পাকিস্তান দলের প্রশংসা করলেন অভিজ্ঞ ভারতীয় স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন

Ravichandran Ashwin
Ravichandran Ashwin. (Photo by GLYN KIRK/AFP via Getty Images)

অভিজ্ঞ ভারতীয় স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন মনে করছেন যে এশিয়া কাপ ২০২৩ এবং ওডিআই বিশ্বকাপ ২০২৩-এ পাকিস্তানকে হারানো কঠিন হবে না। ২রা সেপ্টেম্বর, শনিবার, ক্যান্ডির পাল্লেকেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এশিয়া কাপের মঞ্চে নিজেদের প্ৰথম ম্যাচে পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে ভারত। অন্যদিকে, ১৪ই অক্টোবর, আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের মঞ্চে এই দুটি দল একে অপরের বিরুদ্ধে খেলবে।

সম্প্রতি আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ওডিআই সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে জয় পেয়েছে বাবর আজমের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান। তারা এই মুহূর্তে খুবই ভালো ফর্মে রয়েছে। তারা ওডিআই ক্রিকেটের র‌্যাঙ্কিংয়ে এখন প্ৰথম স্থানে রয়েছে। চলতি এশিয়া কাপ এবং আসন্ন ওডিআই বিশ্বকাপে তারা ভালো পারফরম্যান্সের প্রদর্শন করবে বলে আশা করা যায়।

সম্প্রতি, পাকিস্তান দলের প্রশংসা করেছেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। তিনি বলেছেন যে বাবর আজম এবং মহম্মদ রিজওয়ান যদি আগামী তিন মাস তাদের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারেন তবে পাকিস্তান অত্যন্ত বিপজ্জনক প্রমাণিত হতে পারে। এছাড়াও তিনি বলেছেন যে পাকিস্তানের স্কোয়াডে গভীরতা রয়েছে যা তাদের আগামী সময়ে সাহায্য করবে।

রবিচন্দ্রন অশ্বিন নিজের ইউটিউব চ্যানেলে বলেন, “যদি বাবর আজম এবং মহম্মদ রিজওয়ান ধারাবাহিকভাবে ব্যাট হাতে পারফরম্যান্স দেখান, তবে পাকিস্তান এই এশিয়া কাপ এবং বিশ্বকাপে অত্যন্ত ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে। পাকিস্তান একটি অসাধারণ দল হওয়ায় প্রতিপক্ষকে ধাক্কা খেতেই হবে। এটি তাদের দলের গভীরতার জন্য সম্ভব হবে। পাকিস্তান সর্বদাই ব্যতিক্রমী ক্রিকেটার তৈরি করেছে।”

“সাম্প্রতিক বিবিএল ড্রাফটে পাকিস্তানের অন্তত ৬০-৭০ জন খেলোয়াড় ছিল” – রবিচন্দ্রন অশ্বিন

রবিচন্দ্রন অশ্বিন বলেছেন যে পাকিস্তান সর্বদা মানসম্পন্ন পেসার তৈরি করেছে কারণ টেপ-বল ক্রিকেট তাদের দেশে বিখ্যাত। পাকিস্তান দলে শাহীন আফ্রিদি এবং হ্যারিস রউফের মতো প্রতিভাবান পেসাররা রয়েছেন যারা ধারাবাহিকভাবে ভালো পারফরম্যান্সের প্রদর্শন করে চলেছেন। অশ্বিন স্বীকার করেছেন যে পাকিস্তানের ব্যাটিংয়েরও উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নতি হয়েছে।

রবিচন্দ্রন অশ্বিন বলেন, “তাদের টেপ-বল ক্রিকেটকে এর জন্য ধন্যবাদ জানাতেই হবে, তারা সবসময় পেসারদের একটি অবিশ্বাস্য সারি তৈরি করেছে। এছাড়াও, ৯০ এবং ২০০০-এর দশকের শেষের দিকে তাদের ব্যাটিং উন্নত ছিল। তবে তারা বিভিন্ন (টি-২০) লিগে যে এক্সপোজার পেয়েছে তা গত পাঁচ বা ছয় বছরে তাদের পুনরুত্থানের প্রাথমিক কারণ। তাদের পিএসএলও আছে। উপরন্তু, সাম্প্রতিক বিবিএল ড্রাফটে পাকিস্তানের অন্তত ৬০-৭০ জন খেলোয়াড় ছিল।”