অ্যাশেজের বক্সিং ডে টেস্টে ৮০০০০ দর্শক হওয়ার সম্ভাবনা

সিরিজে সমস্যা হতে পারে বিভিন্ন রাজ্যের সীমান্ত নিষেধাজ্ঞা

Melbourne Cricket Ground
Melbourne Cricket Ground. (Photo by Quinn Rooney/Getty Images)

চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর, ইংল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়া অ্যাশেজ সিরিজে একে অপরের মুখোমুখি হবে। সিরিজ শুরু হওয়ার বেশ কয়েক দিন আগে থেকেই অনিশ্চয়তা চলছে। অস্ট্রেলিয়ার কঠোর কোভিড -১৯ প্রটোকলের কারণে সিরিজটি আয়োজন করা নিয়ে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াকে বিভিন্ন সমস্যার মোকাবিলা করতে হচ্ছে। তবে এখন জানা গেছে যে বক্সিং ডে অ্যাশেজ টেস্টের জন্য এমসিজিতে ৮০ হাজার দর্শককে মাঠে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হতে পারে।

ভিক্টোরিয়া সরকার সম্প্রতি অতিমারী নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য বেশ কিছু নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। সেই নিষেধাজ্ঞার কয়েক দিন পরেই মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে এতো বেশি সংখ্যক দর্শক ঢুকতে দেওয়ার অনুমতির ঘোষণা তাৎপর্যপূর্ণ। গত বছর ভারতের বিরুদ্ধে যখন অস্ট্রেলিয়া খেলছিল তখন মেলবোর্নে বক্সিং ডে টেস্টে মাত্র ৩০,০০০ দর্শককে মাঠে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।

“আমি প্রথম দিনে বক্সিং ডে টেস্টে ৮০,০০০-এর বেশি লোক দেখতে চাই। এটাই আমাদের ইচ্ছা। সেই ইচ্ছা পূরণ করতে আমরা বদ্ধপরিকর। এটা সহজ হবে না। আমি মনে করি টিকিট বিক্রি শুরু হলে দর্শকদের মাঠে আনা সহজ হবে,” ইএসপিএনক্রিকইনফোর কাছে ভিক্টোরিয়ান প্রিমিয়ার ড্যানিয়েল অ্যান্ড্রুজ উদ্ধৃতি দিয়েছেন।

অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন স্টেডিয়ামে প্রবেশের জন্য জনতাকে কিছু বিধিনিষেধ মেনে চলতে হবে

ভিক্টোরিয়ায় ১২ বছরের বেশি বয়সী ৯০ শতাংশ জনসংখ্যাকে সম্পূর্ণভাবে ভ্যাকসিন দেওয়ার পরেই যে কোনও ক্রীড়া ইভেন্টের জন্য বিশাল জনসমাগমের অনুমতি দেওয়া হবে। স্টেডিয়ামে প্রবেশের আগে সমস্ত প্রবেশকারীদের সম্পূর্ণরূপে টিকা নিতে হবে। ভিক্টোরিয়ান সরকার অবশ্য আত্মবিশ্বাসী যে তারা ১৪ই নভেম্বরের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করবে।

ঘোষণা অনুযায়ী, ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া সরকার কমপক্ষে বড়দিন পর্যন্ত ভিক্টোরিয়া এবং নিউ সাউথ ওয়েলসের সীমানা বন্ধ রাখবে। ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেটের প্রধান নির্বাহী ক্রিস্টিনা ম্যাথিউস ৬পিআর রেডিওতে বলেছেন যে সীমান্তে নিষেধাজ্ঞার কারণে পার্থ স্কর্চার্স পুরুষদের দল তাদের পুরো বিবিএল মরসুম হয়তো নিজেদের মাঠে খেলতে পারবে না।

চতুর্থ অ্যাশেজ টেস্ট হবে ৫ই জানুয়ারি সিডনিতে এবং তারপর ১৪ই জানুয়ারি পার্থে ৫ম টেস্ট খেলার কথা রয়েছে। যদিও কঠোর সীমান্ত নিষেধাজ্ঞার ফলে হয়তো সিরিজ পূর্বনির্ধারিত পথে আয়োজন করার ক্ষেত্রে বিঘ্ন ঘটতে পারে।

“আমরা পুরো ট্যুরের যাবতীয় সিদ্ধান্তই হয়তো বদলাতে হতে পারে। তবে সেটি হবে সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি, আমাদের এখন শুধু অপেক্ষা করতে হবে এবং ভবিষ্যতে কী ঘটে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। যতক্ষণ না তারা এখানে শুরু করে এবং বাকি সিরিজের দিনক্ষণ সেই অনুযায়ী ঠিক না করে তার আগে কিছু ঘোষণা করা এই মুহূর্তে সম্ভব নয়। আগামী সপ্তাহের [রাষ্ট্রীয় প্রধান নির্বাহীদের] সভা খুবই গুরুত্বপূর্ণ হবে এবং এটি আমাদের জন্য পরিস্থিতি কঠিন করে তুলতে পারে, ” ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেটের প্রধান নির্বাহী ক্রিস্টিনা ম্যাথিউস বলেছেন।

close whatsapp