অভাবনীয়ভাবে সেমি-ফাইনালে পৌঁছে বাবরের মন্তব্য “ক্রিকেট একটি মজার খেলা”
গ্রুপ ২-এর দ্বিতীয় দল হিসেবে শেষ চারে জায়গা করেছে পাকিস্তান
আপডেট করা - Nov 6, 2022 2:44 pm

রবিবার অ্যাডিলেড ওভালে বাংলাদেশের বিপক্ষে পাঁচ উইকেটের জয়ের পর টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যাওয়ার অবস্থা থেকে সেমি-ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে পাকিস্তান। পাঁচ উইকেটে ম্যাচে জিতে পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজম তাঁর দলের প্রশংসা করেছেন।
পাকিস্তান ও বাংলাদেশের ম্যাচের আগে একই কেন্দ্রে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকা হেরে যাওয়ায় শেষ চারে জায়গা করে নেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল পাকিস্তান। সংযুক্ত আরব আমিরাতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২১-এও সেমি-ফাইনালে পৌঁছেছিল পাকিস্তান, কিন্তু সেই সংস্করণের চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে ফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হয়েছিল।
“এটি একটি টিম গেম এবং ক্রিকেট একটি মজার খেলা। যেভাবে তারা সব কটি ম্যাচ খেলেছে তাতে সমস্ত দলের প্রশংসা করা উচিত। পিচ ব্যাটিং করার জন্য সহজ ছিল না। কিছুটা দ্বি-গতির। আমি এবং রিজওয়ান দীর্ঘ সময় থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত কার্যকর হয়নি। হারিস আগ্রাসন দেখিয়েছে, তাকে খেলতে দেখে ভালো লাগছে। সেমিফাইনালের জন্য উন্মুখ। আমরা সবাই খেলার জন্য উত্তেজিত,” ম্যাচ-পরবর্তী উপস্থাপনা অনুষ্ঠানে বলেছেন বাবর।
বাংলাদেশকে মাত্র ১২৭ রানে সীমাবদ্ধ রাখার কৃতিত্ব শাহীন আফ্রিদির
শাহীন আফ্রিদির চার উইকেট বাংলাদেশের ইনিংস থমকে দিয়েছিল এবং বাংলা টাইগার্স ২০ ওভারে ১২৭/৮ তুলেছিল। ধীরে ধীরে সম্পূর্ণ ফিটনেস ফিরে পাওয়ার আভাস দেখানো শাহীন শুরুতেই আঘাত করেছিলেন ফর্মে থাকা বাংলাদেশের ওপেনার লিটন দাসকে ১০ রানে আউট করে।
বাংলাদেশ যখন তাদের ইনিংস পুনর্গঠন শুরু করেছিল শাদাব খান একই ওভারে জোড়া শিকার করে বাংলাদেশের সমর্থকদের স্তম্ভিত করে দেন। সৌম্য সরকার (২০) সুইচ হিট মারতে গিয়ে ক্যাচ আউট হওয়ার পরের ডেলিভারিতেই শাকিব আল হাসান লেগ বিফোর উইকেটের জন্য আউট ঘোষিত হন। সেই সিদ্ধান্ত মানতে না পেরে মাঠের আম্পায়ারের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন বাংলাদেশ অধিনায়ক।
শাকিব আউট হতেই বাংলাদেশের ব্যাটিং তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে। ওপেনার নাজমুল হোসেন শান্ত হাফ সেঞ্চুরি করে দলের জন্য শক্তিশালী মঞ্চ তৈরী করলেও শেষ পাঁচ ওভারে পাকিস্তানের পেসাররা বাংলাদেশের লোয়ার অর্ডারকে বিপর্যস্ত করেন। আফ্রিদি ২২ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন, যা তাঁর টি-২০ আন্তর্জাতিক কেরিয়ারের সেরা বোলিং।
জবাবে পাকিস্তানের ওপেনার মহম্মদ রিজওয়ান ও বাবর আজম মন্থভাবের শুরু করেন। পাকিস্তানের হয়ে ৫০ রান যোগ করতে তাঁরা ৫৭ বল ব্যবহার করেন। তবে দুই ওপেনার আউট হওয়ার পরে মহম্মদ হারিস ও শান মাসুদ কোন সময় নষ্ট করেননি এবং দ্রুত বড় শট খেলে পাকিস্তানকে টার্গেট অবধি পৌঁছিয়ে দেন।