আইপিএল ২০২২, ম্যাচ ১৬: পাঞ্জাব কিংস বনাম গুজরাত টাইটান্স, পরিসংখ্যান প্রিভিউ এবং আসন্ন মাইলফলক

পরপর দুই ম্যাচ জিতে প্রথম আইপিএল মরসুম স্মরণীয়ভাবে শুরু করেছে গুজরাত টাইটান্স

Gujarat Titans
Gujarat Titans. (Photo Source: IPL/BCCI)

মুম্বইয়ের ব্র্যাবোর্ন স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া আইপিএল ২০২২-এর ১৬তম ম্যাচে পাঞ্জাব কিংস এবং গুজরাত টাইটান্স একে অপরের মুখোমুখি হবে। এই মরসুমে গুজরাত টাইটান্স তাদের দুটি ম্যাচই জিতেছে। আইপিএল ২০২১-এ ষষ্ঠ স্থানে শেষ করার পরে, পাঞ্জাব কিংস এই মরসুমে দুটি জয় এবং একটি হার দিয়ে শুরু করেছে। এই মরসুমে, গুজরাত টাইটান্স তাদের প্রথম ম্যাচ ব্র্যাবোর্ন স্টেডিয়ামে খেলবে। অন্যদিকে, পাঞ্জাব কিংস এই মাঠেই তাদের শেষ ম্যাচে সিএসকেকে ৫৪ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে। 

মায়াঙ্ক আগরওয়াল এবং শিখর ধাওয়ান আরসিবি-র বিরুদ্ধে ৭১ রানের উদ্বোধনী অংশীদারিত্বের পরে, পরের দুটি ম্যাচে বিশেষ ছাপ ফেলতে পারেননি। ভানুকা রাজাপাকসের স্কোর ৪৩ (২২), ৩১ (৯), এবং ৯ (৫) একজন ফিনিশারের মতো বেশি, যদিও তিনি ৩ নম্বরে ব্যাট করছেন। ৪ নং-এ, লিয়াম লিভিংস্টোন এই মরসুমে ভালো ব্যাটিং করেছেন, এবং আগের ম্যাচেই তিনি ৩২ বলে-৬০ রান করে ম্যাচের সেরা নির্বাচিত হয়েছেন। পাঞ্জাব কিংসের লেগ-স্পিনার রাহুল চাহার এই মরসুমে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছেন।

যদিও গুজরাত টাইটান্স তাদের দুটি ম্যাচই জিতেছে, তবে তাদের ব্যাটিং ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন থেকে গেছে। প্রথম ম্যাচে রাহুল তেওয়াটিয়া এবং দ্বিতীয় ম্যাচে শুবমান গিল দুর্দান্ত ইনিংস না খেললে ছবিটা অন্যরকম হতো। ব্যাট হাতে গর্ব করার আর কিছু নেই তাদের। মহম্মদ শামি, রশিদ খান এবং লকি ফার্গুসনদের বোলিং আক্রমণটি মরসুমের শুরু থেকেই ছন্দে আছে এবং তারা যে কোনও দলের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হবে।

আইপিএল ২০২২-এর ১৬তম ম্যাচের আগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিসংখ্যানের দিকে নজর দেওয়া হল

১ – হার্দিক পান্ডিয়া (৯৯) আইপিএলে ১০০টি ছক্কা মারা থেকে আর ১টি ছক্কা দূরে।

১ – রাহুল চাহারের (৪৯) ৫০টি আইপিএল উইকেট পেতে আর ১ উইকেট প্রয়োজন।

২ – গুজরাট টাইটান্স এই মরসুমে এখন পর্যন্ত একমাত্র অপরাজিত দল, তারা দুটি খেলাই জিতেছে।

৩ – ডেভিড মিলারের (৩৪৭) টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ৩৫০ ছক্কায় পৌঁছতে আরও ৩টি ছক্কার প্রয়োজন এবং এবি ডি ভিলিয়ার্সের পর দ্বিতীয় দক্ষিণ আফ্রিকান হিসেবে এই মাইলফলক ছোঁবেন।

৫ – আইপিএলে ১০০ উইকেটে পৌঁছতে রশিদ খানের (৯৫) আরও ৫ উইকেট প্রয়োজন।

১২.৯৪ – পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে রশিদ খানের বোলিং গড়, যা আইপিএলে একটি নির্দিষ্ট প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে কমপক্ষে ১০টি ইনিংস বোলিং করা সমস্ত খেলোয়াড়দের যৌথ সেরা। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে হর্ষল প্যাটেলেরও গড় ১২.৯৪।

৪৬ – মায়াঙ্ক আগরওয়ালের (৩৯৫৪) টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ৪০০০ রান ছুঁতে আরও ৪৬ রান প্রয়োজন।

১৬৮.০০ – আইপিএলে পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে হার্দিক পান্ডিয়ার ব্যাটিং স্ট্রাইক-রেট। তাদের বিরুদ্ধে যারা কম করে ২০০ রান করেছেন তাদের মধ্যে শুধুমাত্র আন্দ্রে রাসেল এবং ক্রিস গেইলের স্ট্রাইক-রেট বেশি।

১ – জনি বেয়ারস্টো (৯৯) আইপিএলে ১০০টি চার পূর্ণ করা থেকে একটি চার দূরে।

৩ – শিখর ধাওয়ানকে (৯৯৭) টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ১০০০ চারের মাইলফলক ছুঁতে মাত্র তিনটি চারের প্রয়োজন।

৭ – লিয়াম লিভিংস্টোনের (২৯৩) টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ৩০০টি চারে পৌঁছতে সাতটি চারের প্রয়োজন।

৭ – শুভমান গিলের (১৪৩) টুর্নামেন্টে ১৫০টি চারে পৌঁছতে সাতটি চারের প্রয়োজন।

২ – হার্দিক পান্ডিয়া (৯৮) টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ১০০ ক্যাচের মাইলফলক থেকে দুটি ক্যাচ দূরে।

৫ – ভানুকা রাজাপাকসা (১৯৯৫) টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে আরও পাঁচ রান করলেই ২০০০ রান পূর্ণ করবেন।

৪ – বেয়ারস্টোর (৪৬) এই প্রতিযোগিতায় ৫০ ছক্কায় পৌঁছতে চারটি ছক্কার প্রয়োজন।

১০ – মিলারের (১৪০) আইপিএলে ১৫০টি চার পূর্ণ করতে ১০টি চারের প্রয়োজন।

৮ – মিলার (৯২) লিগে ১০০ ছক্কার ল্যান্ডমার্কে পৌঁছনো থেকে আটটি ওভার বাউন্ডারি দূরে।

৯ – রাহুল তেওয়াটিয়াকে (৪১) এই টুর্নামেন্টে ৫০টি চারে পৌঁছতে নয়টি চারের প্রয়োজন।

close whatsapp