যশস্বীর যশে পঞ্জাব কিংসকে হারিয়ে জয়ের সরণীতে রাজস্থান রয়্যালস

Yashasvi Jaiswal
Yashasvi Jaiswal. (Photo Source: IPL/BCCI)

যশস্বী জয়সয়ালের দুর্ধর্ষ ব্যাটিংয়ে পঞ্জাব কিংসকে হারিয়ে জয়ের রাস্তায় ফিরল রাজস্থান রয়্যালস। আইপিএলের প্লে অফে জায়গা পাকা করে ফেলতে চাইলে আর মাত্র দুই পয়েন্ট দূরে রয়েছে রাজস্থান রয়্যালস। আর সেই লক্ষ্যে সঞ্জু স্যামসনদের পৌঁছে দেওয়ার প্রধান কান্ডারী আর কেউ নন বেশ কয়েকম্যাচ পর সুযোগ পাওয়া যশস্বী জয়সওয়াল। ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে এগিন পঞ্জাব কিংসকে রানে হারাল রাজস্থান রয়্যালস। শুরুটা যশস্বী করে দিয়ে যান এবং শেষটা করে দেন শিমরণ হেটমায়ার। ৬ উইকেটে পঞ্জাব কিংসকে হারালো রাজস্থান রয়্যালস।

এবারের আইপিএলের শুরু থেকেই দুর্দান্ত ছন্দে ছিল রাজস্থান রয়্যালস। তবে প্রতিযোগিতার মাঝপথে হঠাত্ই যেন ছন্দপতন হয়েছিল রাজস্থানের রয়্যালসদের। পরপর দু ম্যাচ হেরে খানিকটা চিন্তায় পড়ে গিয়েছিল রাজস্থান রয়্যাল শিবির। এদিন পঞ্জাবের বিরুদ্ধে দুটো বদলই যেন ফের তাদের জয়ের সরণীতে ফিরিয়ে দিল। ব্যাটিং পজিশনে ওপেনিং জুটির বদল। দেবদূত পাড়িক্কলের পরিবর্তে যশস্বী জয়সওয়ালকে খেলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েোছিল তারা। আর তাতেই যেন বাজিমাত।

পরপর দু ম্যাচের হারের পর জয়ের রাস্তায় রাজস্থান, প্লে অফের লক্ষ্যে আর দুই পয়েন্ট প্রয়োজন তাদের

টস জিতে এদিন প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেম পঞ্জাব কিংস অধিনায়ক। টানা ব্যর্ত হওয়ার পর এদিনই প্রথমবার রানের মুখ দেখেন জনি বেয়ারস্টো। কিন্তু পঞ্জাবের ওপেনিং জুটি কিন্তু সফল হয়নি। শিখর ধওয়ান ফেরেন ১২ রানে। জনি বেয়ারস্টোর সঙ্গে ঝোরো ইনিংস খেললেও ভানুকা রাজাপক্সেকে ফিরতে হয় ১৮ বলে ২৭ রান করেই। যদিও জনি বেয়ারস্টো ক্রিজে থাকায় সকলেই খানিকটা আশ্বস্ত ছিলেন। রানে ফিরলেও, বেয়ারস্টোকে কিন্তু গতবারের মতো ফর্মে দেখা যায়নি এদিন। বরং একটু ধীরগতির ব্যাটিংই করেছেন তিনি।

৪০ বলে ৫৬ রানে বেয়ারস্টো যখন ফেরেন তখন পঞ্জাবের রান ৪ উইকেটে ১১৯। সেখান থেকেই হঠাত্ ব্যাট হাতে জ্বলে ওঠেন জীতেশ শর্মা। আর তার সেই ঝোরো ইনিংসে ভর করেই যেন রানের গতি হঠাত্ই এগোতে শুরু করে পঞ্জাব কিংসের। একসময় যে পঞ্জাবের রান ১৫০ পেরোবে কিনা মনে হচ্ছিল, জীতেশ শর্মার ১৮ বলে ৩৮ রানের সৌজন্যে পঞ্জাব কিংস করে ১৮৯ রান।

লড়াই করার জন্য পঞ্জাবের হাতে এদিন যথেষ্ট রান ছিল। পরীক্ষা ছিল রাবাডা, রাহুল চাহারদের ওপর। পঞ্জাবের বোলিং আক্রমণ এবার যথেষ্ট শক্তিশালী। কিন্তু এদিন শুরু থেকেই দুর্ধর্ষ ফর্মে ছিলেন যশস্বী জয়সওয়াল। জস বাটলারের থেকেও যেন বেশী আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিলেন তিনি। সঙ্গে বাটলারও ধীরে ধীরে তাঁর ভয়ঙ্কর মূর্তি ধারণের চেষ্টা সুরু করেন, যদিও যশস্বীর সঙ্গে মাত্র ৪৬ রানের পার্টনারশিপ করেই ফিরতে হয় তাঁকে। ১৫ বলে ৩০ রানে ফেরেন জস বাটলার। কিন্তু যশস্বী জয়সওয়ালকে আটকানো এদিন দুঃসাধ্যই ছিল পঞ্জাব বোলারদের কাছে।

তিনি যখন মাঠ ছাড়েন সেই সময় রাজস্থানের রান ৩ উইকেটে ১৪১। তাঁর ৪০ বলে ৬৮ রানের ইনিংসটি সাজানো রয়েছে ৯টি চার ও দুটি ওভার বাউন্ডারি। তিনি ফেরার পর বাকিটা সামলে দেন শিমরণ হেটমায়ার। ১৬ বলে ৩১ রানের ইনিংস খেলে দু বল বাকি থাকতেই রাজস্থান রয়্যালসকে জিতিয়ে দেন তিনি।

close whatsapp