হাসপাতালে ভর্তি মা, ম্যাচের সেরার পুরষ্কার মা-কেই উতসর্গ আভেশ খানের

Lucknow Super Giants
Lucknow Super Giants. (Photo Source: IPL/BCCI)

আইপিএলে এবার শুরুটা হার দিয়ে করলেও, দ্বিতীয় ম্যাচ থেকেই ঘুরে দাঁড়িয়েছে লখনউ সুপার জায়া্ন্টস। আর তৃতীয় ম্যাচে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে আভেশ খান তো লখনউ সুপার জায়ান্টসের জয়ের পিছনে অন্যতম নেপথ্য কারিগড়। সোই আভেশ খানই এখন রয়েছে ঘোর চিন্তায়। হবে নাই বা কেন, তাঁর মা যে এখন শুয়ে রয়েছেন হাসপাতালে। আর সেজন্যই ম্যাচের সেরা হওয়ার পর মাঠ থেকে সোজা মাকেই করেছিলেন ভিডিও কল টা। পুরষ্কারও উতসর্গ করলেন মাকেই।

এবারের আইপিএলের মঞ্চে অন্যান্য তরুণ তারকাদের সঙ্গে তাঁর দিকেও তাকিয়ে রয়েছে সকলে। সামনে রয়েছে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। সেখানেও বোলার হিসাবে সুযোগ পেতে পারেন আভেশ খান। এবারের আইপিএলের আগে তাঁকে নিয়েও কম চর্চা হয়নি। আর লখনউ সুপার জায়ান্টসের হয়ে তৃতীয় ম্যাচে নেমেই ম্যাচের সেরা পারফর্মারও হয়ে গিয়েছে আভেশ খান। এবারর আইপিএলে এটাই তাঁর প্রথম ম্যাচের সেরা উপহার পেয়েছেন তিনি।

সোমবার সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত ল়ড়াই ম্যাচ জিতে নেয় লখনউ সুপার জায়ান্টস। ব্যাট হাতে শুরুটা যদি লোকেস রাহুল কর দেন, তবে বল হাতে শেষটা করেছিলেন আভেশ খান। একাই চার উইকেট নিয়ে শেষ করে দিয়েছিলেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ব্যাটিং লাইনআপকে। হায়দরাবাদের সেরা চার উইকেটকে সেদিন সাজঘরের রাস্তা দেখিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। একইসঙ্গে ম্যাচের সেরার পুরষ্কারও জিতে নিয়েছিলেন আভেশ খান। এরপরই দেখা গিয়েছিল মাঠ থেকেই ফোনে ভিডিও কল করছেন তিনি।

অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন আভেশ খানের মা

প্রথমে যদিও কেউ কিছু বুঝতে পারেননি। পরে অবশ্য আভেশ খান নিজেই সেই কতা সকলকে জানিয়ে দিয়ছেন। তাঁ ক্রিকেটার হয়ে ওঠার পিছনে তাঁর মায়ের অবদান অনস্বীকার্য। কিন্তু সেই মা এখন হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে রয়েছেন। তাই খানিকটা মনও খারাপ রয়েছে আভেশ খানের। ম্যাচ শেষের পর তাই সেই ম্যাচের সেরার উপহারটা নিজের মাকেই উতসর্গ করেছেন আভেশ খান। লোকেশ রাহুলকেই সেই কথা জানিয়েছেন তিনি।

লখনউ সুপার জায়ান্টসের সোশ্যাল সাইটে পোস্ট হওয়া একটা ভিডিওতে তিনি জানিয়েছেন, “আমি আমা এই উপহার মাকে উতসর্গ করছি। আমার মা এই মুহূর্তে হাসপাতালে রয়েছেন। আমার ক্রিকেটার হয়ে ওঠার পিছনে তাঁর প্রচুর অবদান রয়েছে। ম্যাচের পরই ভিডিও কল করে মাকে এদিনের ম্যাচের সমস্ত আপডেট দিয়েছি। ভগবানের কৃপায় এখন তিনি সুস্থ রয়েছেন”।

ম্যাচ শেষে মাঠ থেকেই মা-কেই ভিডিও কল করে নিজের সাফল্যের কথা জানান আভেশ খান

প্রথমে ব্যাটিং করে লখনউ সেদিন করেছিল ১৬৯ রান। সেখানেই বল হাতে হায়দরাবাদের চার উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। শুরুতেই কেন উইলিয়ামসনকে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। তেমনই নিকোলাস পুরাণও এদিন তাঁরই শিকার হয়েছিলেন। চার উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরার পুরষ্কারও ছিনিয়ে নিয়েছিলেন তিনি।

close whatsapp