রাসেল, মাহমুদউল্লাহর অভিজ্ঞ জুটির অবদানে অবশেষে জয়ের মুখ দেখল মিনিস্টার ঢাকা
৪৭ রান, একটি উইকেট ও দুটি ক্যাচ নিয়ে ম্যাচের সেরা মাহমুদউল্লাহ
আপডেট করা - Jan 24, 2022 4:47 pm

মিনিস্টার ঢাকা টস জিতে ব্যাট করতে পাঠায় ফরচুন বরিশালকে। শুরুটা যদিও একেবারেই ভালো করেনি বরিশাল। ওপেনার নাজমুল হাসান শান্ত ৯ বলে ৫ রান করে শুভাগত হোমের বলে নাঈম শেখের হাতে ক্যাচ দিয়ে ড্রেসিংরুমের পথ ধরেন। ১৮ বলে ১৫ রান করে হাসান মুরাদের শিকার হয়ে বিদায় নেন গত ম্যাচে রান পাওয়া শাইকাত আলি। তৌহিদ হৃদয় স্কোরারদের বিরক্ত না করেই শূণ্য রানে আন্দ্রে রাসেলের শিকার হন।
টানা তিন ওভারে তিনটি উইকেট হারায় বরিশাল। তখন তাদের স্কোর দাঁড়ায় ৫ ওভার ২ বলে ২৩ রানে ৩ উইকেট। চতুর্থ উইকেটে জুটি গড়েন শাকিব আল হাসান ও ক্রিস গেইল। অভিজ্ঞ দুজনের ৩৭ রানের জুটি ভাঙে যখন রুবেল হোসেনের বলে মহম্মদ শাহজাদের বলে ১৯ বলে ২৩ রান করে শাকিব আউট হন। শাকিবের ইনিংস সাজানো ছিল দুইটি চার ও একটি ছক্কা দিয়ে।
সুক্কুরের জায়গায় দলে আসা নুরুল হাসান সোহান ৫ বলে ১ রান করে মাহমুদউল্লাহর বলে বাউন্ডারিতে জহুরুল ইসলামের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। গতকাল ঢাকায় এসেই আজকেই মাঠে নেমে যাওয়া গেইলও এরপরেই বিদায় নেন। ৩০ বলে ৩৬ রান করেন এই ক্যারিবিয়ান তারকা। তাঁর ৩টি চার ও ২টি ছক্কার ইনিংস থামে যখন ইসুরু উদানার বলে ক্যাচ দেন গেইল।
বরিশালের ইনিংসে রান যোগ করার দায়িত্ব এসে পড়ে ব্রাভোর কাঁধে। এই ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটারের ব্যাট থেকে আসে ২৬ বলে লড়াকু ৩৩ রান। ব্রাভোর ইনিংসে ছিল ৩টি চার ও ১টি ছক্কা। নির্ধারিত ২০ ওভারে ফরচুন বরিশাল সংগ্রহ করতে পারে মাত্র ১২৯ রান।
তৃতীয় ওভারের মধ্যেই ১০ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে প্রবল চাপে পড়ে গিয়েছিল মিনিস্টার ঢাকা
তবে ১৩০ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপাকে পড়ে মিনিস্টার ঢাকা। শফিকুল ইসলাম ও আলজারি জোসেফের পেস আক্রমণের সামনে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে ঢাকার টপ অর্ডার। গত দুই ম্যাচে হাফ সেঞ্চুরি করা তামিম ইকবাল ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই অসাধারণ এক ডেলিভারিতে বোল্ড আউট হন শফিকুলের বলে। পরের ওভারে জোসেফের বলে উইকেটকিপারের হাতে ক্যাচ দেন নাঈম শেখ। একই ওভারে জহুরুল ইসলামকে বোল্ড করেন জোসেফ।
শফিকুল দ্বিতীয় ওভার করতে এসেই মহম্মদ শাহজাদকে বোল্ড করেন। ১০ রান ৪ উইকেট হারানোর পর মনে হচ্ছিল ঢাকা হয়তো তাদের টানা তৃতীয় ম্যাচ হারতে চলেছে। সেখান থেকে শুভাগত হোমকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস মেরামতির দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। দুজনের ৬৯ রানের পার্টনারশিপ ভাঙেন ডোয়েন ব্রাভো।
তখনও ৪১ বলে ৫১ রান করতে হত ঢাকাকে। আন্দ্রে রাসেল নেমেই ঝড় তোলেন। এরই মধ্যে ব্যক্তিগত ৩৫ রানের মাথায় আউট হতে হতে বাঁচেন মাহমুদউল্লাহ। রাসেল ১৫ বলে ৩১ রান করার পথে ৩টি চার ও ২টি ছয় মারেন। মাহমুদউল্লাহ ৪৭ রান করে যখন আউট হন তখন আর মাত্র ১ রান দরকার ছিল। যা ইসুরু উদানা নেমেই করে ফেলেন। ঢাকা ১৫ বল বাকি থাকতে ৪ উইকেটে ম্যাচ জেতে।