সফরকারী স্পিনার হিসেবে এশিয়ায় সর্বাধিক টেস্ট উইকেট নেওয়ার রেকর্ড গড়লেন ন্যাথান লায়ন

এশিয়ার মাঠে লায়নের দখলে ১২৯ টেস্ট উইকেট

Nathan Lyon
Nathan Lyon. (Photo by Jason McCawley – CA/Cricket Australia via Getty Images)

অস্ট্রেলিয়ার অভিজ্ঞ স্পিনার ন্যাথান লায়ন এশিয়ায় তাঁর পারফর্ম্যান্সের মাধ্যমে বিশ্বের সেরাদের একজন হিসাবে উত্থান অব্যাহত রেখেছেন। এশিয়ার মাঠে অফ-স্পিনার তাঁর কেরিয়ারের ১২৯তম টেস্ট উইকেট নিয়ে একজন সফরকারী বোলার হিসেবে সর্বাধিক উইকেট নেওয়ার রেকর্ড গড়েছেন। তিনি তাঁর দেশেরই স্পিনার শেন ওয়ার্নকে টপকে গেছেন।

ইন্দোরে ভারতের বিপক্ষে তৃতীয় টেস্টের প্রথম দিনে রবীন্দ্র জাডেজাকে আউট করার পরে নিউ সাউথ ওয়েলসের অফ স্পিনার এই মাইলফলক অর্জন করেছেন। শ্রীলঙ্কায় অভিষেক টেস্টেই ফাইফার নেওয়া লায়ন এশিয়াতে খেলে ভারতে সবচেয়ে বেশী উইকেট নিয়েছেন, মোট ৪৫টি। এ ছাড়া পাকিস্তানে ১২ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি শ্রীলঙ্কায় ৩৫, বাংলাদেশে ২২ সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১৫ উইকেট নিয়েছেন।

লায়নের তিন শিকার পূজারা, জাডেজা ও ভরত

লায়নের পরে এশিয়ার মাঠে সর্বাধিক উইকেট নেওয়া সফরকারী বোলার হিসেবে রয়েছেন ওয়ার্ন (১২৭), ড্যানিয়েল ভেট্টোরি (৯৮), ডেল স্টেইন (৯২), জেমস অ্যান্ডারসন (৮২), কোর্টনি ওয়ালশ (৭৭)। ইন্দোর টেস্টের প্রথম দিনে অস্ট্রেলিয়া টস হারলেও খেলার প্রথম সেশন থেকেই দাপট দেখিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। লাঞ্চ বিরতির মধ্যে ৭ উইকেট হারানোর পরে ভারত মাত্র ১০৯ রানে অল আউট হয়ে গিয়েছিল। লায়ন রেকর্ড গড়লেও পাঁচ উইকেট নিয়ে দিনের সেরা বোলার ম্যাথিউ কুহ্‌নেমান।

চেতেশ্বর পূজারাকে এক রানে বোল্ড করে লায়ন ইন্দোর টেস্টে প্রথম উইকেট পান। এরপরে রবীন্দ্র জাডেজা পিচের মন্থরতার ফাঁদে পড়েন স্কোয়্যার কাট খেলতে গিয়ে শর্ট কভারের হাতে ক্যাচ দিয়ে বসেন। কেএস ভরত এলবিডাব্লিউ হওয়ার পরে লায়ন তৃতীয় উইকেট পান। উদ্বোধনী টেস্টে মাত্র একটি উইকেট নেওয়ার পরে একটি চাঞ্চল্যকর প্রত্যাবর্তন করেছেন এবং দিল্লি টেস্টের প্রথম ইনিংসে ফাইফার নিয়েছিলেন।

তৃতীয় টেস্টের আগে অভিজ্ঞ অফ-স্পিনার বলেছিলেন যে তিনি সর্বদা লক্ষ্য রাখেন সামনের পায়ে ব্যাটাররা যাতে ডিফেন্ড করে কারণ তাঁর মতে এভাবে ব্যাটারদের খেলাতে পারলে আউট হওয়ার রাস্তা খোলে।

“আমি যা চাই তা হল বিশ্বের সেরা ব্যাটসম্যানদের ডিফেন্ড করানোর চেষ্টা করা। আমি কাদের সামনে বোলিং করছি বা আমরা কী পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছি তাতে কিছু যায় আসে না, আমরা অস্ট্রেলিয়ায় থাকি বা ইন্দোরে, এটা কোন ব্যাপার না। আমার সবচেয়ে বড় শক্তি হল সামনের পায়ে ডিফেন্ড করানো, এবং এর ফলে উভয় প্রান্ত, প্যাড, স্টাম্প খেলায় চলে আসে। এখানেও যতটা সম্ভব বল ডিফেন্ড করানোর চেষ্টা করছি,” দ্য এজ-এ বলেছেন লায়ন।

অস্ট্রেলিয়া চার টেস্টের সিরিজে ০-২ পিছিয়ে আছে এবং সিরিজ ড্র করার কোনো আশা রাখতে তাদের পারফর্ম্যান্সে বিশাল পরিবর্তন দরকার।

close whatsapp