদিন অর্ধশতরান করেন। যেভাবে একসময় আফগানিস্তানের ব্যাটাররা খেলছিলেন, দেশে এনেকেরই মনে হচ্ছিল যে আফগানিস্তান বোধহয় ২০০ রানের গন্ডী টপকে যাবে। যদিও গুরবাজ ফেরার পরই ম্যাচের রাশ ধরেন শ্রীলঙ্কান বোলাররা। সেই জায়গা থেকেই পরপর আফগানিস্তানের উইকেট তুলে নিয়ে রানের গতি কমিয়ে দেন শ্রীলঙ্কান বোলাররা।  ১৭৫ রানেই থেমে যায় আফগানিস্তানের ইনিংস। লক্ষ্যটা যদিও শ্রীলঙ্কার কাছে কিন্তু বড় চ্যালেঞ্জই ছিল।


https://twitter.com/KSSKsam/status/1566119607403876352

বল হাতে সেভাবে সফল হতে না পারলেও, ব্যাট হাতে কিন্তু এদিন শ্রীলঙ্কার ব্যাটাররা যথেষ্ট সফল ছিলেন। হয়ত রহমনুল্লাহ গুরবাজের মতো বড় রান কোনও ব্যাটার পাননি। কিন্তু প্রত্যেকের আক্রমণাত্মক পারফরম্যান্সই কিন্তু ধীরে ধরে শ্রীলঙ্কাকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছে। ওপেনিং পার্টনারশিপটাই এদিন বিধ্বংসী ছিল শ্রীলঙ্কার। নিসাঙ্কা করেন ২৮ বলে ৩৬ এবং কুশল মেন্ডিস করেন ১৯ বলে ৩৬ রানের ঝোড়ো ইনিংস। আসালঙ্কা, শনাকারা সফল না হলেও, শ্রীলঙ্কার কিন্তু জয় খুব একটা অসুবিধা হয়নি।

গুনাথিলকার সঙ্গে রাজাপক্ষের পার্টনারশিপটাই বদলে দিয়েছিল ম্যাচের ভাগ্যটা। মাত্র ১৪ বলেই ৩১ রানের  আক্রমণাত্মক ইনিংস কেলেন রাজাপক্ষে। গুনাথিলকাও ছিলেন বিধ্বংসী মেজাজে। যদিও আফগানিস্তান যে সুযোগ পায়নি এমনটা নয়। ঠিত ১৬ ওভারের মাথায় গুাথিলকার ক্যাচ মিসটাই সমস্ত হিসাব বদলে দেয়। পাঁচ বল বাকি থাকতেই ম্যাচ জিতে নেয় শ্রীলঙ্কা।

close whatsapp