পাওয়ার প্লে-তে টপ অর্ডারের ব্যর্থতাতেই এমন বিশ্রী ফলাফল, মেনে নিচ্ছেন সঞ্জু স্যামসন
আপডেট করা - May 14, 2023 8:10 pm

২০০৯ সালে েই রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর কাছেউ ৫৮ রনে শেষ হয়ে গিয়েছিল রাজস্থান রয়্যালস। চিত্রটা বদলালো না ১৪ বছর পরও। আইপিএলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ফের একটা বিশ্রী হার। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর কাছে মাত্র ৫৯ রানে শেষ হয়ে গিয়েছে রাজস্থান রয়্যালস। এমন বিশ্রী হারের পর হতাশা আসাটাি স্বাভাবিক। ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণের সময় সেই হতাশার ছাপই এদিন স্পষ্ট সঞ্জু স্যামসনের চোখে মুখে। সেই সঙ্গে দলের হারের প্রধান কারণ কী সেটাও জানাতে দ্বিধা করেননি এই তারকা ক্রিকেটার।
রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বোলারদের সামনে বিশ্রীভাবে হেরে গিয়েছে রাজস্থান রয়্যালস। ১০০ পানের গন্ডীও টপকাতে পারেননি এদিন কেউ। সেখানেই পাওয়ার প্লেতে রকাজস্থান রয়্যালসের প্রথম তিন ব্যাটারের চূড়ান্ত ব্যর্থতাই যে এদিন রয়্যাল চ্যালেঞ্জারক্স বেঙ্গালুরুর কাছে েমন বিশ্রী হারের অন্যতম কারণ তা মেনে নিতে কোনও দ্বিধা করেননি সঞ্জু স্যামসন। সেইসঙ্গে এবারের আইুপিএলের প্লেঅফের রাস্তাটা যে তাদের কাছেও অত্যন্ত কঠিন হয়ে গেল তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে মাত্র ৪ রান করতে পেরেছেন সঞ্জু স্যামসন
রাজস্থান রয়্যালসের প্রথম তিন সেরা ব্যাটারই এদিন ১০ রানের গন্ডী টপকাতে পারেনি। জস বাটলার ফেরেন ০ রানে। যশস্বী জয়সওয়ালও রানের খাতা খুলতে পারেননি। সঞ্জু স্যামসন চেষ্টা করলেও শেষপর্যন্ত মনাত্র ৪ রানেই থামতে হয়েছিল রাজস্থান রয়্যালসের অধিনায়ককে। পাওয়ার প্লে-তে ৭ রানের মধ্যে পরপর এই তিুন উইকেট খোয়ানোই তাদের দলের হারার জন্য অন্যতম প্রধান কারম হিসাবে দেখছেন সঞ্জু স্যামসন। এই জায়গা থেকে তারা ঘুরে দাঁড়াতে পারবে কিনা তা তো সময়ই বলবে।
ম্যাচ শেষে সঞ্জু স্যামসন জানিয়েছেন, “আমার মনে হয় আমাদের প্রথম তিনজন ব্যাটার অত্যন্ত ভাল পারফর্ম্যান্স দেখিয়েছেন এই আইপিএলে। পাওয়ার প্লেতে আমনরা যথেষ্ট শক্তি প্রদর্শন করেছি। কিন্তু এদিন সেটাই হয়নি। আমার মনে হয় এটা খুবই তাড়াতাড়ি হবে যে এই ম্যাচের ফলাফল নিয়ে অ্যানালাইজ করতে হবে। বল স্লোয়ার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরনো হওয়ার জন্যই পাওয়ার প্লেতে সেভাবে নিজেদের পারফরম্যান্স দেখাতে হবে”।
এদিন প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসি। সেখানে বিরাট কোহলি না পারলেও, ডুপ্লেসি এবং গ্লেন ম্যাক্সওয়েল দুজনের ব্যাটেই এসেছিল অর্ধসতরান। সেখানেই ১৭১ রান করেছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। অন্যদিকে শুরু থেকেই এদিন বিধ্বংসী মেজাজে ছিলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বোলাররা। পার্ণেল, ব্রেসওয়েলদের দাপটের সামনেই শেষ হয়ে গিয়েছিল রাজস্থান রয়্যালসের ব্যাটিং।