বাংলা

ডেভ হাউটনকে কোচিং ডিরেক্টর হিসেবে নিয়োগ করলো জিম্বাবুয়ে, উদ্দেশ্য কোচিং পদ্ধতির উন্নয়ন

জিম্বাবুয়ের পাশাপাশি ইউরোপেও কোচিংয়ের অভিজ্ঞতা আছে তাঁর

Dave Houghton
Dave Houghton. (Photo by Dan Mullan/Getty Images)

জিম্বাবুয়ের কোচিং ডিরেক্টর হিসেবে নিযুক্ত হলেন প্রাক্তন ক্রিকেটার ডেভ হাউটন। জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের সমস্ত ফর্ম্যাটে ও সমস্ত স্তরে কোচিং পদ্ধতির উন্নয়ন ও আধুনিকতার দায়িত্বে থাকবেন তিনি। জিম্বাবুয়ে বোর্ডের পক্ষ থেকে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে হাউটনের মুল লক্ষ্য হবে ক্রিকেটারদের থেকে কীভাবে নিজেদের সেরাটা বের করে আনা যায় সেই কাজে কোচদের সাহায্য করা। তাছাড়া দেশজুড়ে বিশেষ ক্রিকেট ক্যাম্পও পরিচালনা করবেন ৬৪ বছর বয়সী এই স্বনামধন্য কোচ।

জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের সোনালী যুগের ব্যাটার ছিলেন ডেভ হাউটন। ১৯৮৩ সালে ওয়ানডে অভিষেক দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখেন হাউটন। দীর্ঘ ৯ বছর পর, ১৯৯২ সালে টেস্ট অভিষেক হয় তাঁর। ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত জিম্বাবোয়ের জার্সিতে খেলেছেন তিনি। ২২টি টেস্ট ম্যাচে চারটি করে সেঞ্চুরী ও হাফ সেঞ্চুরীর সুবাদে করেছেন ১৪৬৪ রান। ব্যাটিং গড় নজরকাড়া, ৪৩.০৫। ৬৩টি ওয়ানডে ম্যাচে ২৬.৩৭ গড়ে করেছেন ১৫৩০ রান।

গত মাসেই ছাড়েন ডার্বিশায়ারের দায়িত্ব

খেলোয়াড়ি জীবন শেষেই কোচিং কেরিয়ার গড়ে তোলার দিকে মন দেন হাউটন। তারপর ৯০-এর দশকের শেষের দিকে জাতীয় দলের দায়িত্ব সামলেছিলেন। এরপরই পাড়ি জমান ইউরোপে। উরস্টারশায়ার, সিএফএক্স একাডেমি, সমারসেট, মিডলসেক্স ও কয়েক মেয়াদে ডার্বিশায়ারের কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন দীর্ঘদিন। আয়ারল্যান্ড জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচও ছিলেন হাউটন।

চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্তও ডার্বিশায়ারের প্রধান কোচের দায়িত্ব ছিলেন হাউটন। ২০০৪ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত, তারপর ২০১১ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত এবং সর্বশেষ ২০১৮ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ডার্বিশায়ারের দায়িত্ব পালন করলেন এই সাবেক জিম্বাবুয়েয়ান ক্রিকেটার। মাসখানেক আগে ডার্বিশায়ারের প্রধান কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়ান হাউটন।

হাউটনকে নিয়োগের পর জিম্বাবুয়ে বোর্ডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর গিভমোর মাকোনি বলেন, “আমরা আমাদেরকে সৌভাগ্যশালী মনে করতে পারি কারন ডেভ হাউটনের মতো একজন কিংবদন্তীকে আমাদের সাথে কাজ করার জন্য আমরা নিয়োগ করতে পেরেছি। কোচিং এবং প্রশাসনিক কাজে ওঁর অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান অপরিসীম। হাউটনের নিষ্ঠা, প্যাশন ও পরিশ্রম করার ক্ষমতা আমাদের সাফল্য এনে দেবে এবং আমাদের লক্ষ্য পূরণে সহায়তা করবে।”

ইউরোপের কোচিংয়ের পাঠ চুকিয়ে তিনি আবার ফিরলেন নিজ দেশে। জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের এই নতুন উদ্যোগ দেখে মনে হচ্ছে, তারা আবার দেশের ক্রিকেটকে ঢেলে সাজাতে কাজে নেমেছেন।