সিরিজের সময়সূচীর দিকে বিসিসিআইকে নজর দিতে বললেন কৃষ্ণমাচারী শ্রীকান্ত

বায়ো-বাবলের ক্লান্তি প্রসঙ্গে উদ্বিগ্ন বুমরাহ্ও

Kris Srikkanth
Kris Srikkanth. (Photo Source: Twitter)

সাম্প্রতিক সময়ে যে পরিমাণ ক্রিকেট ভারতীয় দলকে খেলতে হয় সেই নিয়ে দুশ্চিন্তা প্রকাশ করেছেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার কৃস শ্রীকান্ত। ক্রিকেটারদের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি বলেছেন পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বায়ো-বাবলজনিত ক্লান্তি এবং মানসিক স্বাস্থ্যের সমস্যাগুলিকে প্রাপ্য গুরুত্ব দেওয়া দরকার।  

চলতি টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের দ্বিতীয় পরাজয়ের পরে ভারতীয় পেসার জসপ্রীত বুমরাহ বিশ্বব্যাপী মহামারীর মাঝে খেলার অসুবিধা এবং চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করেছেন যার প্রতিফলন শ্রীকান্তের মন্তব্যেও দেখে গেল। ভারতীয় খেলোয়াড়রা গত বছর থেকেই জৈব-সুরক্ষিত পরিবেশে যথেষ্ট সময় কাটাচ্ছেন। 

“আমি খেলোয়াড়দের পুরোপুরি সমর্থন করি, মানসিক অবসাদ একটি বাস্তব ঘটনা এবং এখনই ভালো সময় @BCCI-এর তাদের সময়সূচীর দিকে নজর দেওয়া এবং সমস্ত খেলোয়াড়দের সুস্থতা নিশ্চিত করা। আমি ভারতীয় খেলোয়াড়দের সমর্থন করি এবং তাদের যত্ন নেওয়ার এটাই উপযুক্ত সময়!” সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে একথা জানিয়েছেন শ্রীকান্ত।

ভারত সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে আয়োজিত ইভেন্টে এসেছে বেশ কিছু সিরিজের ঝক্কি সামলে। তারা ফেব্রুয়ারি-মার্চে ঘরের মাঠে সর্ব-ফরম্যাটের ইংল্যান্ড সিরিজের আগে একটি সর্ব-ফরম্যাট সিরিজে খেলতে নভেম্বর ২০২০ থেকে জানুয়ারী ২০২১ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ায় ছিল। এর পরেই ছিল ২০২১ আইপিএল, যা ৯ই এপ্রিল শুরু হয়েছিল কিন্তু জৈব-সুরক্ষিত বলয়ের ভিতরে কোভিড -১৯ কেসে বেড়ে যাওয়ায় মে মাসের প্রথম দিকে মাঝপথে স্থগিত করতে হয়েছিল

এই বছরের সেপ্টেম্বরে আইপিএল পুনরায় শুরু হওয়ার আগে ভারত জুন মাসে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলেছিল। তারপর জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচ টেস্টের সিরিজ ছিল। যদিও ম্যানচেস্টারে পঞ্চম এবং শেষ টেস্টটি পরিত্যক্ত হয়ে যায় ভারতীয় শিবিরে কোভিড -১৯ আক্রান্ত সদস্যদের কারণে।

যদিও এটি খেলোয়াড়দের একটি সংক্ষিপ্ত বিরতি দেয়  কিন্তু প্রায় অবিলম্বে আইপিএলের দ্বিতীয় পর্যায় শুরু হয় যা ১৯শে সেপ্টেম্বর থেকে ১৫ই অক্টোবর অবধি চলে। মাত্র নয় দিন পরে, ২৪শে অক্টোবর, ভারত তাদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে পাকিস্তানের সাথে খেলে। বিশ্বকাপের সমাপ্তির অব্যবহিত পরেই ভারত ঘরের মাঠে  নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিনটি টি-টোয়েন্টি এবং দুটি টেস্ট আয়োজন করবে। তারপরে .২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২২ সালের জানুয়ারির মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাবে। 

বায়ো-বাবলের ক্লান্তি প্রভাব ফেলে – জসপ্রীত বুমরাহ

রবিবার নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের আট উইকেটের পরাজয়ের পরে বুমরাহ সমস্যাগুলি তুলে ধরেন। “অবশ্যই মাঝে মাঝে আপনার বিরতি দরকার। আপনি আপনার পরিবারকে মিস করেন। আপনি ছয় মাস ধরে বাইরে আছেন। স্পষ্টতই বায়ো-বাবলে থাকা এবং এত দীর্ঘ সময়ের জন্য আপনার পরিবার থেকে দূরে থাকা একটি প্রভাব ফেলে। বিসিসিআই আমাদের স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করার জন্য তাদের যথাসাধ্য চেষ্টা করেছে … এটি একটি কঠিন সময়। একটি মহামারী চলছে, তাই আমরা মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করি তবে কখনও কখনও বায়ো-বাবলের ক্লান্তি, মানসিক ক্লান্তি গেঁড়ে বসে মনে।” 

close whatsapp