“শ্রেয়াস আইয়ারের উন্নতি দেখিয়েছেন কিন্তু তিনি এখনও পুরোপুরি ফিট নন” – বিসিসিআই

Shreyas Iyer
Shreyas Iyer. ( Image Source: Twitter )

প্রতিভাবান ভারতীয় ব্যাটার শ্রেয়াস আইয়ার চোটের কারণে বহুদিন মাঠের বাইরে ছিলেন। তিনি এশিয়া কাপ ২০২৩-এ কামব্যাক করেছিলেন এবং ভারতীয় দলের জার্সি গায়ে মাঠে নেমেছিলেন। কিন্তু, তিনি আবার চোট পেয়েছেন এবং প্ৰথম একাদশ থেকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য হয়েছেন। ওডিআই বিশ্বকাপ ২০২৩-এর আগে তার এই চোট পাওয়া ভারতীয় দলের সমর্থকদের মধ্যে উদ্বিগ্নতার সৃষ্টি করেছে।

চলতি এশিয়া কাপে সুপার ফোরে নিজেদের প্ৰথম ম্যাচে পাকিস্তানের মুখোমুখি হয়েছিল ভারত। শ্রেয়াস আইয়ার সেই ম্যাচটিতে নামার জন্য প্রস্তুত ছিলেন, কিন্তু হঠাৎ করে তিনি পিঠে খিঁচুনি অনুভব করেছিলেন এবং প্ৰথম একাদশ থেকে বাদ পড়ে গিয়েছিলেন। অভিজ্ঞ উইকেটরক্ষক-ব্যাটার কেএল রাহুল তার বদলি হিসেবে প্ৰথম একাদশে জায়গা করে নিয়েছিলেন এবং অসাধারণ পারফরম্যান্সের প্রদর্শন করেছিলেন। তিনি একটি দুরন্ত শতরান করেছিলেন এবং ভারতীয় দলকে একটি বড় স্কোরে পৌঁছতে সাহায্য করেছিলেন।

এরপর সুপার ফোরে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধেও প্ৰথম একাদশের বাইরে ছিলেন শ্রেয়াস আইয়ার। এই মিডল অর্ডার ব্যাটারকে পরপর দুটি ম্যাচে খেলতে না দেখে অনেকেই চিন্তা প্রকাশ করেছিলেন। ওডিআই বিশ্বকাপের আগে আইয়ারের ফিটনেস একটি প্রশ্নচিহ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শ্রেয়াস আইয়ারের চোটের ব্যাপারে মুখ খুলেছে বিসিসিআই

শ্রেয়াস আইয়ার চোটের কারণে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) ২০২৩ এবং ভারতীয় দলের হয়েও বেশ কয়েকটি ম্যাচ খেলতে পারেননি। এরপর এশিয়া কাপ ২০২৩-এ তাকে কামব্যাক করতে দেখে ভারতীয় দলের সমর্থকরা খুবই খুশি হয়েছিলেন। কিন্তু সেই খুশি বেশিদিন স্থায়ী হল না। ১৭ই সেপ্টেম্বর, রবিবার, চলতি এশিয়া কাপের ফাইনালে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে খেলবে রোহিত শর্মার নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দল। এই ম্যাচটিতেও শ্রেয়াসের খেলার সম্ভাবনা খুবই কম, কারণ বোর্ড অফ কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া (বিসিসিআই) স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে তিনি এখনও পর্যন্ত পুরোপুরি ফিট হতে পারেননি।

এশিয়া কাপ ২০২৩ শেষ হয়ে যাওয়ার পর প্যাট কামিন্সের নেতৃত্বাধীন অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের ওডিআই সিরিজ খেলবে ভারত। এরপর ওডিআই বিশ্বকাপ ২০২৩-এর আগে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচও খেলবে রোহিত শর্মার নেতৃত্বাধীন দল। শ্রেয়াস আইয়ার যদি এই ম্যাচগুলিতে খেলতে না পারেন তাহলে তার বিশ্বকাপে খেলা নিয়েও সংশয় সৃষ্টি হবে। এই মুহূর্তে ভারতীয় দলের মিডল অর্ডারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন কেএল রাহুল এবং ইশান কিষান। যদি শ্রেয়াস তাড়াতাড়ি ফিট হতে না পারেন তাহলে রাহুল তার জায়গায় খেলতে থাকবেন এবং ইশানও দলে নিয়মিত সুযোগ পাবেন।