হারের জন্য বৃষ্টি ও ভেজা মাঠকেই দায়ী করছেন তিলক বর্মা
আপডেট করা - Dec 13, 2023 12:58 pm

প্রথম ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেস্তে গিয়েছিল। দ্বিতীয় ম্যাচেও ভিলেন সেই বৃষ্টি। আর তারই খেসারত ভারতকে দিতে হয় হার দিয়ে। শেষপর্যন্ত ডাকওয়ার্থ লুইস নিবমেই হেরে গিয়েছিল টিম ইন্ডিয়া। ম্যাচ শেষেই বৃষ্টি ও ভেজা মাঠকেই হারির জন্য দায়ী করছেন বাতীয় দলের তরুণ ক্রিকোটয়ার তিলক বর্মা। বৃষ্টি হওয়ার ফলে বল গ্রিপিং করতে অসুবিধা হচ্ছিল ভারতীয় বোলার এবং ফিল্ডারদের। সেই সমস্যাটাই যে ভাকচতীয় দলের হারের জন্য প্রধান কারণ তা মনতে কোনও দ্বিধা নেই এই তরুণ ক্রিকেটার তিলক বর্মা।
১৫৪ রানের মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকার ৫ উইকেটে তুলে নিলেও শেষপর্যন্ত ডাকওয়ার্থ লুইস নিয়মে প্রোটিয়াদের কাছে ৫ উইকেটে হেরে গিয়েছিল ভারত। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে এই সিরিজ থেকেই নিজেদের প্রস্তুতি শুরু করেছে টিম ইন্ডিয়া। এই সিরিজ জিততে পারলে যে বিশ্বকাপের আগে ভারতীয় দলের আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বাড়বে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু সেখানেই শুরুটা তাদের হার দিয়ে শুরু হয়েছে। যদিও ভারতের সামনে এখনও পর্যন্ত ঘুরে দাঁড়ানোর একটা সুযোগ রয়েছে।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে মাত্র ২৯ রান করেছিলেন তিলক বর্মা
টস জিতে এদিন ভারতকেই প্রথমে ব্যাটিংয়ের সুযোগ দিয়েছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক। ভারতীয় দলের টপ অর্ডার অবশ্য সেখানেও ব্যর্থ হয়েছিল। কিন্তু এদিনও ভারতীয় দলের ত্রাতা সেই রিঙ্কু সিং। সেইসঙ্গে সূর্যকুমার যাদব। এই দুই ক্রিকেটারের অর্ধশতরানের ভর করেই দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে বড় রানে পৌঁছতে পেরেছিল ভারতীয় দল। প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে ৩৯ বলে ৬৮ রানের দুর্ধর্ষ ইনিংস খেলেছিলেন এই তরুণ ক্রিকেটার। সেইসঙ্গেই ৫৬ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেছিলেন সূর্যকুমার যাদব। কিন্তু বোলারদের ব্যর্থতার জন্যই সেষরক্ষা করতে পারেনি টিম ইন্ডিয়া।
যদিও ম্যাচ শেষে বৃষ্টি এবং ভেজা মাঠকেই দায়ী করছেন তিলক বর্মা। সাংবাদিক সম্মেলনে এসে তিনি জানিয়েছেন, “আমার মনে হয় পাওয়ার প্লে-তে আমরা বেশ কিছু বাড়তি রান দিয়ে ফেলেছিলাম। যদিও আমরা তারপর ম্যাচে ফিরতে পেরেছিলাম। কিন্তু আমাদের মনে হচ্ছিল যে ভেজা মাঠ থাকার ফলে সেভাবে আমরা বল গ্রুিপ করতে পারছিলাম না। কিন্তু আমরা এই ম্যাচে যথেষ্ট ভাল ব্যাটিং করেছিলাম”।
ভারতীয় দলের বোলাররা সেভাবে ভাল পারফরম্যান্স দেখাতে পারেননি তিনি। বৃষ্টির জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল সেই সময় ১৫ ওভারে ১৫২ রান। ১৩.৫ ওবারেই ম্যাচ জিতে নিয়েছিল প্রোটিয়া শিবির।