মহম্মদ সামি, হার্দিকদের দাপুটে পারফর্ম্যান্সে নিউ জিল্যান্ডকে হেলায় হারিয়ে সিরিজ ভারতের

India Beat New Zealand
India Beat New Zealand. ( Image Source: twitter/bcci )

বোলারদের দুর্ধর্ষ পারফর্ম্যান্সের সৌজন্য রাস্তাটা প্রস্তুতই ছিল। সেখানেই রোহিত শর্মা এবংন শুভমন গিলের অসাধাপণ ফিনিশিং টাচে নিউ জিল্যান্ডকে হারিয়ে রায়পুরেই সিরিজ জয় টিম ইন্ডিয়ার। দ্বিতীয় ম্যাচে নিউ জিল্যান্ডকে ৮ উইকেটে হারিয়ে সিরিজও পকেটে পুরল ভারতীয় দল।  প্রথম ম্যাচের পরই ভারতীয় দলের বোলিং পারফরম্যান্স নিয়ে  সুরু হয়েছিল সমালোচনা।  দ্বিতীয় ম্যাচেই তার জবাব দিয়ে দিলেন ভারতীয় দলের বোলাররা। ভারতের সামনে এদিন কিউই ব্যাটাররা মাথে তুলে দাঁডডাতেই পারলেন না।

গত ম্যাচে বড় রান করেও লড়াইটা শেষপর্যনম্ত হাড্ডহাড্ডি হয়েছিল। ৩৪৯ রান করেও শেষপর্যন্ত ১২ রানেই ম্যাচ জিতেত পেরেছিল ভারতীয় দল। ,েই ্মনযাচের পর যে বোলারদের পারফর্ম্যান্স নিয়ে কথা উঠবে সেটাই স্বাভাবিক। হয়েছিলও সেটাই।  রায়পুরেই বদলে গেল সমস্ত চিত্রটা। নিউ জিল্যান্ড ব্যাটারদের এদিন ক্রিজে দাঁড়ানোর কোনও সুযোগই দেননি ভারতীয় দলের বোলাররা। মহম্মদ সামি, হার্দিক পান্রিয়া এবং এওয়াশিংটমন সুন্দরের দাপুটে বোলিংয়ের সামনে মাত্র ১০৮ রানেই শেষ হয়ে গিয়েছিল নিউ জিল্যান্ডের ইনিংস।

নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা হয়েছেন মহম্মদ সামি

সেই ম্যাচ জিততে ভারতকে অবশ্য খুব একটা অপেক্ষা করতে হয়নি। রোহিত শর্মার অর্ধশতকান এবং শুভমন গিলের হাত ধরে ২০ ওভারের মধ্যেই ম্যাচ জিতে নেয় টিম ইন্ডিয়া। এই ম্যাচ জয়ের সঙ্গেই সিরিজও য়ে ভারতীয় দলের দখলে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তৃতীয় ম্যাচ জিততে পারলেই ঘরের মাঠে নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধেও হোয়াইট ওয়াশ সম্পূর্ণ করবে ভারত।

টস জিতে এদিন প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন রোহিত শর্মা। রান তাড়া করার ক্ষেত্রেই দলকে পরীক্ষা করতে চেয়েছিলেন তিনি।  উইনিং কম্বনেশনই এদিন ধরে রেখেছিল ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। বল হাতে প্রথম থেকেই বিধ্বংসী মেজাজে ছিল ভারতীয় বোলাররা। হার্দিক পান্ডিয়া, মহম্মদ সামি এবং মহম্মদ সিরাজদের দাপটে ১৫ রানের মধ্যেই নিউ জিল্যান্ডের পাঁচ উইকেট তুলে নিয়েছিল ভারত। ওপেনিং পার্টনারশিপ ভাঙেন হার্দিক পান্ডিয়া এবং মহম্মদ সামি। এরপর একে একে শার্দূল ঠাকুর, ওয়াশিংটন সুন্দররাও নিউ জিল্যান্জের ওপর চাপ বাড়াতকে থাকেন। মহম্মদ সামি একাই তুলে নেন ৩টি উইকেট।

পাওয়ার প্লের মধ্যে এদিন সর্বোচ্চ উইকেট খোয়ায় নিউ জিল্যান্ড। হার্দিক পান্ডিয়ার শিকার এদিন ডেভন কনওয়ে এবং মিচেল স্যান্টনার। ব্রেসওয়ের তাড়াতাড়ি সাজঘরে ফিরে গেলেও স্যান্টনার এদিনও পার্টনারশিপ গড়ার চেষ্টাটা চালাচ্ছিল। তাঁকে সাজঘরে ফিরিয়ে সেই রাস্তাও বন্ধ করে দেল হার্দিক পান্ডিয়া। ১০৮ রানেই শেষ হয়ে যায় নিউ জিল্যান্ড।

ব্যাট হাতে শুরু থেকেই দুরন্ত ছন্দে ছিলেন রোহিত শর্মা এবং শুভমন গিল। কেরিয়ারের ৪৮ তম একদিনমের ক্রিকেটে অর্ধশতরান করেন রোহিত শর্মা। ৫১ রানে তিনি যখন সাজঘরে ফেরেন সেই সময় ভারতের জয়টা ছিল শুধু সম.ের অপেক্ষা। বিরাট কোহলি অবশ্য এদিন ১১ রানেই থামেন। তবে শেষপর্যন্ত ক্রিজে থেকে ভারতকে ম্যাচ জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন শুভমন গিল। তিনি খেলেন ৪০ রানের ইনিংস।

close whatsapp