ওডিআই বিশ্বকাপ ২০২৩-এ অসফল হওয়ার পর পাকিস্তানের অধিনায়কের পদ থেকে পদত্যাগ করলেন বাবর আজম

Babar Azam
Babar Azam. (Photo by ASIF HASSAN/AFP via Getty Images)

ওডিআই বিশ্বকাপ ২০২৩-এর মঞ্চে হতাশাজনক ফলাফলের পর পাকিস্তানের অধিনায়কের পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন বাবর আজম। এই খবরটি তিনি নিজের অফিসিয়াল এক্স হ্যান্ডেলের মাধ্যমে জানিয়েছেন।

বাবর আজম লিখেছেন, “আজ, আমি পাকিস্তানের সব ফরম্যাটের অধিনায়কের পদ থেকে সরে যাচ্ছি। এটি একটি কঠিন সিদ্ধান্ত কিন্তু আমি মনে করি এই কলটির জন্য এটি সঠিক সময়। আমি পাকিস্তানের হয়ে তিনটি ফরম্যাটেই একজন খেলোয়াড় হিসেবে প্রতিনিধিত্ব করা চালিয়ে যাব। আমি আমার অভিজ্ঞতা এবং নিষ্ঠার সাথে নতুন অধিনায়ক এবং দলকে সমর্থন করব। আমি এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব আমাকে অর্পণ করার জন্য পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাতে চাই।”

ওডিআই বিশ্বকাপ ২০২৩-এ ব্যাট হাতেও খুব একটা ভালো পারফরম্যান্স দেখাতে পারেননি বাবর আজম। তিনি এই টুর্নামেন্টে একটিও শতরান করতে পারেননি। তার ব্যাট থেকে চারটি অর্ধশতরান এসেছিল। তিনি ৯টি ম্যাচ খেলে ৩২০ রান করতে সক্ষম হয়েছিলেন। তিনি এই রান ৪০ গড় এবং ৮২.৯০ স্ট্রাইক রেটের সাথে করেছিলেন। তার সর্বোচ্চ স্কোর হল ৭৪।

পয়েন্ট তালিকায় পঞ্চম স্থানে শেষ করেছিল পাকিস্তান

ওডিআই বিশ্বকাপ ২০২৩ শুরু হওয়ার আগে অনেকেই মনে করেছিলেন যে পাকিস্তান সেমিফাইনালে যাবে। বহু ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা বাবর আজমের নেতৃত্বাধীন দলকে এবারের বিশ্বকাপের ট্রফি জেতার অন্যতম দাবিদার বলেও মনে করেছিলেন। এই টুর্নামেন্টে শুরুটাও বেশ ভালোভাবে করেছিল তারা। প্ৰথম দুটি ম্যাচে বেশ ভালোভাবেই জয় পেয়েছিল পাকিস্তান।

কিন্তু ভারতের কাছে এসে তাদের লজ্জাজনকভাবে হারতে হয়েছিল। এই হারের পর তারা তাদের ছন্দ পুরোপুরিভাবে হারিয়ে ফেলে। দুটি ম্যাচে জয়ের মুখ দেখার পর টানা চারটি ম্যাচে হারের মুখোমুখি হয় বাবর আজমের নেতৃত্বাধীন দল। এরপর, তারা বাংলাদেশ এবং নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে জয় পায়। কিন্তু তারা নেট রান রেটের দিক দিয়ে নিউজিল্যান্ডের থেকে অনেকটাই পিছিয়ে ছিল। শেষমেশ ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধেও তারা হেরে গিয়েছিল।

পাকিস্তান রাউন্ড রবিন পর্বে ৯টি ম্যাচ খেলেছিল এবং এর মধ্যে মাত্র ৪টি ম্যাচে তারা জয় পেয়েছিল এবং ৫টি ম্যাচে তারা হেরে গিয়েছিল। পাকিস্তানের বোলিং আক্রমণের দিকে সকলেরই নজর ছিল, কিন্তু চলতি ওডিআই বিশ্বকাপের মঞ্চে তারা খুব একটা নজরকাড়া পারফরম্যান্সের প্রদর্শন করতে পারেনি। উল্লেখযোগ্যভাবে, পাকিস্তানের নতুন টেস্ট অধিনায়ক হয়েছেন শান মাসুদ। অন্যদিকে, টি-২০ অধিনায়ক হয়েছেন শাহীন আফ্রিদি।

close whatsapp