ওডিআই বিশ্বকাপ ২০২৩-এর ফাইনালে ভারত অলআউট হওয়ার পর রোহিত শর্মার শট নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তুললেন সুনীল গাভাস্কার
আপডেট করা - Nov 19, 2023 11:01 pm

ওডিআই বিশ্বকাপ ২০২৩-এর ফাইনালে ভারত এবং অস্ট্রেলিয়া একে অপরের মুখোমুখি হয়েছিল। এই ম্যাচে প্ৰথমে ব্যাটিং করতে নেমে শুরুটা বেশ ভালোভাবেই করেছিল ভারত। রোহিত শর্মা ঝোড়োগতিতে রান করছিলেন। কিন্তু তিনি শেষমেশ ৩১ বলে ৪৭ রান করে নিজের উইকেট হারান। গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে ট্র্যাভিস হেডের হাতে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান তিনি। প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার সুনীল গাভাস্কার রোহিতের আউটটি দেখে খুশি হননি এবং তিনি নিজের বক্তব্যের মাধ্যমে তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন।
স্টার স্পোর্টসকে সুনীল গাভাস্কার বলেন, “এটা টার্নিং পয়েন্ট হতে পারে। কারণ সেই সময়ে রোহিতকে খুব ভালো দেখাচ্ছিল। তিনি এই টুর্নামেন্টে আক্রমণাত্মকভাবে খেলেছেন। একটি ছয় আর একটি বাউন্ডারির সাথে সেই ওভারে ইতিমধ্যেই ১০ রান উঠে গিয়েছিল, তাই তার সেই শটটি খেলতে যাওয়া উচিত হয়নি।আমি জানি সেই বলটি যদি ছয় রান হত আমরা সবাই উঠে দাঁড়িয়ে করতালি দিতাম। কিন্তু সেখানে সর্বদাই সেই পঞ্চম বোলার থাকত যাকে তারা টার্গেট করতে পারত, সেই পর্যায়ে কোনো তাড়া ছিল না।”
তিনি যোগ করেছেন, “ম্যাক্সওয়েলস, হেড এবং মার্শ, এই ১০ ওভারের কথা ভেবে তাদের খেলা উচিত ছিল। শুরুটা ভালোভাবে করুন এবং কোন বোলারদের উপর আক্রমণ করা যায় সেদিকে তাকান। কিন্তু সেটি ঘটেনি।”
ভারতকে ৬ উইকেটে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতল অস্ট্রেলিয়া
অস্ট্রেলিয়া টসে জিতে প্ৰথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেয়। অস্ট্রেলিয়ার বোলাররা এই ম্যাচে দুর্ধর্ষ পারফরম্যান্সের প্রদর্শন করেন। ভারত মাত্র ২৪০ রানে অলআউট হয়ে যায়। কেএল রাহুল এবং বিরাট কোহলি বাদে ভারতের আর কোনো ব্যাটার অর্ধশতরান করতে সক্ষম হননি। বিরাটের ব্যাট থেকে ৫৩ রান আসে। অন্যদিকে, কেএল রাহুল স্কোরবোর্ডে ১০৭ বলে ৬৬ রান যোগ করেন। অধিনায়ক রোহিত শর্মা ৪টি চার এবং ৩টি ছয় সহ ৩১ বলে ৪৭ রানের একটি ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। এই তিনজন বাদে ভারতের আর কোনো ব্যাটার ভালো রান করতে পারেননি। মিচেল স্টার্ক ৩টি উইকেট শিকার করতে সক্ষম হন। জশ হ্যাজেলউড এবং প্যাট কামিন্স ২টি করে উইকেট তুলে নেন।
রান তাড়া করতে নেমে ৪৭ রানের মধ্যেই ৩টি উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল ভারত। এরপর, ট্র্যাভিস হেড এবং মার্নাস ল্যাবুশেনের মধ্যে গড়ে ওঠা ১৯২ রানের দুর্দান্ত পার্টনারশিপের হাত ধরে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় অস্ট্রেলিয়া।