“মার্কাস স্টয়নিস ও নিকোলাস পুরানের ওপর বিশ্বাস ছিল আমাদের” – ক্রুণাল পান্ডিয়া

Krunal Pandya
Krunal Pandya. (Photo Source: IPL/BCCI)

আইপিেলের প্লেঅফের দৌড়ে টিকে থাকতে হলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে জিততেই হত লখনউ সুপার জায়ান্টসকে। শুরুতে খানিকটা চাপে পড়লেও শেষ মুহূর্তে নিকোলাস পুরান ও মার্কাস স্টয়নিসের হাত ধরে সেই কাজটা করতে পেরেছে লখনউ সুপার জায়ান্টস। ম্যাচ শেষে এই দুই ক্রিকেটারকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন লখনউ সুপার জায়ান্টস অধিনায়ক ক্রুণাল পান্ডিয়া। তাঁর মতে কঠিন পরিস্থিতি  তৈরি হলেও এই দুই ক্রিকেটারের ওপর সম্পূর্ণ ভরসা ছিল তাঁর। আর সেই বিশ্বাসের সম্মান রেখেছে তারা।

এদিন টস জিতে লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদেধে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সানরাইজারক্স হায়দরাবাদ অধিনায়ক এডেন মার্করাম। গত ম্যাচে হেরে গিয়্ছে লখনউ সুপার জায়ান্টস। এই ম্যাচ জিততেই হত তাদের। সেখানেই এই দুই ক্রিকেটার ম্যাচের মোর বদলে দিয়েছিল। শুরুর দিকে লখনউ সুপার জায়ান্টস খানিকটা অস্বস্তিতে পড়ে গেলেও শেষপর্যন্ত ্মযাচের ফলাফল তাদের পক্ষেই এসেছিল। এই ম্যাচ জিতে সেই রাস্তাই খানিকটা  হলেও প্রশস্ত করে ফেলল লখনউ সুপার জায়ান্টস।

সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ৪ ওভার বাকি থাকতে ম্যাচ জিতে নিয়েছিল লখনউ সুপার জাায়ান্টস

এদিন  টস প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিলেও শুরুটা যে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ খুব একটা ভাল করতে পেরেছিল তা কিন্তু নয়। কিন্তু হেনরিখ ক্লাসেনের হাত ধরে বড় রাের রাস্তায় পৌঁছে গিয়েছঠিল তারা। এদিন সানরািজার্স হায়দরাবাদের হয়ে দুর্ধর্ষ ব্যাটিং করেছঠিলেন হেনরিখ ক্লােসেন। তাঁর হাত ধরেই শেষপ্রয।ন্ত ১৮২ রানে পৌঁছেছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। সেখানেই ২৯ বলে ৪৭ রানের ইনিংস খেলেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার এই তারকা ক্রিকেটার।  কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। স্টয়নিস ও পুরানের হাত ধরেই ম্যাচ জিতে নেয় লখনউ। ম্যাচ শেষে আপ্লুত ক্রুণাল পান্ডিয়া।

তিনি জানিয়েছে, “এই পর্যায়ে সবকিছুই সম্ভব। মার্কাস স্টয়নিস এবং নিকোলাস পুরানের মতো ক্রিকেটারদের ওপর আমাদের সম্পূর্ণ বিশ্বাস ছিল। আমাদের বিশ্বাস করতেই হত”।

যদিও বল হাতে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ লড়াঈটা ভালই শুরু করেছিল। কাইল মেয়ার্স এবং কুইন্টন ডিককে তাড়াতাড়িই সাজঘরের রাস্তা দেখিয়ে দিয়েছিলেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বোলাররা। কিন্তু সেই পরিস্থিতি থেকেই ম্যাচের হাল ধরেছিলেন মার্কাস স্টয়নিস ও মানকড়। পার্টনারশিপ গড়ার কাজটাি আরম্ভ করেছিলেন। অপেক্ষা ছিল একটা সুযোগ আসার। অভিষেক শর্মার ওভারটাই সেই সুযোগ এনে দিয়েছিল লখনউ সুপার জায়ান্টসের সামনে। সেই ওভারেই ভয়হ্কর হয়ে ইঠেছিলেন মার্কাস স্টয়নিস। শুরুতেই পরপর দুই বলে দুটো ওভার বাউন্ডারি হাঁতিয়েছিলেন তিনি।

যদিও শেষপর্যন্ত মাঠে থাকতে পারেননি। তবে লখনউ সুপার জায়ান্টসের জিততে খুব একটা অসুবিধা হয়নি। সেই জায়গা থেকেই মাঠে রানের ঝড় তোলেন নিকোলাস পুরান। তাঁর ১৩ বলে ৪৪ রানে ভর করে ৪ বল বাকি থাকতেই ম্যাচ জিতে নিয়েছিল লখনউ সুপার জায়ান্টস।

close whatsapp