মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের দাপুটে বোলিংয়ের সামনে ধরাশায়ী গুজরাত জায়ান্টস, প্লেঅফ নিশ্চিত হরমনপ্রীতদের

Mumbai Indians
Mumbai Indians. ( Photo Source: Twitter/WPL )

হরমনপ্রীত কৌরের অর্ধশতরানের ইন্ংসটাই ম্যাচের ভবিষ্যত্টা নির্ধারিত করে দিয়েছিল। তবুও গুজরাত জায়ান্টসের সামনে একটা সুযোগ ছিল। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। ন্যাট স্কাইভার এবং হ্যালি ম্যাথুজদের দুর্ধর্ষ বোলিংয়ের সামনে ফের একবার তাসের ঘরের মটো ভেঙে পড়ল গুজরাত জায়ান্টসের ব্যাটিং লাইনআপ। সেইসঙ্গেই কার্যত প্লেঅফে পৌঁছনোর আশাটাও শেষ হয়ে গেল তাদের। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কাছে ৫৫ রানে হারল গুজরাত জায়ান্টস। হ্যালি ম্যাথুজ এবং ন্যাট স্কাইভার দুই তারকা বোলারের ঝুলিতেই তিনটি করে উইকেট।

পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থেকেই এদিন গুজরাত জায়ান্টসের বিরুদ্ধে নেমেছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। অন্যদিকে গুজরাত জায়ান্টসের সামনে ছিল মরণ বাঁচন ম্যাচ। প্রথম তিন দলের মধ্যে জায়গা করার আসা বাঁচিয়ে রাখতে হলে এই ম্যাচে জিততেই হত তাদের। বল হাতে শুরুটা ভালভাবে করেওছিলেন তার। কিন্তু হরমনপ্রীতের ৫১ রানের ঝোড়ো ইনিংস এবং হ্যালি ম্যাথুজ ও ন্যাট স্কাইভারের দাপুটে বোলিং পারফরম্যান্সের সামনেই কার্যত সমস্ত আশা শেষ হয়ে গেল গুজরাত জায়ান্টসের। ১৬২ রানের জবাবে নেমে ১০৭ রানে থেমে যেতে হল গুজরাত জায়ান্টসকে।

৩০ বলে ৫১ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে ম্যাচের সেরা হয়েছেন হরমনপ্রীত কৌর

টস জিতে এদিন প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন গুজরাত জায়ান্টস অধিনায়ক স্নেহ রানা। শুরুতেই হ্যালি ম্যাথুজকে সাজঘরে ফিরিয়ে দিয়েছিল গুজরাত জায়ান্টস। কিন্তু সেই চাপটা ধরে ,রাখতে পারেননি গুজরাক জায়ান্টস বোলাররা। ইয়াস্তিকা ভাটিয়া এবং ন্যাট স্কাইভার ব্রান্টের হাত ধরে প্লেঅফেই ঘুরে দাঁড়িয়েছিল। এই দুই ক্রিকেটার সাজঘরে ফেরার পর বাকিটা সামাল দেন একাই হরমনপ্রীত কৌর। গুজরাত জায়ান্টসের বিরুদ্ধে ৩০ বলে ৫১ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন হরমনপ্রীত কৌর। আর তাতেই জয়টা কার্যত নিশ্চিত করে ফেলেছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স।

হরমনপ্রীত কৌরের ৫১ রানের ইনিংস জুড়ে রয়েছে ৭টি চার এবং দুটি ওভার বাউন্ডারি। তিনি যখন সাজঘরে ফেরেন সেই সময় স্কোরবোর্ডে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের রান ১৬০। নির্ধারিত ওভারে ১৬২ রানেই থামে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। টি টোয়েন্টি জামানায় এই রান যে তাড়া করে তোলা যায়না তা একেবারেই বলা চলে না। কিন্ত মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের দাপুটে বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি গুজরাত জায়ান্টসের ব্যাটাররা।

ব্যাটে রান পাননি ঠিকই। শুরু থেকেই বল হাতে গুজরাত শিবিরে্ একের পর এক ধাক্কা দিয়ে গিয়েছিলেন হ্যালি ম্যাথুজ। সাব্বিনেনি মেঘানা এবং অ্যানাবেন সাদারল্যান্ডের মতো তারকাকে ক্রিজে বেশীক্ষণ দাঁড়াতেই দেননি তিনি। সঙ্গে যোগ্য সঙ্গত ন্যাট স্কাইভারেরও। সোফিয়া ডাঙ্কলে, স্নেহ রানাদের প্যাভিলিয়নে পাঠানোর দায়িত্বটা তিনি নিয়ে নিয়েছিলেন। এই দুই তারকা বোলারই ৩টি করে উইকেট তুলে নেন। সেইসঙ্গে ১০৭ রানেই থামতে হয় গুজরাত জায়ান্টসকে।

close whatsapp