জসপ্রীত বুমরাকেই নেতা বাছলেন ইরফান পাঠান ও মর্কেল
আপডেট করা - Jan 4, 2022 3:58 pm

ভারতীয় দলের জার্সি গায়ে তোলার পর থেকেই তাঁর বোলিং পারফরম্যান্স মুগ্ধ করেছে সকলকে। ভারতীয় দলের অটোমেটিক চয়েজ এখন জসপ্রীত বুমরা। ভারতীয় দলের পেস আক্রমণের নেতা হিসাবে জসপ্রীত বুমরাকেই বেছে নিলেন দুই প্রাক্তন তারকা মর্ণি মর্কেল ও ইরফান পাঠান। বুমরার গতি, বোলিং অ্যাকশন এবং ভ্যারিয়েশনেই মুগ্ধ দুই দেশের প্রাক্তন তারকারা।
দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতেই ২০১৮ সালে ভারতের হয়ে টেস্টে অভিষেক হয় জসপ্রীত বুমরার। সেই থেকেই সাফল্যের রাস্তায় হাঁটা শুরু তাঁর। মাত্র তিন বছরেই কেরিয়ারের অন্যতম মাইলস্টোন গড়েছেন তিনি। দ্রুততম ভারতীয় বোলার হিসাবে বিদেশের মাটিতে টেস্টে শততম উইকেটের মালিক হয়েছেন বুমরা। সেঞ্চুরিয়নে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টেই সেই রেকর্ড গড়েছেন তিনি। আর তা দেখেই আপ্লুত ইরফান পাঠান ও মর্ণি মর্কেল।
প্রথম ম্যাচে ১১৩ রানে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়েছিল ভারত। সেই ম্যাচে রেকর্ড করার পাশাপাশি তাঁরক দুটো স্পেল এখনও পর্যন্ত ভুলতে পারছেন না বিশেষজ্ঞরা। চতুর্থ দিন ফান দার দুসেন এবং কেশব মহারাজকে যে দুই বলে তিনি সাজঘরের রাস্তা দেখিয়েছিলেন, তাঁর প্রশংসা এখনও করে চলেছেন সকলে।
জোহানেসবার্গে টেস্টের দ্বিতীয় দিন কমেন্ট্রি করার সময় বারবারই এই দুই তারকার মুখে উঠে আসছিল বুমরার নাম। সেখানেই ভারতীয় পেস আক্রমণের নেতা হিসাবে তাঁকে বেছে নিয়েছেন পাঠান ও মর্কেল। ইরফান পাঠান বলেন, ‘একজন আক্রমণাত্মক বোলারের পাশাপাশি এই মুহূর্তে ভারতীয় বোলিং লাইনআপের নেতা তিনি। টেস্ট ম্যাচেও তাঁর হাত থেকে ধারাবাহিক ভাবে দেখা যাচ্ছে ইনসুইং, আউটসুইং এবং ইয়র্কার। যা খেলতে রীতিমত অসুবিধায় গিয়ে পড়ছেন প্রতিপক্ষ ব্যাটসম্যানরা। এসবই তাঁকে সাফল্যের রাস্তায় পৌঁছে দিচ্ছে’।
একইকথা শোনা গিয়েছে মর্নি মর্কেলের মুখেও। তিনি জানান, ‘২০১৮ সালে ওঁর টেস্টে অভিষেক হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকাতেই। তখন থেকেই বুমরার মধ্যে ছিল অদম্য জেদ। সেইসঙ্গে ওঁর গতি ও বোলিং অ্যাকশন অনেকটাই সাহায্য করেছে। এছাড়া সতীর্থ বোলারদের সঙ্গে বুমরার পার্টনারশিপ গড়ার ক্ষমতা রয়েছে। যারফলে প্রতিপক্ষ ব্যাটসম্যানদের ওপর অতি সহজেই চাপ ফেলতে পারেন তিনি। ব্যাটারদের অসুবিধায় ফেলার জন্য বুমরার বোলিং ভ্যারিয়েশন অসাধারণ’।
সেঞ্চুরিয়নের পর জোহানেসবার্গেও দুরন্ত বোলিং পারফরম্যান্স দেখাচ্ছেন বুমরা। দ্বিতীয় দিনের মধ্যাহ্নভোজ পর্যন্ত উইকেট তুলতে না পারলেও, ব্যাটসম্যানদের ওপর চাপ তৈরি করে গিয়েছেন তিনি। হাতে রয়েছে এখনও টেস্টের তিন দিন। জোহানেসবার্গের বাইশগজে বুমরার বল থেকে নতুন কী চমক দেখা যায় সেটাই দেখার অপেক্ষায় সকলে।