রবিচন্দ্রন অশ্বিনের মানসিকতাকে একজন পেসারের সঙ্গেই তুলনা করছেন দীপ দাশগুপ্ত

Ravi Ashwin, Sanju Samson and Yuzvendra Chahal
Ravi Ashwin, Sanju Samson and Yuzvendra Chahal. (Photo Source: Twitter)

এবারের আইপিএলে শুরুটা দুর্দান্তভাবে করেছে রাজস্থান রয়্যালস। আইপিএলের মঞ্চে ইতিমধ্যেই তিনটি জয় ছিনিয়ে নিয়েছে রাজস্থানের রয়্যালস বাহিনী। বিশেষ করে এবারের শুরু থেকেই রাজস্থানের হয়ে সেরা পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন জস বাটলার এবং যুজবেন্দ্র চাহাল। এই মুহূর্তে বৃহস্পতিবার গুজরাত টাইটান্সের বিরুদ্ধে নেমেছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। আর সেখানেই রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে দেখে আপ্লুত প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার দীপ দাশগুপ্ত। তাঁর মতে এই মুহূর্তে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর অন্যতম প্রধান অস্ত্র হলেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন।

আইপিএলের মঞ্চে রবিচন্দ্র্ন অশ্বিনই এমন একজন স্পিনার যিনি সবচেয়ে বেশী উইকেট পেয়েছেন পাওয়ার প্লে-তে। আইপিএলের মঞ্চে এই মুহূর্তে ৪৩টি উইকেট রয়েছে অশ্বিনের রয়েছে পাওয়ার প্লেতে। পাওয়ার প্লে-তে তাঁর ইকনমি রয়েছে ৬.৪৫। এমনকী নতুন বলেও রবিচন্দ্রন অশ্বিনের বল করার দক্ষতা রয়েছে। সে সাদা বলই হোক কী লাল বল। রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে মানসিকভাবে একজন পেস বোলারই মনে করেন দীপ দাশগুপ্ত।

রবিচন্দ্রন অশ্বিনের প্রশংসায় প্রাক্তন ক্রিকেটার দীপ দাশগুপ্ত

এই প্রসঙ্গে দীপ দাশগুপ্ত জানিয়েছেন, “লাল বল হোক কী সাদা বল রবিচন্দ্রন অশ্বিনের যেকোনও পিচেই উইকেট নেওয়ার দক্ষতা রয়েছে। অশ্বিন স্পিনার হলেও তাঁর মানসিকতা হল একজন পেস বোলারের মতো এবং উইকেট নেওয়ার দক্ষতা রয়েছে তাঁর। তাঁর বলে যেমন ভ্যারিয়েশন রয়েছ তেমনই রয়েছে অভিজ্ঞতাও। আর এই মরসুমে ডান হাতি বোলারদের বিরুদ্ধে তিনি দুর্ধর্ষ ক্যারাম বলের ব্যবহার করেছেন”।

একইসঙ্গে সঞ্জু স্যামসনকে নিয়েও নিজের মতামত দিয়েছেন প্রাক্তন ভারতীয় তারকা ক্রিকেটার দীপ দাশগুপ্ত। স্পিনারদের বিরুদ্ধে সঞ্জু স্যামসন এতদিন ততটা স্বচ্ছন্দ ছিলেন না। যতটা তিনি পেসারদের বিরুদ্ধে ছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি তাঁর ব্যাটিং পারফরম্যান্স দেখে মুগ্ধ হয়েছেন দীপ দাশগুপ্ত। সম্প্রতি স্পিনারদের বিরুদ্ধে তাঁর পারফরম্যান্স যেমন ভাবে উন্নতি করেছে, তা দেশে সত্যিই খুশি হয়েছেন তিনি।

এই প্রসঙ্গে দীপ দাশগুপ্ত জানিয়েছেন, “সঞ্জু স্যামসন স্পিনারদের বিরুদ্ধে আগে তেমন স্বচ্ছন্দ ছিলেন না। কিন্তু শেষ এক বছরে তিনি এই জায়গায় নিজেকে ক্রমশ তৈরি করেছেন এবং সাফল্য পেয়েছেন। এর আগে তিনি তিন নম্বর পজিশনে ব্যাটিং করতে আসতেন এবং প্রথম ৬ ওভার পেসারদের বিরুদ্ধে খেলতেন। ২০২০ মরসুম পর্যন্ত এমনটাই দেখা গিয়েছে। কিন্তু সংযুক্ত আরব আমিরশাহী থেকেই স্পিনারদের বিরুদ্ধে তাঁর পারফরম্যান্স যথেষ্ট ভাল হয়েছে এবং তাঁর স্ট্রাইকরেটের উন্নতিও দেখা গিয়েছে”।

 

close whatsapp