অসুস্থ রোহিত শর্মা শেষ মুহূর্তে লড়াই করলেও জয় অধরাই ভারতের, সিরিজ জয় বাংলাদেশের

Rohit Sharma
Rohit Sharma. ( Image Source: Twitter )

অসুস্থ রোহিত শর্মার হাত থেকে শেষ মুহূর্তে একটা বিধ্বংসী পারফর্ম্যান্স এল ঠিকই, কিন্তু ভারতের জয়টা এনে দিতে পারলেন না তিনি। লড়াইটা করেও শেষপর্যন্ত ৫ রানে বাংলাদেশের কাছে হেরেই যেতে হল ভারতকে। সেইসঙ্গে বাংলাদেশের ঘরের মাঠে একদিনের সিরিজওএ হাতছাড়া টিম ইন্ডিয়া। ২০১৫ সালের পর ২০২২ সালেও রোহিত শর্মার হাত ধরে প্রতিশোধটা অধরাই রয়ে গেল টিম ইন্ডিয়ার কাছে। শেষ মুহর্তে ২৮ বলে ৫১ রানেরপ ইনিংস খেললেন ঠিকই, মাহলুদুল্লাহ ও মেহিদী হাসানদের পার্টনারশিপটা এদিন ম্যাচের ভাগ্য অনেক আগেই তৈরি করে দিয়েছিল।

টস জিতে এদিন প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক লিটন দাস। প্রথম ম্যাচ জিতে এদিন খানিকটা এগিয়ে থেকেই নেমেছিল বাংলাদেশ। অন্যদিকে ভারতীয় দলও এদিন চিল জিততে মরিয়া। প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বল হাতে সফল হলেও শেষরক্ষা করতে পারেনি ভারতীয় দল। তবে এদিন বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বল হাতে অসাধারণ পারফর্মযান্স দেখিয়েছিলেন ভারতীয় বোলাররা। অন্তত শুরুটতো সেভাবেই করেছিল ভারতীয় দল। কিন্তু সেই মাহিদী হাসান ও মাহমুদুল্লাহই  বাংলাদেশের রান সামনের দিকে এগিয়ে  নিয়ে গিয়েছিলেন।

শেষ মুহর্তে ২৮ বলে ৫১ রানের ইনিংস খেলেছেন রোহিত শর্মা

শুরু থেকেই বল হাতে দুরন্ত ফর্মে ছিলেন মহম্মদ সিরাজ ও ওয়াশিংটন সুন্দর। বাংলাদেশের ওপেনিং থেকে মিডল অর্ডারকে এদিন বিধ্বস্ত করেছিল ভারতীয় দলের বোলাররা। মহম্মদ সিরাজের পাশে এদিন বল হাতে অসাধারণ বোলিং করেছিলেন উমরান মালিকও। তিনিও এদিন ২ উইকেট তুলে নিয়েছিলেন। একসময় বাংলাদেশের ৬৯ রানের মধ্যে ৬ উইকেট তুলে নিয়েছিলেন ভারতীয়দলের বোলাররা। কিন্তু আবারও সেই মেহিদী হাসানই যেন ভারতের বিরুদ্ধে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। আর তাতেই যেন ম্যাচের ভবিষ্যত্ও তৈরি হয়ে গিয়েছিল।


https://twitter.com/prateeek5harma/status/1600496116138913792


https://twitter.com/ParthibOnFire/status/1600499007641772032

একসময় যে বাংলাদেশের রান ১০০ রানের গন্টী টপকাতে পারবে কিনা বোঝা যাচ্ছিল না, সেই বাংলাদেশেই মাহমুদুল্লাহ ও মেহিদি হাসানের ১৪৮ রানের পার্টনারশিপে ভর করে ২৭১ রানে পৌঁছে যায় এদিন। আর সেই থেকেই বোধহয় ম্যাচের ভবিষ্যত্টাও স্থির হেয়ে গিয়েছিল। ম্যাচের শুরু তেই বুড়ো আঙুলে চোট পেয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন রোহিত শর্মা। সেই জায়গায় এদিন সিখর ধওয়.ানের সঙ্গে ওপেন করতে নেমেছিলেন বিরাট কোহলি।

দুজনেই চূড়ান্ত ব্যর্থ েহয়েছেন এদিন। বিরাট কোহলি ফেরেন ৫ রানে এবং সিখর ধওয়ান করেন ৮ রান। ব্যাট হাতে ব্যর্থ হয়েছেন ওয়াশিংটন সুন্দর এবং লোকেশ রাহুলও। সেখান থেকেই দলের হাল ধরেছিলেন শ্রেয়স আইয়ার ও এঅক্ষর পটেল। একটা সময় তাদের দেখে মনে হচ্ছিল যে ভারত হয়ত ম্যাচ জয়ের দিকে। কিন্তু এই পার্টনারশিপটাও ভেঙে দিলেন সাকিব আল হাসান। ৮২ রানে সাজঘরে ফেরেন শ্রেয়স আইয়ার। ৫৬ রানেই থামতে হয় অক্ষর পটেলকেও। বাংলাদেশের সমর্থকদের মুখে তখন চওড়া হাসি।

এমন পরিস্থিতিতেই  চোট নিয়েই মাঠে রোহিত শর্মা। লড়াইটা একাই করলেন তিনি। একটা সময় তাঁর চওড়া ব্যাটেও আশা জেগেছিল। মাহামুদুলমলাহ থেকে মুস্তাফিজুর রহমনরা ফের একবার দেখল রোহিত শর্মার বিধ্বংসী ব্যাটিং। কিন্তু যোগ্য সঙ্গত দিতে পারলনা কেউ। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ওভারটাই মহম্মদ সিরাজকে দাঁড় করিয়ে রেখে দিলেন মুস্তাফিজুর। অসুস্থ রোহিত শর্মা ২৮ বলে ৫১ রানের ইনিংস কেললেন ঠিকই, কিন্তু ভারতের জ.য়ের রাস্তাটা তৈরি করে দিতে পারলেন না।

close whatsapp