ফাইনাল ম্যাচ চলাকালীন মাঠে ঢুকে বিরাট কোহলিকে জড়িয়ে ধরলেন এক দর্শক, দিলেন এক বিশেষ বার্তা
আপডেট করা - Nov 20, 2023 3:15 pm

১৯শে নভেম্বর, রবিবার, আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে ওডিআই বিশ্বকাপ ২০২৩-এর ফাইনাল চলাকালীন মাঠে একজন দর্শক ঢুকে পড়েন। মাঠে দর্শক ঢুকে পড়াটা কোনো নতুন ঘটনা নয়। তবে এবার যিনি মাঠে এসেছিলেন তিনি নিজের প্রিয় ক্রিকেটার বা দলের সাথে দেখা করতে আসেননি। তিনি সকলের সামনে একটি বার্তা তুলে ধরতে এসেছিলেন।
ফাইনাল ম্যাচের প্ৰথম ইনিংসে ভারত যখন ব্যাটিং করছিল তখন এই ঘটনাটি ঘটেছিল। প্ৰথম ইনিংসের ১৪ তম ওভার চলছিল এবং ঠিক তখনই একজন দর্শক মাঠে ঢুকে পড়েন। সেই সময় স্টেডিয়ামে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ উপস্থিত ছিলেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং অস্ট্রেলিয়ার ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী রিচার্ড মার্লেস তখনও মাঠে আসেননি। এই ঘটনাটির কারণে ৪৫ সেকেন্ডের জন্য খেলা বন্ধ হয়ে যায়। সেই দর্শকের জার্সিতে লেখা ছিল একটি রাজনৈতিক বার্তা এবং মুখে ছিল প্যালেস্তাইনের পতাকা আঁকা মাস্ক।
সেই ওভারে অ্যাডাম জাম্পা বল করছিলেন। অন্যদিকে, বিরাট কোহলি ব্যাট করছিলেন। সেই দর্শক মাঠে ঢুকে বিরাটের কাছে যান এবং তাকে জড়িয়ে ধরেন। তিনি একটি সাদা জার্সি পড়েছিলেন এবং তাতে লেখা ছিল ‘স্টপ বম্বিং প্যালেস্তাইন’ (প্যালেস্তাইনে বোমা ফেলা বন্ধ করো)। এই ঘটনাটি ঘটার সঙ্গে সঙ্গেই নিরাপত্তারক্ষীরা মাঠে আসেন এবং সেই ব্যক্তিকে বাইরে নিয়ে যান।
ফাইনালে নরেন্দ্র মোদি সহ আরও বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তির আসার কথা ছিল। তাই নিরাপত্তার দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছিল। স্টেডিয়ামে জুড়ে অনেক পুলিশ এবং নিরাপত্তারক্ষীরা ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর জন্য বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। এত নিরাপত্তা সত্ত্বেও সেই ব্যক্তিকে মাঠে ঢোকা থেকে আটকানো যায়নি। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ইজরায়েল এবং প্যালেস্তাইনের জঙ্গিগোষ্ঠী হামাস অনেকদিন ধরেই একে অপরের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত রয়েছে। এই যুদ্ধের কারণে প্যালেস্তাইন এবং ইজরায়েলের বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।
ফাইনালে ভারতকে ৬ উইকেটে হারায় অস্ট্রেলিয়া
এই ম্যাচটিতে ভারত প্ৰথমে ব্যাটিং করেছিল এবং স্কোরবোর্ডে ৫০ ওভারে ১০ উইকেটে ২৪০ রান তুলতে সক্ষম হয়েছিল। বিরাট কোহলি ৬৪ বলে ৫৩ রান করেছিলেন। অন্যদিকে, কেএল রাহুলের ব্যাট থেকে ৬৬ রান এসেছিল।
অস্ট্রেলিয়া ৭ ওভার বাকি থাকতেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে গিয়েছিল। ট্র্যাভিস হেড ১২০ বলে ১৩৭ রানের একটি দুর্ধর্ষ ইনিংস খেলেছিলেন। অন্যদিকে, মার্নাস ল্যাবুশেনের ব্যাট থেকে ৫৮* রান এসেছিল।