ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে শেষ ওভারে বোলিংয়ের সময় আত্মবিশ্বাসী ছিলেন মহম্মদ সিরাজ

Mohammed Siraj
Mohammed Siraj. (Photo by RANDY BROOKS/AFP via Getty Images)

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে প্রথম ম্যাচ জিতেই যাত্রা শুরু করেছে ভারত। যদিও প্রথম ম্যাচেই যে লড়াইটা বেশ হাড্ডহাড্ডি হয়েছিল তা বলতে কাররই দ্বিধা নেই। শেষ ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জেতার জন্য প্রয়োজন ছিল ১৫ রান। সেখানেই ভারতের হয়ে বোলিং করতে গিয়েছিলেন সেই সময় মহম্মদ সিরাজ। সেই পরিস্থিতিতে তাঁর হৃদস্পন্দন যে বেড়ে গিয়েছিল তা বলতে কোনও দ্বিধা করেননি তিনি, কিন্তু যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসীও ছিলেন তিনি। জানিয়েছেন মহম্মদ সিরাজ নিজেই।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে একদিনের সিরজে তারকা ক্রিকেটারদের বিশ্রামের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নির্বাচকরা। সেখানেই ভারতীয় দলের নেতৃত্বের ভার দেওয়া হয়েছে শিখর ধওয়ানকে। সেইসঙ্গে দলে তারুণ্যেরই আধিক্য রয়েছে।জসপ্রীত বুমরাহ, মহম্মদ সামিদের অনুপস্থিতিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ভারতীয় বোলিং লাইনআপকে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব রয়েছে মহম্মদ সিরাজের ওপর। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে শেষ ওভারে বোলিং করতে গিয়ে কার্যত শেষ মুহূর্তে তিনিই ভারতকে জয়টা এনে দেন। কিন্তু সেই পরিস্থিতিতে মহম্মদ সিরাজের মনের অবস্থা কেমন হয়েছিল তা বলতে দ্বিধা করেননি তিনি।

শেষ ওভারে ১৫ রান বাকি থাকলেও ১১ রান দিয়ে ম্যাচ জিতিয়ে দেন মহম্মদ সিরাজ

প্রথমে ব্যাট করে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ভারত করেছিল ৩০৮ রান। সেই রানের জবাবে লড়াইটাও বেশ দুর্ধর্ষভাবে করেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজও। শেষ ওভারে যখন মহম্মদ সিরাজ বোলিং করতে যান তখন ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ১৫ রান। সেখানে একটি বাউন্ডারি খেলেও, দক্ষতার সঙ্গেই পরিস্থিতি সামাল দিয়েছিলেন মহম্মদ সিরাজ। খানিকটা চাপে থাকলেও, দলকে জেতাতে পারবেন এই আত্মবিশ্বাসটাও ছিল তাঁর মধ্যে। আর সেজন্যই নাকি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সেই পারফরম্যান্সটা দেখাতে পেরেছিলেন তিনি।

এই প্রসঙ্গে শ্রেয়স আইয়ারের সঙ্গে সাক্ষাতকারের সময়ইঅ সেই কতা শোনাযায় মহম্মদ সিরাজের মুখে। তিনি জানান, “শেষ ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে পরিস্থিতি সামাল দিতে আমি ইয়র্কারের ওপরই জোর দিয়েছিলাম। অবশ্যই সেই সময় আমার হৃদস্পন্দন বেড়ে গিয়ছিল। কিন্তু সেইসঙ্গে দলকে জেতাতে আমি যে প্রস্তুত সেই আত্মবিশ্বাসটাও ছিল মনের মধ্যে”।

শেষ ওভারে যখন মহম্মদ সিরাজ বোলিং করতে এসেছিলেন তখন প্রয়োজন চিল ১৫ রান। একটি চারও হজম করতে হয়েছিল সেই ওভারে। তবে একে কৃতিত্ব সিরাজের নয়। তাঁর ওয়াইড বল যেভাবে সঞ্জু স্যামসন বাঁচিয়েছিলেন সেটাও ম্যাচের মোর ঘুরিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল। আর সেইসঙ্গেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ৩ রানে প্রথম একদিনের ম্যাচ জিতে নেয় টিম ইন্ডিয়া।

শেষ ওভারে ১১ রানই দেন মহম্মদ সিরাজ। তাঁর বোলিংয়ের প্রশংসা করেছেন যুজবেন্দ্র চাহালও। রবিবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচে নামবে ভারত। সেখানেই সিরিজ জিততে পারেন কিনা শিখর ধওয়ানরা, সেদিকেই তাকিয়ে সকলে।

close whatsapp