প্রাক্তন অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার টম মুডির কাছ থেকে প্রশংসা পেলেন রিঙ্কু সিং

Rinku Singh
Rinku Singh. (Photo Source: IPL/BCCI)

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) ২০২৩-এ কলকাতা নাইট রাইডার্সের (কেকেআর) হয়ে সবথেকে বেশি রান করেছেন রিঙ্কু সিং। তিনি ব্যাট হাতে বেশ কয়েকটি অসাধারণ ইনিংস খেলে সকলের নজর কেড়েছেন। তিনি এই মরসুমে ১৪টি ম্যাচ খেলে ৪৭৪ রান করেছেন এবং তার সর্বোচ্চ রান হল ৬৭*। তিনি ৫৯.২৫ গড় এবং ১৪৯.৫৩ স্ট্রাইক রেটের সাথে এই রান করেছেন।

প্রাক্তন অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার টম মুডি কেকেআরের এই প্রতিভাবান ব্যাটারের প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেছেন যে রিঙ্কুকে এই বছর ওডিআই বিশ্বকাপে খেলানোর ব্যাপারে ভারতের চিন্তাভাবনা করা উচিত।

ইএসপিএনক্রিকইনফোয় টম মুডি বলেন, “আমরা এখন নিশ্চিতভাবেই জানি যে তিনিই হলেন সেই ফিনিশার যাকে বিশ্বকাপে খেলানোর কথা ভারতের বিবেচনা করা উচিত। তিনি ব্যাট হাতে দুর্দান্ত মেজাজ, দক্ষতা এবং ধারাবাহিকতা দেখিয়েছেন। তিনি একজন ভালো খেলোয়াড় এবং তার সবথেকে বড় গুণ হল তিনি চাপের মুখে খেলতে পারেন। প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে তার গড় প্রায় ৬০। তিনি বলকে খুব সুন্দরভাবে হিট করেন এবং তিনি প্রতিটি বল আত্মবিশ্বাসের সাথে খেলেন। সবচেয়ে চিত্তাকর্ষক জিনিসগুলির মধ্যে একটি হল তার মেজাজ এবং সেরা ফিনিশারদের সাধারণত গণনা করার মানসিকতা থাকে, এছাড়াও চাপের মধ্যে খুব শান্ত থাকার মানসিকতাও থাকে এবং আমার মনে হয় তার সেটা আছে।”

তিনি আরও বলেন, “দেখুন, আমি তাকে ব্যক্তিগতভাবে চিনি না, আমি কখনই তার সাথে কাজ করিনি, তবে একজন পর্যবেক্ষক এবং একজন ভক্ত হিসাবে আমি তাকে দেখেছি এবং আমি মনে করি এই লোকটি এই মুহূর্তে একদম নিখুঁত। তিনি নিজের খেলার নিয়ন্ত্রণে আছেন এবং আমি এর আগে মাইকেল বেভানের মতো খেলোয়াড়দের মধ্যে এটা দেখেছি, যাদের সাথে আমি বেশ খানিকটা ক্রিকেট খেলেছি। ৫০-ওভারের ক্রিকেটে তার এমন বৈশিষ্ট্য ছিল যে আপনি ভাবছেন গেমগুলি তার কাছ থেকে দূরে চলে যাচ্ছে, তবে তিনি এটির পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আছেন। মাইকেল বেভানের চেয়ে সাম্প্রতিক সময়ের উদাহরণ হলেন মাইক হাসি। তারা খুব শান্ত থেকে কিভাবে একটি খেলা শেষ করতে হয় তা জানে।”

আইপিএল ২০২৩-এ দলগতভাবে খুব একটা ভালো প্রদর্শন করতে পারেনি কেকেআর

আইপিএলের ১৬ তম সংস্করণে দলগতভাবে ধারাবাহিকতা দেখাতে পারেনি কেকেআর। এই নিয়ে টানা দুই বছর প্লেঅফসে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে পারল না তারা।

আইপিএল ২০২৩-এ কেকেআর ১৪টি ম্যাচ খেলে মাত্র ৬টি ম্যাচে জয় পেয়েছে। এই মরসুমে তারা পয়েন্ট তালিকায় সপ্তম স্থানে শেষ করেছে।

close whatsapp