স্যাম কারানের পাঁচ উইকেট, আফগানিস্তানকে হারিয়ে জয় দিয়ে যাত্রা শুরু ইংল্যান্ডের

Sam Curran
Sam Curran. ( Image Source: Twitter )

কম রান করেও লড়াইটা অসাধারণ দিল আফগানিস্তান। কিন্তু শেষরক্ষা করতে পারল না তারা। আফগানিস্তানকে ৫ উইকেটে হারিয়ে টি টোয়েন্টি বিশব্কাপে যাত্রা শুরু করল ইংল্যান্ড। কিন্তু তাদের ব্যাটিং পুারফরম্যান্স নিয়ে কিন্তু একটা চিন্তা রয়েই গেল। আফগানিস্তান কম রানে অল আউট হলেও, ম্যাচ কিন্তু ১৮ ওভার পর্যন্ত গড়িয়েছিল। সেখানেই শেষপর্যন্ত ইংল্যান্ড লিয়াম লিভিংস্টোনের হাত ধরে  টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে প্রথম ম্যাচ জিতে নিল। ৫ উইকেটে রশিদ খানদের হারাল তারা।

বরাবরই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আফগানিস্তানের গায়ে রয়েছে জায়ান্ট কিলারের তকমা। কেন সেই কথা বলা হয় সেটা এদিনই বোধহয় ইংল্যান্ডকে ভালভাবে বুঝিয়ে দিল আফগানিস্তান। ইংল্যান্ডের বোলাররা সফল হলেও, টপ অর্ডার কিন্তু আফগান বোলারদের সামনে চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়েছে। েই পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে। কারণ ইংল্যান্ডকে নিউ জিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে খেলতে হবে েই টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চেই।

৫ উইকেট নিয়ে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচের সেরা হয়েছেন স্যাম কারান

টস জিতে এদিন প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক জস বাটলার। শুরু থেকেই ব্রিটিশ বাহিনীর লক্ষ্য ছিল এগিন আফগানিস্তানকে কম রানের মধ্যে শেষ করে দেওয়া। সেখানেই ইংল্যান্ডের প্রধান অস্ত্র চিলেন এদিন স্যাম কারান। টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে এবার প্রথম বোলার হিসাবে পাঁচ উইকেট নেওয়ার রেকর্ড গড়লেন স্যাম কারান। তাঁর বোলিংয়ের সামেনই এদিন তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছিলেন আফগানিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ।


https://twitter.com/ACCMedia1/status/1583825458642051072

যদিও আফগানিস্তানের ওপেনিং জুটে ভেঙেছিলেন বেন স্টোকস ও মার্ক উড। এরপর থেকেই মাঠে শুরু স্যাম কারাণের দাপট। আফগানিস্তানের মিডল অর্ডারকে একাই শেষ করে দিয়েছিলেন তিনি। ইব্রাহিম জারদান, উসমান ঘানি থেকে রশিদ খানস ওমারজাইদের সাজঘরের রাস্তা দেখিয়ে দিয়েছিলেন এই তরুণ ব্রিটিশ বোলার। জারদান ও উসমান ঘানি যদি ৩০ রানের গন্ডী টপকাতে না পারত, তবে হয়ত এদিন আফগানিস্তান ১০০ রানের গন্ডী টপকাতে পারত না। যদিও তা হয়নি।

শেষপর্যন্ত ১১২ রান করেছিল আফগানিস্তান। প্রথম ম্যাচ জয়ের দিকে ইংল্যান্ডের সামনে তখন সহজ লক্ষ্যই। কিন্তু আফগানিস্তানের হিসাবী বোলিং ক্রমশই ইংল্যান্ড ওপর চাপ তৈরি করার কৌশল নিয়েছিল প্রথম থেকেই।  জস বাটলার ১৮ রানে এবং অ্যালেক্স হেলস ১৯ পানে সাজঘরে ফেরেন। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই ডেভিড মালান ও বেন স্টোকস সাজঘরের রাস্তায় ফেরার পরই ব্রিটিশ বাহিনীর ওপর চাপ আরও বাড়িয়েছিল আফগানিস্তান।

কম রানের ম্যাচ হলেও খেলা কিন্তু গড়িয়েছিল ১৮ ওবার পর্যন্ত। সেখানেই শেষপর্যন্ত লিয়াম লিভিংস্টোনের ২৯ রানে ভর করে ম্যাচ জিতে নেয় ইংল্যান্ড।

close whatsapp