ডব্লুটিসির ফাইনালের প্ৰথম ইনিংসে ব্যর্থ হওয়ার পর নিজের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে একটি রহস্যময় স্টোরি পোস্ট করলেন বিরাট কোহলি

Virat Kohli
Virat Kohli. (Photo Source: Instagram)

বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের (ডব্লুটিসি) ফাইনালে ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়েছে ভারতীয় দল। প্ৰথমে ব্যাটিং করে স্কোরবোর্ডে ১২১.৩ ওভারে ১০ উইকেটে ৪৬৯ রান তুলতে সক্ষম হয়েছিল প্যাট কামিন্সের নেতৃত্বাধীন অস্ট্রেলিয়া। ভারত দ্বিতীয় দিন ব্যাট করতে নেমে ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল। ভারতের টপ অর্ডারের চারজন ব্যাটারই পুরোপুরিভাবে ব্যর্থ হন। অধিনায়ক রোহিত শর্মা, শুভমন গিল, চেতেশ্বর পূজারা এবং বিরাট কোহলির মধ্যে কেউই ২০ রানের গন্ডি পার করতে পারেননি। ভারত ৪ উইকেট পরে যাওয়ার পর অজিঙ্কা রাহানে এবং রবীন্দ্র জাদেজা মিলে একটি সুন্দর পার্টনারশিপ করেন। দ্বিতীয় দিনের শেষে ভারতের স্কোর ছিল ৩৮ ওভারে ৫ উইকেটে ১৫১।

বিরাট কোহলি ৩১ বলে মাত্র ১৪ রান করে মিচেল স্টার্কের বলে আউট হন। এরপর তাকে সাজঘরে গিয়ে তার সতীর্থদের সাথে আড্ডা মারতে এবং খাবার খেতে দেখা যায়। এই দৃশ্য দেখে ভারতীয় সমর্থকদের মধ্যে অনেকেই অসন্তুষ্ট হয়েছেন। তাকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলও শুরু হয়ে যায়।

ট্রোল হওয়ার পর বিরাট কোহলি নিজের অফিসিয়াল ইন্সটাগ্রাম হ্যান্ডেলে একটি স্টোরি শেয়ার করেন। এই স্টোরিতে আমেরিকান লেখক মার্ক ম্যানসনের একটি উদ্ধৃতি ছিল। এই উদ্ধৃতিটি হল, “অন্য মানুষের মতামতের কারাগার থেকে নিজেকে মুক্ত করার জন্য আপনাকে অবশ্যই ঘৃণিত হওয়ার ক্ষমতা বিকাশ করতে হবে।”

তৃতীয় দিনের শুরুতেই কেএস ভরতের উইকেট হারিয়েছে ভারত

দ্বিতীয় দিনের শেষে চালকের আসনে ছিল অস্ট্রেলিয়া। প্ৰথম দিনেও তারা ম্যাচটিকে নিয়ন্ত্রণ করেছিলেন। তাদের দলের দুই অভিজ্ঞ ব্যাটার স্টিভ স্মিথ এবং ট্র্যাভিস হেড দুটি দুরন্ত শতরান করেছিলেন। একদিকে স্টিভ স্মিথ উইকেট সামলে ব্যাটিং করছিলেন এবং অন্যদিকে ট্র্যাভিস হেড আক্রমনাত্মক ছন্দে ব্যাটিং করছিলেন। স্মিথ ১৯টি চার সহ ২৬৮ বলে ১২১ রান করেন। অন্যদিকে, হেড ২৫টি চার এবং ১টি ছয় সহ ১৭৪ বলে ১৬৩ রান করেন।

তৃতীয় দিনের প্রথম সেশনেই নিজের উইকেট হারিয়েছেন কেএস ভরত। তিনি মাত্র ১৫ বলে ৫ রান করতে সক্ষম হন। তার উইকেটটি শিকার করেন অস্ট্রেলিয়ার ফর্মে থাকা পেসার স্কট বোল্যান্ড। এই মুহূর্তে ক্রিজে ব্যাটিং করছেন অজিঙ্কা রাহানে এবং শার্দুল ঠাকুর। রাহানে তার অর্ধশতরান সম্পূর্ণ করে ফেলেছেন। তৃতীয় দিনের শেষে খেলা কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় সেটাই এখন দেখার বিষয়।

close whatsapp