ওডিআই বিশ্বকাপ ২০২৩: কোন ৮টি দল সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে?

ICC-Logo-for-ICC-ODI-World-Cup-2023
ICC Logo for ICC ODI World Cup 2023. (Photo Source: Twitter)

ওডিআই বিশ্বকাপ ২০২৩-এর ম্যাচগুলির সময়সূচি ঘোষণা করে দিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। এই ওডিআই বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ হল ভারত। ওডিআই বিশ্বকাপে মোট ১০টি দেশ অংশগ্রহণ করবে। তার মধ্যে ৮টি দল সরাসরি ওডিআই বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। এই মুহূর্তে ওডিআই বিশ্বকাপ ২০২৩-এর জন্য কোয়ালিফায়ার চলছে। এইখান থেকেই আমরা বিশ্বকাপের নবম এবং দশম দলটিকে পাব।

এইবারের ওডিআই বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ হওয়ায় ভারত সবার আগেই এই বড় মঞ্চে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিল। বাকি ৭টি দেশ যারা ওডিআই বিশ্বকাপ ২০২৩-এ সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে তারা হল – নিউ জিল্যান্ড, ইংল্যান্ড, বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া, আফগানিস্তান, পাকিস্তান এবং দক্ষিণ আফ্রিকা।

ওডিআই বিশ্বকাপ ২০২৩-এর কোয়ালিফায়ার জিম্বাবুয়েতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৮ই জুন থেকে এটি শুরু হয়েছিল এবং ৯ই জুলাই এটি শেষ হবে। কোয়ালিফায়ারে মোট ১০টি দেশ খেলছে। গ্রুপ এ-তে রয়েছে জিম্বাবুয়ে, নেদারল্যান্ডস, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নেপাল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে, গ্রুপ বি-তে রয়েছে শ্রীলঙ্কা, স্কটল্যান্ড, ওমান, আয়ারল্যান্ড এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং শ্রীলঙ্কা উভয়েই এর আগে ওডিআই বিশ্বকাপ জিতেছিল। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৯৭৫ সাল এবং ১৯৭৯ সালে বিশ্বকাপ জিতেছিল। অন্যদিকে, শ্রীলঙ্কা ১৯৯৬ সালে বিশ্বকাপ জিতেছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত এই দুটি দলকেই এই বছর কোয়ালিফায়ারে খেলতে হচ্ছে।

ক্রিকেট বিশ্বকাপ সুপার লিগের পয়েন্ট তালিকায় প্ৰথম স্থান অধিকার করেছে নিউ জিল্যান্ড

নিউ জিল্যান্ড ২৪টি ম্যাচ খেলেছিল এবং তার মধ্যে ১৬টি ম্যাচে জয় পেয়েছিল। বাকি ৮টি ম্যাচের মধ্যে ৫টি ম্যাচে তারা পরাজিত হয়েছিল এবং ৩টি ম্যাচে কোনও ফলাফল পাওয়া যায়নি। তাদের পয়েন্ট এবং নেট রান রেট ছিল যথাক্রমে ১৭৫ এবং +০.৯১৪।

দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ইংল্যান্ড। তারা ২৪টি ম্যাচের মধ্যে ১৫টি ম্যাচে জয় পেয়েছিল। বাকি ৯টি ম্যাচের মধ্যে ৮টি ম্যাচে তারা হেরেছিল এবং ১টি ম্যাচের কোনও ফলাফল পাওয়া যায়নি। তাদের পয়েন্ট এবং নেট রান রেট ছিল যথাক্রমে ১৫৫ এবং +০.৯৭৬।

আয়োজক দেশ না হলেও ভারত ওডিআই বিশ্বকাপ ২০২৩-এ সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জন করত। কারণ ভারত এই পয়েন্ট তালিকায় চতুর্থ স্থান অধিকার করেছে। ভারত ২১টি ম্যাচ খেলেছিল এবং তার মধ্যে ১৩টি ম্যাচে জিততে সক্ষম হয়েছিল। বাকি ৮টি ম্যাচের মধ্যে ৬টি ম্যাচে তারা পরাজিত হয়েছিল এবং ২টি ম্যাচে কোনও ফলাফল পাওয়া যায়নি।

close whatsapp