২০০৩ সালের বিশ্বকাপে সর্বাধিক রান করেও ট্রফি ছুঁতে পারেননি সচিন, ২০২৩ সালের বিশ্বকাপে বিরাট কি তা করে দেখাতে পারবেন?
আপডেট করা - Nov 17, 2023 6:29 pm

ওডিআই বিশ্বকাপ ২০০৩-এ সর্বোচ্চ রান করেছিলেন সচিন তেন্ডুলকর। তিনি এই টুর্নামেন্টে ১১টি ম্যাচ খেলেছিলেন ৬৭৩ রান করতে সক্ষম হয়েছিলেন। তিনি এই রান ৬১.১৮ গড় এবং ৮৯.২৫ স্ট্রাইক রেটের সাথে করেছিলেন। তার সর্বোচ্চ স্কোর ছিল ১৫২। তিনি এই বিশ্বকাপে ১টি শতরান এবং ৬টি অর্ধশতরান করেছিলেন।
এত ভালো পারফরম্যান্সের প্রদর্শন করার পরেও সেইবারের বিশ্বকাপের ট্রফি ছুঁতে পারেননি সচিন তেন্ডুলকর। ভারত দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের প্রদর্শন করে ফাইনালে পৌঁছেছিল, কিন্তু সেখানে অস্ট্রেলিয়ার কাছে তাদের হারতে হয়েছিল। অস্ট্রেলিয়া প্ৰথমে ব্যাটিং করতে নেমে পাহাড় সমান রানে পৌঁছতে সক্ষম হয়েছিল। ৫০ ওভারে মাত্র ২টি উইকেট হারিয়ে ৩৫৯ রান করেছিল রিকি পন্টিংয়ের নেতৃত্বাধীন দল। পন্টিং ১২১ বলে অপরাজিত ১৪০ রানের একটি অনবদ্য ইনিংস খেলেছিলেন। তিনি এই ইনিংসে ৪টি চার এবং ৮টি ছয় মেরেছিলেন। ফাইনালে ব্যাট হাতে ব্যর্থ হয়েছিলেন সচিন। তিনি ৫ বলে মাত্র ৪ রান করে প্যাভিলিয়নে ফিরে গিয়েছিলেন।
ওডিআই বিশ্বকাপ ২০০৩-এর মতো ওডিআই বিশ্বকাপ ২০২৩-এও সর্বোচ্চ রান একজন ভারতীয় ব্যাটারের নামে রয়েছে। তিনি হলেন বিরাট কোহলি। তার রানের আশেপাশে এই মুহূর্তে আর কোনো ব্যাটারই নেই। তিনি ১০টি ম্যাচ খেলে ৭১১ রান করতে সক্ষম হয়েছেন। তার গড় এবং স্ট্রাইক রেট হল যথাক্রমে ১০১.৫৭ এবং ৯০.৬৮। তিনি এই টুর্নামেন্টে এখনও পর্যন্ত ৩টি শতরান এবং ৫টি অর্ধশতরান করেছেন। ২০০৩ সালে সচিন তেন্ডুলকর ট্রফি হাতে তুলতে পারেননি, বিরাট কোহলি এবারের ওডিআই বিশ্বকাপে সর্বাধিক রান সহ ট্রফি তুলতে পারেন কিনা সেটাই এখন দেখার বিষয়।
সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে একটি দুরন্ত শতরান করেছিলেন বিরাট কোহলি
ওডিআই বিশ্বকাপ ২০২৩-এর প্ৰথম সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে ৭০ রানে হারানোর মাধ্যমে ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিল রোহিত শর্মার নেতৃত্বাধীন ভারত। এই ম্যাচে ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেছিলেন বিরাট কোহলি। তিনি ১১৩ বলে ১১৭ রানের একটি সুন্দর ইনিংস খেলেছিলেন। তার এই ইনিংসে ছিল ৯টি চার এবং ২টি ছয়। এই ম্যাচটিতে শ্রেয়স আইয়ারের ব্যাট থেকেও শতরান এসেছিল।
ভারত নিউজিল্যান্ডের সামনে ৩৯৮ রানের লক্ষ্য রেখেছিল। নিউজিল্যান্ডের ইনিংস ৩২৭ রানে শেষ হয়ে গিয়েছিল। এই ম্যাচটিতে মহম্মদ শামি ৭টি উইকেট শিকার করেছিলেন এবং ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছিলেন।